The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ঘুমের ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নিন

ইদানিং অনেকের ঘুমের খুব সমস্যা হয়ে থাকে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ঘুমের সমস্যা থাকে অনেকের। ঘুম কম হওয়ার কারণে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। তাই অনেকেই ঘুমের ওষুধ খেয়ে থাকেন। কিন্তু এটি প্রকৃত সমাধান নয়। ঘুমের ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আজ জেনে নিন।

ঘুমের ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জেনে নিন 1

ইদানিং অনেকের ঘুমের খুব সমস্যা হয়ে থাকে। তখন প্রতিরাতেই ঘুমাতে যাওয়ার আগে মনে হয় যেনো ঘুমাতে পারবে না। তবে আসলে ঘটেও ঠিক তাই। নির্ঘুম কয়েকটি রাত কাটিয়ে বেশ ক্লান্তি বোধ হয় শরীরে। এই নির্ঘুমের হাত থেকে রেহাই পেতে এক সময় ঘুমানোর জন্য একটি করে ঘুমের ওষুধ খেতে শুরু করে দেন অনেকেই। ধীরে ধীরে সেই ঘুমের ওষুধে আসক্তও হয়ে পড়েন অনেকেই। কারণ প্রথম দিকে ঘুমের ওষুধ খেয়ে ভালোই কাজ হয়। তবে পরে দেখা যায় যে, একটার জায়গায় দুটি করে লাগে, না হলে ঘুম হয় না। এভাবে এক সময় ৪টি বা তারও অধিক খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। অর্থাৎ শরীরে তখন সহজেই এটি কাজ করতে চাই না। বলা যায় এক নেশায় পরিণত হয়।

আমাদের চারপাশে এমন অনেকেরই প্রথমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ওষুধ সেবনের কারণে সে অভ্যেস আশক্তিতে রূপ নেয়। এটা হয় আমাদের অসচেতনতার কারণেই। দীর্ঘদিন ঘুমের ওষুধ সেবনের কারণে আমাদের শরীরে নানা ধরণের সমস্যা সৃষ্টি হয়।

কী কী সমস্যা হতে পারে:

# ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
# ফুসফুসের ক্রিয়া এক সময় দুর্বল হয়ে যায়।
# শ্বাস নিতেও এক সময় কষ্ট হয়।
# মানুষের বুদ্ধিমত্তা তখন লোপ পেতে থাকে।
# মাথা ঘোরা, মাথা ব্যাথা, শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটতে পারে।
# পেটে ব্যাথা, হজমের সমস্যাসহ খাদ্যে অরুচি দেখা দিতে পারে।
# হাত পা এবং বুক জ্বালা করতে পারে।

সম্প্রতি এক ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে যে, নিয়মিত ঘুমের ওষুধ সেবনের কারণে মানুষ দ্রুত মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়।

যদি কোনো কারণে ঘুমের ওষুধ সেবনের প্রয়োজন হয়, অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তবেই তা খেতে হবে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...