The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

সমুদ্রের নিচেই রয়েছে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের গুদাম!

মূলত বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখাই এই প্রয়াসের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সমুদ্রের নিচেই রয়েছে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের গুদাম! এমন কথা শুনে যে কেও আশ্চর্য হতেই পারেন। তবে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই।

সমুদ্রের নিচেই রয়েছে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের গুদাম! 1

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মোকাবিলায় কার্বন নির্গমন কমানোর নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে৷ এবার সমুদ্রের তলদেশেও কার্বন-ডাই-অক্সাইড মজুত রাখার সম্ভাবনার কথা ভাবছেন এবার বিজ্ঞানীরা৷ তার নানা ঝুঁকি নিয়ে পরীক্ষানিরীক্ষাও চালানো হচ্ছে৷

সমুদ্রের তলদেশের গভীরে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মতো গ্রিনহাউস গ্যাস মজুত করা কতোটা বিপজ্জনক হতে পারে? ইউরোপীয় গবেষকরা সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরেই৷ ইতালির এয়োলিয়ান দ্বীপপুঞ্জের উপকূলের নিকটে তারা ‘কার্বন ক্যাপচার অ্যান্ড স্টোরেজ’ বা যাকে বলা হয় সিসিএস-এর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা৷

মূলত বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী গ্রিনহাউস গ্যাসের পরিমাণ কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখাই এই প্রয়াসের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা৷ এই বিষয়ে সামুদ্রিক ভূতত্ত্ববিজ্ঞানী ক্লাউস ভালমান বলেন, ‘বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও অন্যান্য উৎস হতে বায়ুমণ্ডলে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের নির্গমন প্রতিরোধ করাই এর মূল লক্ষ্য৷ কারণ এর ফলে জলবায়ু পরিবর্তন তরান্বিত আরও হয়৷ তাই সেটি পৃথক করে মাটির নিচে মজুত করতে হবে৷ মাটির নিচে কিংবা সমুদ্রের তলদেশে সেটি রাখা যেতে পারে৷ ইউরোপের ক্ষেত্রে এমন অফশোর স্টোরেজ বেশি উপযুক্ত বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা৷

সমুদ্রের তলদেশে মজুত করা ওইসব কার্বন-ডাই-অক্সাইড লিক করে সমুদ্রে প্রবেশ করলে ঠিক কী ঘটে যেতে পারে, এয়োলিয়ান দ্বীপপুঞ্জের কাছে কর্মরত বিজ্ঞানীরা সেটি জানতে চাইছেন৷ অগ্নুৎপাতের কারণে সৃষ্ট এই দ্বীপমালার নিচে বিশাল পরিমাণ কার্বন-ডাই-অক্সাইড জমা রাখা হয়েছে৷ যে কারণে গবেষণার জন্য এই জায়গাটিকেই আদর্শ বলা যায়৷

সমুদ্রবিজ্ঞানী সিনসিয়া দে ভিটর বলেছেন, এখানকার জীবজগৎ দীর্ঘকাল ধরে এই পরিবেশের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে৷ এখানে কার্বন-ডাই-অক্সাইড প্রাকৃতিক কারণে বেরিয়ে যায়৷ যে কারণে অন্যান্য এলাকার তুলনায় এখানে পিএইচ-এর মাত্রা অনেক কম কম৷

গবেষকরা জানিয়েছেন যে, মূলত বুদবুদ শিকার এই গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ৷ গবেষকদের সমুদ্রের তলদেশ হতে নির্গত বুদবুদের অবিরাম স্রোতের আচরণ পর্যবেক্ষণ করতে হচ্ছে৷ দক্ষ ডুবুরি হওয়ার পাশাপাশি তাদের এই কাজের জন্য বিশেষ সরঞ্জামও তৈরির কাজও করতে হয়েছে৷

সমুদ্রবিজ্ঞানী লিসা ফিলস্টেটে বলেন, বুদবুদের আকার মাপতে আমরা এক বাবলবক্স তৈরি করেছি৷ আমরা পেছন থেকে আলো ফেলে বুদবুদ উজ্জ্বল করে তুলি৷ এর মাধ্যমে পরে কম্পিউটারে মাপজোক করতে সুবিধা হয়৷ আমাদের নিউমারিক মডেলগুলোর জন্য এই কাজ গুরুত্বপূর্ণ৷

কার্বন-ডাই-অক্সাইড দৃশ্যমান করে তোলার আরেকটি উপায় সামুদ্রিক পরিবেশে পিএইচ-এর মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা৷ তার নির্গমন পর্যবেক্ষণ করতে পারলে গবেষকরা এমন একটি মডেল তৈরি করতে পারবেন, যার সাহায্যে গ্যাসের নির্গমন এবং তা ছড়িয়ে পড়ার হারের পূর্বাভাষ দেওয়া সম্ভব হবে৷

এই বিষয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মারিউস ডেওয়ার বলেন, দ্রবীভূত সিওটু পিএইচ-এর মধ্যে পরিবর্তন আসে৷ বিভিন্ন ঋতুতে সেই পরিবর্তন এবং সেটি শনাক্ত করার সেরা জায়গাগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখছি আমরা৷

এই গবেষণা শেষ হতে আরও সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা৷ তবে বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস যে, সেই ফলাফল মানুষের কাজে লাগবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই৷

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx