The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘মিথ্যার রাজা’!

সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই দাবি করা হয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসাবে দু’বছর পূর্ণ হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। ইতিমধ্যেই ট্রাম্পকে নিয়ে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হচ্ছে। এবার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘মিথ্যার রাজা’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে!

ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘মিথ্যার রাজা’! 1

সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ক্ষমতায় থাকার এই দু’বছরে ৮ হাজারের বেশি মিথ্যা, ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দৈনিক গড়ে তার মিথ্যা বলার সংখ্যা ছিলো ১১টিরও বেশি।

ক্ষমতায় আসার প্রথম বছরেই ডোনাল্ড ট্রাম্প দৈনিক গড়ে ৫টির বেশি মিথ্যা বলেছেন। দ্বিতীয় বছরে গিয়ে সেই মিথ্যা বলার হার বেড়ে দাঁড়ায় দৈনিক গড়ে ১৬টিরও বেশি! অর্থাৎ প্রথম বছরের প্রায় তিনগুণ হয়েছে!

ওয়াশিংটন পোস্টের ওই প্রতিবেদনের পর কেবলমাত্র যুক্তরাষ্ট্র নয়, গোটা বিশ্ব জুড়েই হইচই পড়ে যায়।

প্রতিবেদনের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিটি সন্দেহজনক বিবৃতি এবং মন্তব্যের ক্ষেত্রে ‘ফ্যাক্ট চেকার্স’-এর তথ্যভাণ্ডার উল্লেখ করে দেখানো হয়েছে যে, সেটি ভুয়া কিংবা মিথ্যা কিনা। এতে করে ফলাফল এসেছে ৮ হাজার ১৫৮টি। প্রথম বছরে সংখ্যাটা কম হলেও দ্বিতীয় বছরে এসে ডোনাল্ড ট্রাম্প ৬ হাজারের বেশি মিথ্যা কথা বলেছেন।

প্রেসিডেন্ট পদে বসার প্রথম একশো দিনে ডোনাল্ড ট্রাস্প কোনও তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই ৪৯২টি মন্তব্য করেছিলেন। চলতি বছরের প্রথম কয়েক সপ্তাহেই তা টপকে গিয়েছেন তিনি। সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন মধ্যবর্তী নির্বাচনের সময়। সেই সময় সংখ্যাটি পৌঁছায় ১২শ’।

রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলেছেন ও ভুল তথ্য দিয়েছেন অভিবাসন ইস্যু নিয়ে। তিনি মোট ১ হাজার ৪৩৩ টি মিথ্যা বলেছেন। দুই এবং তিন নম্বরে রয়েছে যথাক্রমে পররাষ্ট্র নীতি ও বাণিজ্য। এই দুই বিষয়ে তিনি যথাক্রমে মিথ্যা বলেছেন মোট ৯শ এবং ৮৫৪টি। ডোনাল্ড ট্রাম্প অর্থনীতি বিষয়ে মিথ্যা বা ভুল তথ্য দিয়েছেন ৭৯০টি এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ৭৫৫টি।

অপরদিকে ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত তদন্ত নিয়ে তার ভিত্তিহীন দাবি মাত্র ১৯২টি!

ওয়াশিংটন পোস্টের ব্যাখ্যা হলো, মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রথম একশো দিনেই মিথ্যা বলার নজিরের সঙ্গে তারা তাল মেলাতে পারছিলো না। তাই এই পরিকল্পনা শুরু করা হয়েছিল এই কারণে যে, যাতে তার মিথ্যা বলার হিসাব রাখা যায়। তবে এর ব্যতিক্রমও রয়েছে। দু’বছরে ৮২ দিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনও মিথ্যা বলেননি! এর কারণ হিসেবে জানা যায়, সেই কয়েকদিন তিনি গলফ খেলতেই ব্যস্ত ছিলেন!

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx