The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিস্কুটের স্বাদ পরীক্ষা করেই আয় অর্ধকোটি টাকা!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রতিদিন বিস্কুটও খাবেন, আবার মাসে-মাসে কাড়ি কাড়ি বেতনও পাবেন! এমন কী কখনও হতে পারে? হ্যাঁ এমনই ঘটেছে। স্কটল্যান্ডভিত্তিক বিস্কুট তৈরির প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি ‘বর্ডার বিস্কুটস’ এমনই এক চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়েছে!

বিস্কুটের স্বাদ পরীক্ষা করেই আয় অর্ধকোটি টাকা! 1

গত সপ্তাহে ওই প্রতিষ্ঠানটি তাদের বিস্কুটের স্বাদ পরীক্ষার জন্য কর্মী নিয়োগের এক বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। তার কাজই হবে উৎপাদিত বিস্কুট খেয়ে এর স্বাদ পরীক্ষা করা। সেজন্য তিনি আকর্ষণীয় বেতনও পাবেন।

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্ডার বিস্কুটের বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তাদের বিস্কুটের স্বাদ পরীক্ষার জন্যই কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। তার কাজই হবে উৎপাদিত বিস্কুটের স্বাদ পরীক্ষা করে দেখা। বছরে বেতন হিসেবে ওই কর্মী পাবেন প্রায় অর্ধকোটি টাকা (৪০ হাজার পাউন্ড)!

চাকরির ওই বিজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, এই নিয়োগ হবে পূর্ণকালীন। বছরে ৩৫ দিন তিনি ছুটিও ভোগ করতে পারবেন। কারখানায় উৎপাদিত বিস্কুট বাজারজাত করার আগে নিয়োগকৃত কর্মী বিস্কুটের স্বাদ পরীক্ষা করে তারপর জানাবেন। তার ‘ছাড়পত্র’ পেলে তবেই বিস্কুট যাবে দোকানে দোকানে।

মূল কাজ বিস্কুটের স্বাদ পরীক্ষার বিষয়টি হলেও নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীকে কিছু বাড়তি কাজও করতে হবে। সেগুলোও অবশ্য বিস্কুটের স্বাদ পরীক্ষার সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট। চাকরিপ্রত্যাশী কর্মীর কর্ম-বিবরণীতে বলা হয় যে, স্বাদ পরীক্ষা করতে পারে এমন ব্যক্তি যার বেকিংয়ের কারিগরি দিক সম্পর্কেও সূক্ষ্ম জ্ঞান রয়েছে এমন কাওকে নিয়োগ দেওয়া হবে। তাকে প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবনী সক্ষমতা ধরে রেখে গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ব্যবসায়ের স্থায়িত্ব বাড়াতে সহকর্মীদের সহযোগিতাও করতে হবে।

এই বিষয়ে বর্ডার বিস্কুটসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পল পার্কিনস সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, প্রতিদিনই নতুন স্বাদ তৈরি করা যাদের স্বপ্ন, তাদের স্বপ্ন পূরণে এটি একটি অভাবনীয় সুযোগ বলা যায়। অবশ্যই এর জন্য তাকে অর্থ প্রদান করা হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...