The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ১৩ নভেম্বর ২০২০ খৃস্টাব্দ, ২৯ কার্তিক ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ 1

যে মসজিদের দৃশ্যটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সেটি বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ। কালের স্বাক্ষী হয়ে স্বমহিমায় এখনও দাঁড়িয়ে রয়েছে এই মসজিদটি।

এই মসজিদটি দেখতে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক আসেন। তারা এই ঐতিহাসিক মসজিদের কারুকার্য দেখে মোহিত হন। এলাকার বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, এই মসজিদের প্রকৃত নাম ছিলো ছাদ গম্বুজ মসজিদ। কিন্তু কালক্রমে এই মসজিদের নাম হয়ে যায় ষাট গম্বুজ মসজিদ। যদিও এই মসজিদে গম্বুজ রয়েছে ৮১টি। তবে মসজিদের ভেতরে বিম রয়েছে ৬০টি।

মসজিদটির ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, মসজিদটির ফ্লোর আগের মতোই অর্থাৎ ইট দিয়ে পয়েন্টিং করা। বিশাল এই মসজিদের ভেতরে দেখা যায় দুটি কাতারে নামাজের জন্য জায়নামাজ বিছানো রয়েছে। দূর-দূরান্ত হতে মানুষরা যখন এই মসজিদটি দেখতে আসেন অনেকেই নামাজ আদায় করেন এই ঐতিহাসিক মসজিদটিতে। এই মসজিদটিতে প্রবেশ মূল্য রাখা হয়েছে ২০ টাকা। তবে ঢুকেই রয়েছে একটি জাদু ঘর। প্রতিদিন বহু পর্যটকের আবির্ভাব ঘটে এই ঐতিহাসিক মসজিদটিতে। মসজিদের ভেতরে মহিলাদের নামাজের জন্য কাপড় দিয়ে ঘিরে পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এক তথ্যে জানা যায়, মুদ্রা প্রমাণের উপর ভিত্তি করে পণ্ডিতগণ মনে করেন যে, খ্রিস্টীয় ষোল শতকের দিকে এই শহরটি খলিফাবাদ নামেই পরিচিত ছিলো। এই সমৃদ্ধ শহরটি অসংখ্য মসজিদ, ইমারতরাজি, জলাশয়, রাস্তা, সমাধি সৌধ দ্বারা পরিপূর্ণ ছিলো। যার অধিকাংশই আজ বিলুপ্ত। টিকে থাকা নিদর্শনসমূহের মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য মসজিদ হলো ষাটগম্বুজ মসজিদ। এই অঞ্চলে সিঙ্গাইর মসজিদ, বিবিবেগনী মসজিদসহ আরও মসজিদ বর্তমানে বিদ্যমান। সমগ্র মানবজাতির কাছে স্থাপত্যিক নিদর্শন হিসেবে এর বিশ্বজনীন গুরুত্ব থাকায় বাগেরহাটের পুরাকীর্তিসমূহ ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কোর বিশ্বঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে ষাটগম্বুজ মসজিদের গেটে প্রদত্ত তথ্যে।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...