The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

দাঁত বাঁকা তাই স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন এক ব্যক্তি!

ভারতীয় দণ্ডবিধি ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী যৌতুক এবং তিন তালাক আইনে মুস্তফার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমাদের এই সমাজে কতো রকম ঘটনা প্রতিদিন ঘটে যাচ্ছে তার কোনো শেষ নেই। যেমনটি ঘটেছে এবার আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে। সেখানে দাঁত বাঁকা হওয়ায় স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছেন এক ব্যক্তি!

দাঁত বাঁকা তাই স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন এক ব্যক্তি! 1

আমাদের এই সমাজে কতো রকম ঘটনা প্রতিদিন ঘটে যাচ্ছে তার কোনো শেষ নেই। যেমনটি ঘটেছে এবার আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে। সেখানে দাঁত বাঁকা হওয়ায় স্ত্রীকে তিন তালাক দিয়েছেন এক ব্যক্তি!

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, ভারতে ঘটে যাওয় ওই ঘটনাটি এমন- দাঁত আকাবাঁকা বলে এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন। এই ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের হায়দরাবাদে। পুলিশ বলেছে, এক নারী তার স্বামীর বিরুদ্ধে তিন তালাকের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

চলতি বছরের ২৭ জুন মুস্তফার সঙ্গে বিয়ে হয় রুকসানা বেগম নামে ওই ব্যক্তির। বিয়ের পর হতেই তার স্বামী এবং তার পরিবারের সদস্যরা রুকসানা বেগমকে যৌতুকের জন্য চাপ দিয়ে আসছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে যে, গত ৩১ অক্টোবরের ঘটনা। ভারতীয় দণ্ডবিধি ৪৯৮ ধারা অনুযায়ী যৌতুক এবং তিন তালাক আইনে মুস্তফার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এই মামলার বিষয়ে তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, আমরা রুকসানা বেগমের কাছ থেকে তার স্বামীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পেয়েছি। দাঁত আকাবাকা হওয়ার কারণে রুকসানার স্বামী তাকে তিন তালাক দিয়েছেন এবং তাকে অতিরিক্ত যৌতুকের জন্য নির্যাতনও করেছেন।

রুকসানা বেগম বলেছেন, আমাদের বিয়ের সময় মুস্তফা ও তার পরিবার যৌতুক হিসেবে অনেক কিছুই চেয়েছিল। আমার পরিবার তাদের সব দাবিই পূরণ করেছে। তবে আমাদের বিয়ের পর আমার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন আমাকে হেনস্তা করা শুরু করে এবং আমার বাড়ি থেকে আরও টাকা পয়সা ও গহনা আনতে চাপ দিতে থাকে। মুস্তফাকে বিয়ের সময় আমার ভাই তাকে একটি মোটরসাইকেলও দিয়েছে।

রুকসানা বেগম আরও বলেন, আমাকে তারা প্রায় প্রতিদিনই নির্যাতন করেছে। মুস্তফা সব সময় বলে যে, আমার আকাবাঁকা দাঁতের জন্য নাকি আমাকে তার একেবারেই ভালো লাগে না, তাই সে আমার সঙ্গে আর থাকতেও চায় না। অসুস্থ হলেই শ্বশুর বাড়ির লোকজন বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে বলে বলেও উল্লেখ করেন রুকসানা বেগম।

Loading...