The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

প্রকৃতির বিচিত্র সৃষ্টি রহস্যময় এক দ্বীপ বাল্ট্রা দ্বীপ!

দি ঢাকা টাইমস্‌ ডেস্ক ॥ প্রকৃতির বিচিত্র সৃষ্টি রহস্যময় এক দ্বীপ বাল্ট্রা দ্বীপ। এই দ্বীপটি অমীমাংসিত রহস্য হিসেবে আজ পর্যন্ত বিশ্বের কাছে বিস্ময়ের সৃষ্টি করে রেখেছে।

baltra-island

পৃথিবীতে এমন অনেক দ্বীপের কথা মাঝে-মধ্যেই আমরা শুনে থাকি। প্রকৃতি আমাদেরকে কত রকম সৃষ্টির লীলা দেখায় তা আমরাও জানিনা। যুগে যুগে এমন সব আজব সৃষ্টি আমাদের সম্মুখে চলে আসে। আমরা কখনওবা এসব দ্বীপ দেখে আশ্চর্য হয়ে পড়ি। প্রকৃতির বিচিত্র সৃষ্টি রহস্যময় এমন একটি দ্বীপ বাল্ট্রা দ্বীপ। যা আমাদেরকে এক অন্য রহস্যে নিয়ে যাবে। আজ এই দ্বীপ সম্পর্কে আমরা কিছু তথ্য জানতে পারবো। এই দ্বীপটি ইকুয়েডরের গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের একটি বিশেষ দ্বীপ।

আসলে এই দ্বীপটি কি ধরণের?

বাল্ট্রা দ্বীপ মূলত মানববসতিশূন্য একটি দ্বীপ। দক্ষিণ আমেরিকার ইকুয়েডরের নিকটবর্তী ১৩টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত হয়েছে ম্যালাপোগোস দ্বীপপুঞ্জ। আর এই ১৩টি দ্বীপের একটিই হচ্ছে বাল্ট্রা দ্বীপ।

এটি ব্যতিক্রম এ কারণে আর তা হলো এখানকার অন্য ১২টি দ্বীপ হতে বাল্ট্রা দ্বীপ একেবারেই অন্যরকম। এটি একটি অদ্ভুত ও রহস্যময় দ্বীপ। ইতিহাস থেকে জানা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে কৌশলগত কারণেই এই দ্বীপপুঞ্জের কয়েকটি দ্বীপে বিমানঘাঁটি স্থাপন করেছি মার্কিন সরকার। এরপর থেকে বিশ্ববাসী অবগত হয় বাল্ট্রা দ্বীপের এই অদ্ভুত রহস্যের বিষয়ে।

দ্বীপটি গ্রীষ্মমন্ডলীয় দ্বীপপুঞ্জ হওয়ার কারণে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। আশ্চর্যের বিষয় হলো বৃষ্টির এক ফোঁটা পানিও পড়ে না এই বাল্ট্রা দ্বীপে! কী এক রহস্যজনক কারণে বাল্ট্রার অনেক ওপর দিয়ে গিয়ে অন্যপাশে পড়ে বৃষ্টির পানি। বাল্ট্রার অর্ধেক পার হওয়ার পর অদ্ভুতভাবে এক ইঞ্চিও এগোয় না বৃষ্টির ফোঁটা।

বাল্ট্রা বাদে প্রতিটি দ্বীপেই রয়েছে সিল মাছ, ইগুয়ানা, দানবীয় কচ্ছপ, গিরগিটিসহ নানা রকম বিরল প্রজাতির পাখি।
কিন্তু বাল্ট্রার ব্যাপারটা একেবারেই ভিন্ন। বাল্ট্রা দ্বীপে কোনও উদ্ভিদ, প্রাণী কিংবা কীটপতঙ্গ নেই।

বাল্ট্রা দ্বীপ সম্পর্কে অনেক কথায় প্রচলিত রয়েছে। এর পাশের দ্বীপ সান্তাক্রজের মাঝে ৩ ফুট গভীর এবং কয়েক ফুট চওড়া একটি খালও রয়েছে। জানা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে এই গ্যালাপাগোস দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি একটি দ্বীপে এয়ারবেস স্থাপন করে আমেরিকা সরকার। ফ্রেন্সিস ওয়ানার ছিলেন তখনকার একজন দায়িত্বরত কর্মকর্তা। এই দ্বীপপুঞ্জে থাকাকালীন সময় তিনি অদ্ভুত সব ঘটনা আর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন। যেগুলো পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হলে রীতিমতো বিস্ময় এবং এক ঝড় ওঠে।

ফ্রেন্সিস ওয়ানার লিখেছেন, ‘জীবনের সবচেয়ে বড় ধরনের বিস্ময়কর ঘটনাগুলোর মুখোমুখি হয়েছি আমি বাল্ট্রা দ্বীপে যাওয়ার পর। একটা নয় দুটো নয়, একের পর এক অসংখ্য অবিশ্বাস্য সব ঘটনা ঘটেছে আমার চোখের সামনেই। বিস্ময়ে হতবাক আমি শুধু দৃষ্টি মেলে দেখেছি এসব, কোনও যুক্তিযুক্ত উত্তর বা ব্যাখ্যা আমি আজও খুঁজে পাইনি। সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের শক্তি কাজ করেছে দ্বীপটির ভেতর। যার প্রভাবে ঘটেছে একের পর এক রহস্যময় এবং অবিশ্বাস্য সব ঘটনা। বাল্ট্রাতে এলেই অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করে নাবিক অথবা অভিযাত্রীর কম্পাস। সবসময়ই উত্তর দিকে-নির্দেশকারী কম্পাস এখানে অনেক সময় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। আবার কখনও দিক-নির্দেশক কাঁটা ইচ্ছেমতো ঘুরতে থাকে কিংবা উল্টোপাল্টা দিক নির্দেশ করতে থাকে। সবচেয়ে রহস্যজনক ব্যাপার হলো, বাল্ট্রা দ্বীপের ওপর বিমান থাকাকালীন সময়েও এমন ধরনের অদ্ভুত আচরণ করে কম্পাস। আবার দ্বীপ পার হলেই সব ঠিক হয়ে যায়।’

ফ্রেন্সিস ওয়ানার আরও লিখেছেন, ‘বাল্ট্রার আরেকটি অদ্ভুত দিক হলো, এর মানসিক দিক। বাল্ট্রায় পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যে কারও মাথা অনেকটা হালকা হয়ে যায়। অজানা-অচেনা কোন এক জায়গায় হারিয়ে যাওয়ার মতো আশ্চর্যজনক এক অনুভূতি আচ্ছন্ন করে ফেলে মনকে। বেশিক্ষণ এই দ্বীপে থাকলে, দ্বীপ হতে চলে আসার পর কিছুদিন সেই আশ্চর্য অনুভূতি মনের মধ্যে রয়ে যায়। অবশ্য পরে আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যায় সবকিছু। অদ্ভুত দ্বীপ বাল্ট্রায় কোন গাছ-পালা নেই। নেই কোনো পশুপাখিও। আশ্চর্য বিষয় হলো, কোনো পশুপাখি এই দ্বীপে আসতে চায় না। জোর করে এলেও কোনো পশু-পাখিকে বসতি করানো যায়নি আজ পর্যন্ত। এমনও দেখা গেছে যে, বাল্ট্রাকে এড়িয়ে পাশের দ্বীপ সান্তাক্রুজের ধার ঘেঁষে চলেছে প্রাণীগুলো। শুধু তাই নয়, উড়ন্ত পাখিগুলোও উড়তে উড়তে বাল্ট্রার কাছে এসেই আবার ফিরে যাচ্ছে। দেখে মনে হবে, যেনো কোনো দেওয়ালে ধাক্কা খাচ্ছে ওরা।’

এই দ্বীপের রহস্যের কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি। বিজ্ঞানীরা আজও এই বাল্ট্রা দ্বীপের রহস্যের কোন কূলকিনারা করতে পারেননি। প্রযুক্তির বদৌলতে হলে হয়তো একদিন বিজ্ঞানীরা এসব রহস্যের সমাধান খুঁজে পাবেন এমনটিই ধারণা করা হচ্ছে।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx