The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ঐতিহাসিক মাইসাহেবা জামে মসজিদ

আনুমানিক ২৫০ বছর পূর্বে নির্মিত এই মসজিদেটি বিভিন্ন সময় সংস্কার করা হয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২০ খৃস্টাব্দ, ১৯ আষাঢ় ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ জিলক্বদ ১৪৪১ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

ঐতিহাসিক মাইসাহেবা জামে মসজিদ 1

শেরপুর জেলা শহরে প্রবেশের পর সর্বপ্রথম ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি অত্র এলাকার একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদ।

আনুমানিক ২৫০ বছর পূর্বে নির্মিত এই মসজিদেটি বিভিন্ন সময় সংস্কার করা হয়। তবে তাতে ঐতিহ্যের ছাপ স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়। শেরপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র শেরপুর সরকারি কলেজের ঠিক দক্ষিণ পাশে অবস্থিত মাইসাহেবা মসজিদের দুইটি সুউচ্চ মিনার শহরের বিভিন্ন প্রান্ত হতেই দেখা যায়।

এই মাইসাহেবা জামে মসজিদের নামকরণ নিয়ে একটি গল্প প্রচলিত রয়েছে। তৎকালীন সময় শেরপুরের তিনআনি জমিদার মুক্তাগাছার জমিদারকে নাকি নিমন্ত্রণ জানান। মুক্তাগাছার জমিদার তার বদৌলতে শেরপুরের কিছু জায়গা চান। শেরপুরের জমিদার মসজিদের এই জায়গাটি মুক্তাগাছার জমিদারকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং হাতি দিয়ে সেখানে বিদ্যমান খাজনা তোলায় ব্যবহৃত ঘর ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশও দেন। তবে হাতিকে নিয়ে বার বার ঘরের কাছে যাওয়া মাত্রই হাতি সালাম দিয়ে বসে পড়ে। এই কথা শুনে তিনআনি জমিদার নিজে এসে দেখতে পান এই ঘরের ভিতর একজন নারী ইবাদতে মগ্ন রয়েছেন। জমিদার তাঁর ভুল বুঝতে পারেন ও ক্ষমা চেয়ে ফেরত যান। সেই নারীর নামই ছিল মাই সাহেবা। মাই সাহেবার মৃত্যুর পর জমিদার এখানে একটি মসজিদ নির্মাণ করে মাইসাহেবা জামে মসজিদ নামকরণ করেছিলেন।

৩ তলা বিশিষ্ট মাইসাহেবা জামে মসজিদ সম্পূর্ণটিই শীততাপ নিয়ন্ত্রিত। এই মসজিদে একত্রে প্রায় ৯ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। অন্যান্য সময় (এখন করোনার সময় ব্যতিত) প্রতি শুক্রবার শেরপুর শহর ছাড়াও আশেপাশের অঞ্চল হতে হাজার হাজার মুসল্লী এই মসজিদে নামাজ পড়তে আসেন। মাইসাহেবা জামে মসজিদ ময়মনসিংহ বিভাগের সবচেয়ে বেশি দান গ্রহণকারী মসজিদ হিসাবেও পরিচিত। মুসলমান ব্যতীত অন্য ধর্মাবলম্বীরাও এই মসজিদে নিয়মিতভাবে দান করে থাকেন।

তথ্যসূত্র: vromonguide.com

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...