The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

রাশিয়ার নদীর পানি লাল! কিন্ত কেনো?

তবে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কেনো এই নদী হঠাৎ লাল হয়ে গেছে?‌ কী এমন ঘটনা ঘটেছে?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ রাশিয়ার নরস্লিক নামের শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া দুটি নদীর পানি হঠাৎ করেই লাল হয়ে গেছে। যে কারণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

রাশিয়ার নদীর পানি লাল! কিন্ত কেনো? 1

তবে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে কেনো এই নদী হঠাৎ লাল হয়ে গেছে?‌ কী এমন ঘটনা ঘটেছে? এরকম অনেক প্রশ্ন দেখা দেয় মানুষের মনের মধ্যে। তবে‌ এক খবরে জানা গেছে, স্থানীয় একটি পাওয়ার প্ল্যান্ট হতে ২১ হাজার টন ডিজেল ছড়িয়ে পড়ে ওই নদী দুটিতে। এই কারণে নদীর পানির রং হঠাৎ এমন লাল হয়ে গেছে।

জানা গেছে, নরস্লিক শহরের একটি থার্মাল পাওয়ার স্টেশনে বিশালাকার একটি জ্বালানির ট্যাংকার ফেটে নাকি এমন ঘটনা ঘটেছে। এটি সুমেরু বৃত্তের ঠিক ১৮০ মিটার ওপরে অবস্থিত। খনন কাজের সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থা ডিজেল রেখেছিল বিরাট একটি ট্যাংকে। সেই ট্যাংকে হঠাৎ একটি গাড়ি এসে গিয়ে ধাক্কা মারে। তারপর সেখান থেকেই নাকি প্রবল বেগে তেল ছড়িয়ে পড়ে। তবে সেই খবর সংস্থার কাছে পৌঁছাতে অনেকটাই দেরি হয়ে যায়। ততোক্ষণে নদীতে ছড়িয়ে পড়েছে ডিজেল।

বেশিরভাগ ডিজেল মিশে যায় নদীর পানিতে। তাইমিরশকি দলগ্যানোর জেলার একটি রিসার্ভারেরও কিছুটা ডিজেল মিশে যায় এটির সঙ্গে। যে কারণে আম্বার্নোয়া এবং দাদিকান নদীতে মিশেছে বেশিরভাগ ডিজেল। যে কারণে ওই নদীর পানির রং লাল হয়ে যায়।

রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান পুতিনের কাছে এই খবর পৌঁছানোর পূর্বেই ১ লাখ বর্গ কিলোমিটার এলাকা তখন এই তেলে ঢেকে যায়। এ নিয়ে বুধবার স্থানীয় গভর্নরের সঙ্গে কথাও বলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সুমেরু অঞ্চলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের ধারণা, এই কারণে ওই অঞ্চলে দীর্ঘময়াদী ক্ষতি হতে পারে।

স্থানীয় গভর্নর বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তিনি এই খবর পেয়েছেন। দু’‌সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতি সামলানোর আশ্বাসের কথা জানিয়েছেন তিনি।প্রশাসন জানায়, এই সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

স্থানীয়দের মধ্যে কেও কেও বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে কোনও সংস্থার ট্যাঙ্ক লিকের যতো ঘটনা রয়েছে, তার মধ্যে এটি সবচেয়ে ভয়ানক ঘটনা। তারপরই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় ওই শহরটিতে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...