The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

৪০ বছর ধরে নির্ঘুম রয়েছেন এক নারী!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বর্তমান সময়ে ইনসোমনিয়া বা অনিদ্রা একটি সাধারণ সমস্যায় পরিণত হয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করেন কর্মব্যস্ততার পরও রাতে ঘুম আসে না। এক নারী ৪০ বছর ধরে নির্ঘুম রয়েছেন!

৪০ বছর ধরে নির্ঘুম রয়েছেন এক নারী! 1

সংবাদ মাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের হেনান প্রদেশের বাসিন্দা লি ঝানাইং টানা ৪০ বছর ধরে এক সেকেন্ডের জন্যও ঘুমাতে পারেননি। ৫ বছর বয়সে শেষবারের মতো ঘুমিয়েছিলেন বর্তমানে ৪৫ বছর বয়সী এই নারী।

লি ঝানাইংয়ের স্বামী লিউ সুকুইন বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, বিয়ের পর হতে তিনি তার স্ত্রীকে ঘুমাতেই দেখেননি। সময় কাটানোর জন্য তার স্ত্রী রাতের বেলায় ঘরের কাজ করেন বলে জানিয়েছেন লিউ সুকুইন। এমনকি স্ত্রী যেনো ঘুমাতে পারেন এসে জন্য ঘুমের ওষুধও কিনে দিয়েছেন লিউ সুকুইন। তবে তাতেও কোনো কাজেই হয়নি।

এই সমস্যার পরও প্রতিবেশীদের কাছে দারুণ জনপ্রিয় লি ঝানাইং। প্রতিবেশীদের অনেকেই রাতে লি ঝানাইংয়ের সঙ্গে তাস খেলতে চলে আসেন। তবে তারা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়লেও একাই জেগে থাকেন লি ঝানাইং।

নিজের এই অদ্ভুত রোগ নিয়ে গত কয়েক বছরে অনেকবার চিকিৎসকের শরণাপন্নও হয়েছেন লি ঝানাইং। তবে চিকিৎসকরা তারমধ্যে অস্বাভাবিক কোনো কিছুই খুঁজে পাননি। সম্প্রতি বেইজিংয়ের একটি মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসকরা তার এই চার দশকব্যাপী না ঘুমানোর রহস্যের সমাধান করেছেন।

ওই মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসকদের একটা দল বিশেষ সেন্সরের সাহায্যে ৪৮ ঘণ্টা তাকে পর্যবেক্ষণে রাখেন। ৪৮ ঘণ্টা লি ঝানাইংয়ের ব্রেনওয়েড পর্যবেক্ষণ করে দেখতে পান যে তিনিও আসলে ঘুমান। তবে তার ঘুম সাধারণ মানুষের মতো নয়। সাধারণ মানুষ যেমন বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করে ঘুমান, লি বিছানায় না শুয়েই কিংবা চোখ বন্ধ না করেও ঘুমাতে পারেন। এমনকি স্বামীর সঙ্গে কথা বলার সময়ও লি ঝানাইং হালকা ঘুম সেরে নেন বলে তার ব্রেনওয়েড বিশ্লেষণ করে দেখেছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা! তথ্যসূত্র: মিরর

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...