দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ করপোরেট গভর্নেন্সে শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি হিসেবে দুইটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করেছে বিএটি বাংলাদেশ। এসএএফএ বিপিএ অ্যাওয়ার্ড ২০২৩-এ সেরা বার্ষিক প্রতিবেদনের (বেস্ট প্রেজেন্টেড অ্যানুয়াল রিপোর্ট) জন্য ‘ম্যানুফ্যাকচারিং ক্যাটাগরি’তে সিলভার অ্যাওয়ার্ড ও ১৪তম আইসিএমএবি বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ডে ‘এমএনসি ম্যানুফ্যাকচারিং’ ক্যাটাগরিতে সিলভার অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি।
দ্য সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস (এসএএফএ) গভর্নেন্স, আর্থিক প্রতিবেদন, কমপ্লায়েন্স ও স্বচ্ছতার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে উৎকর্ষ সাধন করছে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই স্বীকৃতি দেয়। আর টেকসই অনুশীলন, করপোরেট গভর্নেন্স ও আর্থিক অনুশাসনকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এমন প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি দিতে কাজ করে দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)। শক্তিশালী করপোরেট গভর্নেন্স নিশ্চিত করা এবং সাসটেইনিবিলিটি ও আর্থিক প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে সেরা অনুশীলন বজায় রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কারগুলো অর্জন করে বিএটি বাংলাদেশ। এ অর্জন প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বের সাথে অংশীজনদের স্বচ্ছতা ও আস্থা আরও জোরদার করবে।
এসএএফএ বিপিএ অ্যাওয়ার্ড ২০২৩- শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. পি. নন্দলাল বীরাসিংহে ও এসএএফএ’র সভাপতি জনাব হিসানা করুপ্পু। অনুষ্ঠানে বিএটি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোম্পানি সেক্রেটারি ও সিনিয়র লিগ্যাল কাউন্সেল সৈয়দ আফজাল হোসেন এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট কোম্পানি সেক্রেটারি মো. আতিকুর রহমান অংশ নেন।
১৪তম আইসিএমএবি বেস্ট কর্পোরেট অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও বানিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বিজয়ীদের হাতে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাং সেলিম উদ্দিন এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআর), অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহমান খান এফসিএমএ। বিএটি বাংলাদেশের পক্ষে সিনিয়র কর্পোরেট ফাইন্যান্স ম্যানেজার শাহরিয়ার হাসনাইন এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট কোম্পানি সেক্রেটারি মো. আতিকুর রহমান এই পুরস্কার গ্রহণ করেন।
এই গৌরবময় অর্জন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে, বিএটি বাংলাদেশ এর কর্পোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান সাবাব আহমেদ চৌধুরী বলেন: “এই পুরস্কারগুলো আমাদের কর্পোরেট দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখার প্রতি আমাদের অটুট প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে। এমন স্বীকৃতি পেয়ে আমরা সম্মানিত বোধ করছি, যা আমাদের কার্যক্রম ও কর্পোরেট সুশাসনের উৎকর্ষ সাধনের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার প্রতিফলন। এই স্বীকৃতি বিএটি বাংলাদেশকে দেশের টেকসই উন্নয়নে আরও বৃহত্তর ভূমিকা রাখতে অনুপ্রাণিত করবে।” খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির।
>>>>>>>>>>>>>>
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
This post was last modified on ডিসেম্বর ৪, ২০২৪ 4:24 pm
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রথম পাকিস্তানি মিউজিক ভিডিও হিসেবে ইউটিউবে ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন)…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ নরওয়ের ওসলোতে যাওয়ার সময় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে বহনকারী একটি…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মহাকাশে এমন কিছু দৃশ্য রয়েছে, যেগুলো প্রথম দেখায় যেন কোনো…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খৃস্টাব্দ, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ভাতের সঙ্গে সামান্য ঘি খাওয়ার প্রচলন দক্ষিণ এশিয়ার বহু পরিবারেই…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ টেকসই অবকাঠামো, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার এবং দায়িত্বশীল উৎপাদন চর্চার স্বীকৃতিস্বরূপ…