The Dhaka Times Desk এসএসসিতে ১১ বোর্ডে পাস ৬২.২৫%, জিপিএ–৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬, পাসের হার ও জিপিএ–৫ কমেছে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ভোকেশনাল পরীক্ষায় পাসের হার মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ১৫ শতাংশীয় পয়েন্টের বেশি কমেছে। এবার পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশে। গত বছর এই হার ছিল ৭৩ দশমিক ৬২ শতাংশ। ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৮১ শতাংশের বেশি। অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে কারিগরি শিক্ষার এই গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
আজ (সোমবার) কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। একই দিনে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষার ফলও প্রকাশ করা হয়।
দাখিলের ফলে অবনতি: পাসের হার-জিপিএ-৫ কমেছে, বেড়েছে শূন্য পাসের মাদ্রাসা
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় মাত্র এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে প্রায় ১৩ শতাংশীয় পয়েন্ট। এবার পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশে, যা গত বছর ছিল ৬৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ। শুধু পাসের হার নয়, ফলাফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যাও কমেছে। একইসঙ্গে কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি-এমন মাদ্রাসার সংখ্যাও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে।
আজ সোমবার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। একই দিনে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষার ফলও প্রকাশ করা হয়।
এবার ৯ হাজার ১৪১টি মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে’ছিল। এর মধ্যে ২২৬টি মাদ্রাসা থেকে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। গত বছর এমন মাদ্রাসার সংখ্যা ছিল ৮৬টি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা মাদ্রাসার সংখ্যা বেড়েছে ১৪০টি।
দাখিলে পাসের হার ও জিপিএ–৫-দুই সূচকেই খারাপ হওয়ার পাশাপাশি শূন্য পাস করা মাদ্রাসার সংখ্যা বেড়েছে।
৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর গ্রুপভিত্তিক ফলাফলে দেখা যায়, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী পাস করেছে। বিজ্ঞান বিভাগে মোট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী ৪ লাখ ৫৭ হাজার ১৮৮ জন। পাসের হার ৮০ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
আসন্ন শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক স্তরের একাদশ শ্রেণিতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। কেন্দ্রীয়ভাবে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে এবার পাসের হার অনেক বেশি কম হওয়ায় অর্ধেকেরও বেশি আসন খালি থাকবে। প্রায় ১৩ লাখ ৬১ হাজার আসন খালি থাকবে।
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উপলক্ষে আজ সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি–সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য জানান – ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আখতারুজ্জামান।
আজ সোমবার (১০ আগস্ট ২০২৬) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফলাফল প্রকাশ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী।
এদিকে বাসসের খবরে বলা হয়, শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কোনো পরীক্ষার্থী যদি ন্যায্য নম্বর থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকে কিংবা নম্বর প্রদানে কোনো ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়ে থাকে, তবে রিভিউ কমিটির মাধ্যমে তার সঠিক মূল্যায়ন করা হবে।’
ফল পুনর্নিরীক্ষণ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে ফল পুনর্নিরীক্ষণের ক্ষেত্রে শুধু নম্বর যোগ-বিয়োগের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হতো। তবে এবার আমরা আইনগত পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রতিটি শিক্ষার্থীর খাতা যথাযথভাবে পুনর্নিরীক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করেছি। যদি কোনো শিক্ষক মূল্যায়নকালে যথাযথ নম্বর না দিয়ে থাকেন বা অসাবধানতাবশত ত্রুটি হয়ে থাকে, তবে অভিজ্ঞ রিভিউ কমিটির সম্মুখে সেই খাতা পুনরায় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে রিভিউ করা হবে। পরীক্ষার্থীকে তার প্রাপ্য নম্বর বুঝিয়ে দেওয়া হবে।’
এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় শতভাগ ফেল করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০০১ থেকে ২০০৬ মেয়াদে যখন আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলাম এবং কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে পরীক্ষাকেন্দ্রে নকল নির্মূল করেছিলাম, তখনও প্রাথমিক অবস্থায় শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় চার থেকে পাঁচ গুণ বেড়ে গিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ধারাবাহিক ও কঠোর তদারকির মাধ্যমে সেই সংখ্যা আমরা সফলভাবে কমিয়ে এনেছিলাম এবং সামগ্রিক পাসের হার ২৮ শতাংশ থেকে ৭৭ শতাংশে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছিলাম। সেই অভিজ্ঞতা আমাদের রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজকে মাত্র ফল প্রকাশ হলো। শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে আমরা খুব শিগগিরই পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করব, আপনাদের সামনে তার ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হবে।’
এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হার ও জিপিএ–৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে দেশে শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। সকালে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে-
# ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৭১.৬৩%; জিপিএ–৫ পেয়েছে ৩৩২৫৩ জন
# রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার ৬৩.৬৭%; জিপিএ–৫ পেয়েছে ১৬১১৩ জন
# কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার ৬৫.৪২%; জিপিএ–৫ পেয়েছে ৯৮১৪ জন
# যশোর বোর্ডে পাসের হার ৬৬.২৭%; জিপিএ–৫ পেয়েছে ১১৪৭৮ জন
# চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ৫৯.৪৮%; জিপিএ–৫ পেয়েছে ৯৩৯৮ জন
# বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৬০.৩৫%; জিপিএ–৫ পেয়েছে ২৭৭৮ জন
# সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৫৮.৩৩%; জিপিএ–৫ পেয়েছে ৩৮৩৬ জন
# দিনাজপুর বোর্ডে পাসের হার ৫৮.০৫%; জিপিএ–৫ পেয়েছে ১৩৬৩৯ জন
# ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫৭.৩৯%; জিপিএ–৫ পেয়েছে ৫৭০০ জন।
ফলাফল দেখা যাবে যেভাবে
এসএসসি ও সমমনা পরীক্ষার ফলাফল দেখা যাবে শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত ওয়েবসাইট www.educationboardresults.gov.bd।
সেখানে পরীক্ষার নাম (এসএসসি), বোর্ডের নাম, রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং পরীক্ষার সাল (২০২৬) দিয়ে সাবমিট করলেই ফলাফল দেখা যাবে।
এ ছাড়াও এসএমএস-এর মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ফল জানতে মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে SSC লিখে তারপর স্পেস দিয়ে বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর, তারপর স্পেস দিয়ে রোল নম্বর ও তারপর পরীক্ষার সাল লিখে পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
উদাহরণ : SSC DHA ১২৩৪৫৬ ২০২৬ লিখে পাঠিয়ে দিতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
তখন ফিরতি মেসেজে ফলাফল জানিয়ে দেওয়া হবে।
মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের ফল জানতে হলে প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
প্রি-রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম হলো : Dakhil লিখে স্পেস দিয়ে MAD লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর ও সাল লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে।
উদাহরণ : Dakhil MAD ১২৩৪৫৬ ২০২৬। ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই প্রি-রেজিস্টার করা নম্বরে ফল পৌঁছে যাবে।
কারিগরি বোর্ডের ফল জানতে হলে টাইপ করতে হবে : SSC TEC রোল নম্বর ২০২৬ এবং পাঠাতে হবে ১৬২২২ নম্বরে।
শিক্ষার্থীরা চাইলে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে রোল এবং রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে নিজ নিজ ফলাফলসহ রেজাল্ট শিট ডাউনলোড করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ফলাফল দেখতে হলে বোর্ডের ওয়েবসাইটে গিয়ে EIIN নম্বর দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানভিত্তিক রেজাল্ট শিট ডাউনলোডও করা যাবে।
>>>>>>>>>>>>>>
How to prevent dengue
Dengue is a mosquito-borne viral fever. This fever is different from other viral or bacterial fevers. However, this fever is not contagious in any way. This viral fever can occur alone or in combination with other viruses (chikungunya, yellow fever, Burma forest, flu, respiratory syncytial) and bacteria (pneumococcus).
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
2. Dengue fever with bleeding.
In the case of common dengue fever, the following symptoms are mainly seen-
1. Sudden high fever lasting 2 to 7 days.
2. Severe headache.
3. Pain behind the eyes.
4. Along with the fever, red rash appears all over the body.
5. Severe pain in whole body as well as back pain.
6. Nausea or vomiting.
7. A rash or red bumps on the skin.
In case of dengue fever with bleeding:
1. Bleeding from nose, mouth or vomiting with high fever within 2 to 48 hours.
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
If any of these symptoms appear, seek medical attention immediately.
On the other hand
Wait at home for the first 3 days of fever. On the other hand, sponge the whole body with water every now and then. This will reduce the level of fever. Drink enough water and rest. After that, if the fever does not decrease or if it continues to increase after some time, consult a doctor immediately.
Things to do to prevent Dengue:
1. Try to keep the surroundings of the house as clean as possible.
2. If there are flower tubs or broken plastic bottles, can shells, tires or polythene inside the house, clean them quickly and drain the accumulated water from the flower tubs.
3. Spray or fog at least 3 times a week to kill mosquitoes.
4. You can keep mosquito repellent cream with you while going out.
5. After evening, younger and older members of the household should use mosquito nets.
6. Clean up any accumulated rain water, as this is the time when Aedes mosquitoes lay their eggs.
7. On the other hand, you can use mats along with mosquito nets to avoid mosquito infestation.
8. Since Aedes mosquitoes bite during the day, it is important to avoid sleeping with mosquito nets while sleeping during the day. Source: https://dmpnews.org