The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

কুমিল্লায় ক্ষুদ্রতম কোরআন শরিফের প্রাচীন কপির সন্ধান পাওয়া গেছে!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এবার কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন শরীফের ক্ষুদ্রতম আকারের প্রাচীন কপির সন্ধান পাওয়া গেলো। এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন ক্ষুদ্র কোরআন শরীফ বলে দাবি করা হয়েছে।

কুমিল্লায় ক্ষুদ্রতম কোরআন শরিফের প্রাচীন কপির সন্ধান পাওয়া গেছে! 1

জানা গেছে, বংশ পরম্পরায় এই ক্ষুদ্র কোরআর শরীফটি সংরক্ষিত রয়েছে নগরীর তালপুকুর এলাকার বাসিন্দা জামিল আহমেদ খন্দকারের কাছে।

বাসসর এক খবরে এই তথ্য পাওয়া যায়। সন্ধান পাওয়া কোরআন শরীফটির দৈর্ঘ্য মাত্র দেড় ইঞ্চি আর প্রস্থ এক ইঞ্চি এবং পুরো এক ইঞ্চির চার ভাগের এক ভাগ। ছাপার অক্ষরের কোরআন শরীফটি খালি চোখে পড়া যাচ্ছে না। এটি পাওয়ারওয়ালাপ কাচের নিচে রেখে পড়া যায়। সেকালের জন্য এটি ক্ষুদ্র আকারের হলেও মুদ্রণ শিল্পের উন্নয়নের পরিপ্রেক্ষিতে বর্তমানে এর চেয়ে আরও ছোট আকারের কোরআন শরীফও পাওয়া যায়।

জামিল আহমেদ খন্দকার জানিয়েছেন, তার পূর্ব পুরুষরা ইয়েমেন হতে এদেশে এসেছিলেন। তাঁরাই কোরআন শরীফটি এনেছেন বলে ধারণা করছি। বংশ পরম্পরায় হাত বদল হয়ে তার হাতে এসেছে এই ক্ষুদ্র কোরআন শরীফটি। তার বয়স যখন ২১ বছর বয়স ঠিক তখন বাবা আবদুল মতিন খন্দকার মারা যান। তাই তিনি কোরআন শরীফটি সম্পর্কে জানতেও পারেননি। অনেক দিন এটা কোথায় ছিল তাও তিনি জানতেন না। সম্প্রতি আলমারিতে এটির খোঁজ পেয়েছেন।

ইতিহাস গবেষক আহসানুল কবির বলেছেন, কোরআন শরীফটি অন্তত ৩০০ বছরের আগের হতে পারে। এটি দেশের অন্যতম ক্ষুদ্র প্রাচীন কোরআন শরীফ বলেই ধারণা করছি। তবে হস্তবিদরা এটির বয়স সম্পর্কে ভালো ধারণা হয়তো দিতে পারবেন।

ইসলামী ইতিহাস গবেষক সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম এই সম্পর্কে বলেন, ‘বাংলাদেশে ক্ষুদ্র আকারের কোনো কোরআন শরীফ ছাপা বা লেখা হতো না। এগুলো বিদেশ থেকে এসেছে।’

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...