The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

মাত্র এক কেজি মশলার দাম ৩ লাখ টাকা!

এবার এমনই এক মশলার খোঁজ পাওয়া গেছে যে মশলা কিনতে ব্যাংক ব্যালেন্সের অনেকটাই শেষ হয়ে যাবে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা সবাই জানি খাবারের স্বাদ বাড়াতে নানা রকম মশলা ব্যবহার হয়ে থাকে। এসবের মধ্যে কিছু কিছু দামী মশলাও রয়েছে। তবে এবার জানা গেলো মাত্র এক কেজি মশলার দাম ৩ লাখ টাকা!

মাত্র এক কেজি মশলার দাম ৩ লাখ টাকা! 1

এবার এমনই এক মশলার খোঁজ পাওয়া গেছে যে মশলা কিনতে ব্যাংক ব্যালেন্সের অনেকটাই শেষ হয়ে যাবে, এরকম ঘটনা কেও আগে শুনেছেন কী? তবে এবার শুনুন, এমন এক মশলা রয়েছে যার এক কেজির দামই হলো আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা!

এই মশলা যে গাছ থেকে তৈরি হয় সেটিও বিশ্বের সবচেয়ে দামি একটি ফুলের গাছ। এই গাছ থেকে যে মশলা তৈরি হয় তার নাম কেশর। ভারত, স্পেন, জার্মানি, ইতালি, সুইজারল্যান্ডের মতো দেশে কেশরের ফলন করা হয়। ভারতে জম্মুর কিমসাতবার এলাকায় চাষ হচ্ছে এই কেশর ফুলের গাছটির। এছাড়াও কাশ্মীরের পম্পেওতে কেশরের চাষ হয়ে থাকে।

জানা গেছে, প্রায় দেড় লাখ ফুল হতে এক কেজি কেশর পাওয়া সম্ভব। তাই এই মশলার এতো দাম পড়ে। স্বর্ণের মতো চড়া দাম বলে এই কেশরকে ‘রেড গোল্ড’ বলা হয়।

মনে করা হচ্ছে যে, সুগন্ধের জন্য কেশর এতো দামী। কেশর ফুলের গন্ধ এতোটাই চড়া যে আশেপাশের এলাকা একেবারে সুগন্ধে ভরে যায়। প্রতিটি ফুল হতে বেশি হলে মাত্র ৩টি কেশর পাওয়া যায়। এই কারণেই দেড় লাখ ফুল হতে মাত্র এক কেজি কেশর পাওয়া যায়!

কথিত রয়েছে যে, ২৩০০ বছর পূর্বে গ্রিসে প্রথম কেশরের চাষ শুরু হয়। তবে অনেকেই বলেন যে, প্রথমবার কেশরের চাষ হয় স্পেনে। এখনও পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি কেশর পাওয়া যায় স্পেনেই।

এটি শুধু রান্নাতে নয়, আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরির কাজেও ব্যবহার হয় এই কেশর। রক্ত পরিশোধন হতে লো ব্লাড প্রেসারের রোগীদের চিকিৎসায় কেশর খুবই উপকারী বলে প্রমাণিত হয়েছে আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রে।

তাছাড়াও ধনাঢ্য কিছু কিছু দেশে পান মশলায় ব্যবহার হয়ে থাকে কেশর। কেনোনা খুব অল্প পরিমাণ কেশরই সুগন্ধ ছড়িয়ে দিতে সক্ষম। তবে এর দাম অনেক বেশি, তাই এর ব্যবহারিক প্রয়োগও খুবই অল্প হয়ে থাকে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...