The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

দোকানি ছাড়াই চলছে দোকানের বেচাকেনা!

সারি সারি আনারস সাজানো রয়েছে দোকানে। তবে সেই দোকানে দোকানি নেই। ঠিক এভাবেই চলছে মিজোরামের বেশ কয়েকটি দোকান

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিশ্বাস এমন একটি জিনিস যার দ্বারা অনেক কিছুই করা সম্ভব হয়। যেমন হয়েছে এই দোকানীর ক্ষেত্রে। একমাত্র বিশ্বাসের জোরেই দোকানি ছাড়াই চলছে দোকানের বেচাকেনা!

দোকানি ছাড়াই চলছে দোকানের বেচাকেনা! 1

সারি সারি আনারস সাজানো রয়েছে দোকানে। তবে সেই দোকানে দোকানি নেই। ঠিক এভাবেই চলছে মিজোরামের বেশ কয়েকটি দোকান। করোনা আতঙ্কে কারণেই যে এই পরিস্থিতি তা নয়। বহুদিন ধরে এভাবেই চলছে মিজোরামের বেশ কয়েকটি দোকান। সম্প্রতি এর একটি ছবি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।তারপর থেকেই সরগরম নেট দুনিয়া।

ভারতের মিজোরামের এই দোকানগুলি সেলিংয়ের হাইওয়ের ধারে অবস্থিত। দোকানে পসরা সাজিয়ে প্রতিদিন অন্যত্র চলে যান দোকানের মালিকরা। দোকানের মধ্যেই রাখা রয়েছে একটি ক্যাশ বাক্স। দোকান থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আপনাকে তুলে নিতে হবে। তারপর তার দাম রেখে দিতে হবে ওই ক্যাশ বাক্সে। বছরের পর বছর ধরে এই নিয়মই চলে আসছে দোকানগুলিতে। এটাই এখানকার ঐতিহ্য হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশ্বাসের উপরেই চলছে ব্যবসা। আজ পর্যন্ত খুব কমই হয়েছে যে কেও দাম না দিয়ে চলে গেছেন।

এমনই একটি দোকানের ছবি সম্প্রতি ‘মাই হেম ইন্ডিয়া’ নামে একটি প্রোফাইল হতে টুইটারে শেয়ার করা হয়। সেখানেই উঠে আসে মিজোরামের এই দোকানের খবর।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুব দ্রুত ছবিটি ছড়িয়ে পড়ে এই বিষয়টি। ভাইরাল হতেও খুব বেশি সময় নেয়নি। ছবিটি দেখার পরে সোশ্যাল সাইটে বিভিন্ন জন ভিন্ন ভিন্ন মতও দিয়েছেন। অনেকেই বলেছেন, বিশ্বাসের চেয়ে বড় কিছু এই পৃথিবীতে আর নেই, মিজোরামের এই দোকানগুলিই হলো তার প্রমাণ। কেও আবার বলেছেন, সুইজারল্যান্ড ও জার্মানির মতো দেশে এই ধরনের অনেক দোকান দেখা যায়। তবে ভারতেও যে এমন দোকান থাকতে পারে, তা আগে কখনও জানা যায়নি।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...