The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনার উৎস নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললো

উহানের একটি প্রাণীবাজার থেকেই করোনা সংক্রমণ শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছেন গবেষকরা

In this Jan. 9, 2020, photo provided by the Anti-Poaching Special Squad, police look at items seized from store suspected of trafficking wildlife in Guangde city in central China's Anhui Province. The outbreak of a new virus linked to a wildlife market in central China is prompting renewed calls for enforcement of laws against the trade in and consumption of exotic species. (Anti-Poaching Special Squad via AP)

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস মহামারি শুরুর পর থেকেই বিশ্বজুড়ে খবরের শিরোনামে চীনের উহানের সেই মার্কেট। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনার উৎস নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললো।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনার উৎস নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললো 1

উহানের একটি প্রাণীবাজার থেকেই করোনা সংক্রমণ শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। এতোদিন পর এই বিষয়ে প্রথমবার মুখ খুললো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। শুক্রবার তারা জানিয়েছেন যে, করোনা সংক্রমণে উহান মার্কেটের ভূমিকা রয়েছে। তবে সেটি কী তা এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার খাদ্য নিরাপত্তা ও জুওনোটিক ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ড. পিটার বেন এমবারেক বলেছেন যে, সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষেত্রে উহান ওই মার্কেটের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে প্রকৃতপক্ষে কী ঘটেছিল, এটি ভাইরাসের উৎস ছিল বা বিস্তার ছড়াতে সাহায্য করেছে বা আশ্চর্যজনকভাবে সেখানে শুধুমাত্র কিছু সংক্রমণ ধরা পড়ে, তা এখনও আমরা পরিষ্কারভাবে জানি না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা এখনও স্পষ্ট বলা যাচ্ছে না যে, জীবজন্তুদের থেকেই ওই বাজারের ক্রেতা কিংবা বিক্রেতাদের শরীরে ভাইরাসটি ছড়িয়েছে।’

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বার বার অভিযোগ করে আসছে, চীন ল্যাবরেটরিতেই এই করোনা ভাইরাস তৈরি করেছে এবং তা ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে উহান মার্কেটে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এই বিষয়ে এতোদিন কিছুই বলেনি ডব্লিউএইচও। বরং তাদের চীন-ঘেঁষা অবস্থানের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে অনুদান বন্ধ করে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই নিয়ে সংস্থাটির ওপর ক্রমাগত চাপও বাড়ছিল। এর মধ্যেই জেনেভায় এক ব্রিফিংয়ে করোনার উৎস নিয়ে প্রথমবার মুখ খুললেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই কর্মকর্তা বেন এমবারেক।

তিনি জানিয়েছেন, ২০১২ সালে সৌদি আরব এবং মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া মার্স (মিডল ইস্ট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম) ভাইরাসের উৎস হিসেবে উটকে শনাক্ত করতে গবেষকদের এক বছর লেগে যায়। সেই হিসাবে নভেল করোনা ভাইরাসের উৎস শনাক্তে এখনও খুব বেশি দেরি হয়ে যায়নি।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...