The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

তাকিয়ে দেখছেন দেশের দুই নেত্রী! সহিংস হরতালে প্রাণ গেলো ১৭ জনের

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ সহিংস হরতালে প্রতিদিন প্রাণ যাচ্ছে বহু মানুষের। কিন্তু আমাদের দেশের প্রধান দুটি দলের দুই নেত্রী সেই দৃশ্য শুধুই দেখছেন! ৬০ ঘণ্টার হরতালে ১৭ জনের প্রাণ গেলো।

Hartal-0

আমরা নব্বুইয়ের হরতাল দেখেছি। ছিয়ানব্বইয়ের হরতালও দেখেছি। কিন্তু তখনকার হরতাল ছিল স্বতস্ফুর্ত এক হরতাল। নব্বুইয়ের হরতালে দেখা গেছে কোন পিকেটিং ছাড়া রাস্তায় একটা রিক্সাও চলতো না। যখন অর্ধদিবস হরতাল হতো তখন বেলা ১২টা পর্যন্ত সে হরতাল করা হতো। তখন দেখা যেতো ১২টা ১ মিনিটের পর গাড়ি রাস্তায় নামতো। কোন সময় হরতালে গাড়ি বা রিক্সা রাস্তায় দেখা যেতো না। বিশেষ করে মেইন রোডগুলোতে। তখন জনগণ স্বতস্ফূর্তভাবে হরতাল পালন করতো। গাড়ি ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ বা ককটেল নিক্ষেপ করে জনগণকে বাধ্য করা হতো না।

কিন্তু এখনকার হরতাল মানেই যেন নাশকতা, হত্যা-আতঙ্ক সৃষ্টি। মানুষকে জিম্মি করা। এ চিত্র ছিল গত তিনদিনের হরতালে। মানুষ হরতাল করতে করতে সেই হরতালের গ্রহণযোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে। গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় হরতাল ছিল এক বিশাল আন্দোলনের হাতিয়ার। কিন্তু কারণে অকারণে হরতাল করতে করতে এমন এক অবস্থায় উপনিত হয়েছে যে, এখন হরতাল শব্দের অর্থই যেনো পাল্টে গেছে। এখন হরতাল মানেই ককটেল বিস্ফোরণ, এখন হরতাল মানেই দাউ দাউ করে গাড়িতে আগুন জ্বলা, এখন হরতাল মানেই নেতা বা নেত্রীদের বাসার সামনে বোমার বিস্ফোরণ ঘটা, এখন হরতাল মানেই গাড়ির ড্রাইভারকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে মারা।

দেশের প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ মনে করে নির্দলীয় সরকারের দাবি সঠিক। অর্থাৎ দেশের মানুষ কোন দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচনের পক্ষে নয়। কিন্তু দেশের মানুষ সহিংস হরতালের এমন রূপও দেখতে চায়না।

গত শনিবার বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা জিয়াকে টেলিফোন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানান। হরতাল তুলে নিতে অনুরোধ করেন। সংঘাত আর সংঘর্ষ করে, বোমা ফাটিয়ে আতংক সৃষ্টি করে সমস্যার সমাধান হবে না- কথাটিও স্মরণ করিয়ে দেন। কিন্তু খালেদা তার সিদ্ধান্তে থাকেন অটল। ফলে তিন দিনের ৬০ ঘণ্টার নৈরাজ্যের এ হরতালে দেশের ১৭ তাজা প্রাণের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

বিরোধী দলের ডাকা টানা ৬০ ঘণ্টার হরতাল কর্মসূচি ঘিরে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যম টার্গেট ছিল। হরতালের প্রচলিত পিকেটিংতো নয়ই বরং নাশকতা, হত্যা, বোমাহামলা, চোরাগোপ্তা হামলার ঘটনাই বেশি ছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আপ্রাণ চেষ্টা প্রতীয়মান হয়েছে।

হরতালের প্রথম দিন শুরুর আগেই গভীর রাতে বি আরটিসির গাবতলী বাস ডিপোতে পার্ক করা বাসে আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে। রাস্তায় চলমান গাড়ির ওপর পিকেটারদের চোরাগোপ্তা হামলা, আগুন দিয়ে বাস পোড়ানো সবই ছিল। অর্থাৎ হরতাল ডেকেই শুরু করা হয় সন্ত্রাস।

এখন সময় এসেছে এমন হরতাল-ধর্মঘটের পথ পরিহার করে আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনে আসার। এক্ষেত্রে সরকারি দল ও বিরোধী দল উভয়কে এগিয়ে আসতে হবে। কে হারলো আর কে জিতলো সেদিকটা না দেখে দেশের স্বার্থে, দেশের মানুষের স্বার্থে দুই নেত্রীকেই ছাড় দিতে হবে। নইলে জনগণ একদিন উভয়কেই বর্জনে বাধ্য হবেন।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx