দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬ খৃস্টাব্দ, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৩ সাবান ১৪৪৭ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।
যে মসজিদটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সেটি নাটোরের লালপুরের বাওড়া এক কাতারের ঐতিহাসিক তিন গম্বুজ মসজিদ। এই মসজিদটি চারশ বছরের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক হিসেবে বিবেচিত।
নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোর অন্যতম এই ‘বাওড়া এক কাতারের তিন গম্বুজ মসজিদ।’ ৪০০ বছরের বেশি সময় ধরে মুসলিম স্থাপত্যশিল্পের ঐতিহ্য বহন করে আজও দাঁড়িয়ে রয়েছে এটি। বর্তমানে এটি বাওড়া মসজিদ নামে পরিচিত।
ইতিহাসবিদদের মতে, উপজেলার সবচেয়ে পুরোনো দু’টি মসজিদের মধ্যে এটি অন্যতম। মসজিদটি ঠিক কতো সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তার সঠিক ইতিহাস পাওয়া না গেলেও এর গঠনশৈলী এবং নির্মাণের উপাদান মোগল আমলে নির্মিত মসজিদের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি মসজিদ। সেই হিসাবে মসজিদটি ৪০০ বছরেরও বেশি পুরোনো হিসেবে মনে করা হয়।
একটি ঐতিহাসিক মসজিদ হওয়ায় প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অনেক লোক আসেন আকর্ষণীয় এই মসজিদটি দেখতে। তবে মুসলিম সভ্যতার এই নিদর্শন রক্ষায় এ পর্যন্ত সরকারি, বেসরকারি কিংবা প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কোনো উদ্যোগই নেয়নি। তাই নিপুণ কারুকাজসংবলিত মসজিদটি দিন দিন ধ্বংসের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে। লালপুর উপজেলা পরিষদ অর্থাৎ গোপালপুর থেকে ২.৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে নর্থ-বেঙ্গল সুগার মিলের কেন্দ্রীয় কবরস্থানের পাশে বাওড়া গ্রামে মসজিদটি অবস্থিত। পাতলা ইটের তৈরি তিন গম্বুজবিশিষ্ট এই মসজিদটি মুসলিম স্থাপত্যশিল্প এবং শিল্পকলার এক অপূর্ব নিদর্শন বলা যায়। ইটের গাঁথুনিতে জোড়ক মসলা হিসাবে সেই আমলের চুন-সুরকি ব্যবহার করা হয়েছে। মসজিদটির ভেতর এবং বাইরে নিপুণ শিল্পীর হাতে করা নানা কারুকাজও রয়েছে। আয়তাকার মসজিদটি ১৩৮ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত হয়েছে। এক কাতারবিশিষ্ট মসজিদটির বাইরে উত্তর-দক্ষিণে লম্বা ৩১ ফুট ৬ ইঞ্চি। পূর্ব-পশ্চিমে প্রস্থে রয়েছে ১৩ ফুট ৬ ইঞ্চি ও উচ্চতা ১১ ফুট ৬ ইঞ্চি। আর মসজিদের নামাজঘরের ভেতর উত্তর-দক্ষিণে লম্বায় ২৫ ফুট ৬ ইঞ্চি এবং পূর্ব-পশ্চিমে ৭ ফুট ৬ ইঞ্চি। ৩ ফুট পুরুত্বের দেওয়ালবিশিষ্ট মসজিদের চার কোণে ৪টি অষ্টভুজাকৃতির বুরুজ রয়েছে। তথ্যসূত্র: https://www.jugantor.com/
>>>>>>>>>>>>>>
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
This post was last modified on জানুয়ারি ২১, ২০২৬ 11:45 am
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রথম পাকিস্তানি মিউজিক ভিডিও হিসেবে ইউটিউবে ১০০ কোটি (১ বিলিয়ন)…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ নরওয়ের ওসলোতে যাওয়ার সময় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে বহনকারী একটি…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মহাকাশে এমন কিছু দৃশ্য রয়েছে, যেগুলো প্রথম দেখায় যেন কোনো…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খৃস্টাব্দ, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ভাতের সঙ্গে সামান্য ঘি খাওয়ার প্রচলন দক্ষিণ এশিয়ার বহু পরিবারেই…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ টেকসই অবকাঠামো, সম্পদের যথাযথ ব্যবহার এবং দায়িত্বশীল উৎপাদন চর্চার স্বীকৃতিস্বরূপ…