The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

আপনার ব্যক্তিত্ব জেনে নিন জন্ম তারিখ অনুযায়ী

পদ্ধতিটি খুব সহজ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ জন্ম তারিখ অনুযায়ী রাশিফল দেখা হয়। এবার আপনার ব্যক্তিত্ব জেনে নিন জন্ম তারিখ অনুযায়ী।

আপনার এই যে জন্মদিন, সেটি কি শুধুমাত্রই কী একটি সংখ্যা? নাকি এরও রয়েছে কোনও রকম তাৎপর্য? রাশিতত্ত্বের নিউমারলজি বা সংখ্যাতত্ব মোতাবেক, আপনার ব্যক্তিত্বের ওপর এই জন্মদিনের রয়েছে অনেক বড় ধরনের প্রভাব। জন্মদিন ব্যবহার করে আপনার ব্যক্তিত্ব নির্ণয় করার রয়েছে চমৎকার একটি উপায়। এই প্রক্রিয়ায় আপনি নিজের জন্মদিন থেকে বের করে নিতে পারবেন একটি বিশেষ সংখ্যা যা আপনাকে বলে দেবে আপনার ব্যক্তিত্বের বিচিত্র নানা তথ্য।

পদ্ধতিটি খুব সহজ। আপনার জন্মদিন ১ তারিখ হলে আপনার জন্ম সংখ্যাও হবে ১। ধরে নেওয়া যাক আপনার জন্মদিন হলো ২৬ তারিখ। তাহলে (২+৬)= ৮ হবে আপনার জন্ম সংখ্যা। জন্মদিন যদি হয় ১০ তারিখ, তাহলে সংখ্যা হবে (১+০)=১ অর্থাৎ ১। একই কথা ২০ এবং ৩০ তারিখের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। এখন যদি জন্মদিন হয়ে থাকে ২৯ তারিখে তবে সংখ্যা হবে কতো? (২+৯)= ১১ হবে। তবে এই ১১ কে আবারও যোগ করতে হবে যতোক্ষণ না একটা সংখ্যা আসে অর্থাৎ (১+১)=২ হবে এর সংখ্যা। এখানে আরেকটা কথা রয়েছে। যার জন্মদিন ১১ বা ২২, তার সংখ্যাও হবে ১১ বা ২২, একে তখন যোগ করতে হবে না।

এবার দেখে নিন এই সংখ্যা অনুযায়ী আপনার ব্যক্তিত্ব কেমন হবে:

সংখ্যা যখন ১

এক প্রকৃতপক্ষে হলো নেতা বা পথ প্রদর্শক। শুধু তাই নয়, একা একাই পথ চলার ক্ষেত্রেও পারদর্শী। তিনি স্বাধীনভাবে জীবন কাটিয়ে দিতে পারবেন। জীবনের সব ক্ষেত্রেই প্রথম হবার উচ্চাকাঙ্খা দেখা যায় তার মধ্যে। সে কারণে আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা দেখা যায় তার মধ্যে। তবে এর পাশাপাশি কখনও কখনও অহংকার ও আত্মকেন্দ্রিক হতে দেখা যায় তাদের। প্রেমের ক্ষেত্রেও এরা কর্তৃত্বপরায়ন হয়ে থাকেন। তবে যথেষ্ট উত্তেজনা না থাকলেও ভালোবাসা তাদের কাছে একঘেয়ে মনে হয়ে থাকে।

সংখ্যা যখন ২

এরা হয়ে থাকেন মধ্যস্থতাকারী এবং শান্তিপ্রিয়। শান্তি এবং স্থিতি ভালোবাসেন তারা। তাদের চরিত্রে থাকে উষ্ণতা। তারা নিজেদের জীবনেও শান্তি পছন্দ করেন এবং হয়ে থাকেন কিছুটা স্পর্শকাতর। তবে তারা অন্যের ওপরে নির্ভরশীল হয়ে থাকেন। নিজের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য কখনো কখনো কূটচালের আশ্রয় নিয়ে থাকেন। প্রেমের ক্ষেত্রেও তারা পছন্দ করেন স্থিতিশীলতা। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য যা দরকার সবই করতে রাজি থাকেন তারা। এক্ষেত্রে জন্মতারিখ যেটাই হোক না কেন, অনেকটা কর্কট রাশির সাথে মিল রয়েছে তাদের।

সংখ্যা যখন ৩

মূলত এরা হয়ে থাকেন বেশ সামাজিক এবং আমুদে টাইপের মানুষ। দয়ালু ও ইতিবাচক মনোভাবের এসব মানুষ জীবনকে উপভোগের চেষ্টা করেন সব সময়ই। তাদের রসবোধও থাকে অনেক ভালো। তবে কখনও কখনও তারা হয়ে উঠতে পারেন এলোমেলো স্বভাবের, আবার হতে পারেন অতিরিক্ত বিলাসী। প্রেমের ক্ষেত্রে কিছুটা দুরত্ব বজায়ও রাখেন তারা, তাদের দরকার হয় একটু স্বাধীনতা। নয়তো তারা নিজেদেরকে বন্দী মনে করেন ও সেই সম্পর্ক ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করেন।

সংখ্যা যখন ৪

এরা মূলত হয়ে থাকেন পরিশ্রমী এবং এক কথায় কাজের মানুষ। অন্যকে সাহায্য করতেও তাদের জুড়ি নেই। বিশ্বস্ত মানুষ হয়ে থাকেন ৪ সংখ্যার মানুষগুলো। যুক্তি দিয়ে কাজ করে সমস্যা সমাধান করে থাকেন তারা। নিজেই নিজেকে শাসনে রাখতে পারেন এরা। তবে কখনও কখনও খুব বেশি গোঁয়ার হয়ে থাকেন এরা। প্রেমের ক্ষেত্রে তারা বিশ্বস্ত হয়ে থাকলেও কখনও কখনও খুব বেশি আবেগি ও হতাশ হয়ে পড়েন এরা।

সংখ্যা যখন ৫

যাদের সংখ্যা ৫, তাদের সবচাইতে বড় বৈশিষ্ট্যই হলো তারা স্বাধীনতা পছন্দ করেন। তারা হয়ে থাকেন অনেক বুদ্ধিমান, মাথায় যাদের সব সময় গিজগিজ করে আইডিয়া। যে কোনও পরিস্থিতিতে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতেও চেষ্টা করেন তারা। হয়ে থাকেন আমুদে ও নমনীয় প্রকৃতির মানুষ। প্রেমের ক্ষেত্রে অপর পক্ষ হতে যথেষ্ট সাড়া না পেলে এরা উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন।

সংখ্যা যখন ৬

অনেকটা ২ এর মতোই সংখ্যা ৬ এর মানুষ হয়ে থাকেন শান্তিপ্রিয়। পরিবারের প্রতি অনুগত থাকেন এরা। যাকে ভালোবাসেন তার জন্য নিজেকে উজাড় করে দিতে কার্পন্য করেন না কখনও। তবে তার প্রতি একটা অধিকার স্থাপন করে ফেলেন, এবং কখনও কখনও হয়ে ওঠেন ঈর্ষান্বিতও।

সংখ্যা যদি হয় ৭

৭ সংখ্যার মানুষগুলো খুব গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করে চলেন। জাগতিক বিষয়ে তেমন কোনো আকর্ষণ নেই এদের। সাধারণত সংখ্যা ৭ এর মানুষরা হয়ে থাকেন একেবারেই চুপচাপ। অন্যদের চাইতে ভিন্নধারার এসব মানুষরা কখনও কখনও হয়ে থাকেন বেশি রকম উদাস। অন্যরা তার হৃদয় ছুঁতে পারেন না শত চেষ্টা করেও।

সংখ্যা যদি হয় ৮

আপনি যদি ৮ নম্বর সংখ্যাধারী মানুষটি হয়ে থাকেন তাহলে আপনি সবরকম কাজে পারদর্শী। এদের ব্যক্তিত্ব শক্তিশালী ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী। সাফল্য অর্জন করতে ভালোবাসেন। সে কারণে তিনি হয়ে থাকেন কর্তৃত্বপরায়ন। তার কাজকর্মও হয় অনেক গোছানো টাইপের। তবে মাঝে মধ্যে তিনি জোর করে সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করেন যা হয়ে ওঠে অনেকটা দৃষ্টিকটু। প্রেমের ক্ষেত্রে এরা দায়িত্বশীল হলেও, ভালোবাসার সম্পর্ককে তারা প্রায়শই বিজনেস ডিল হিসেবে দেখে থাকেন। যে কারণে সম্পর্কের মাঝে রয়ে যায় একটা কৃত্রিমতার গন্ধ।

সংখ্যা যদি হয় ৯

আপনার সংখ্যা যদি হয়ে থাকে ৯ তাহলে আপনি শিক্ষকতা পেশার জন্যেই আদর্শ! কারণ হলো আপনার ধৈর্য রয়েছে অনেক, আপনি সহমর্মিতা দেখাতে পটু, অন্যকে সাহায্য করতেও আপনি অসাধারণ বলা যায়। তবে কখনও কখনও আপনি হয়ে পড়েন খুব বেশি আবেগী। টাকা-পয়সার হিসেব রাখতেও আপনার থাকতে পারে বেশ অনীহা। প্রেমের ক্ষেত্রে সাধারণত তারা হয়ে থাকেন শান্তশিষ্ট ও খুব মিষ্টি স্বভাবের।

সংখ্যা যদি হয় ১১

১১ সংখ্যার মানুষদের অন্যের উপকারে নিজেকে বিলিয়ে দিতে জুড়ি নেই। শুধু তাই নয়, আপনার মাঝে রয়েছে একটি প্রচ্ছন্ন সৃজনশীলতাও। অন্যদের সঙ্গে খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারেন আপনি। তবে মাঝে মধ্যে আপনাকে বেশি স্পর্শকাতর হতে দেখা যায়। প্রেমিক/প্রেমিকা হিসেবে এরা হয়ে থাকেন বেশ চমৎকার একজন মানুষ, কারণ সঙ্গীর চরিত্রের ভালো দিকটি তারা খুব সহজেই খুঁজে নিতে পারেন। এরা কখনই নিজের ভালোবাসার মানুষটিকে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে কোনো কিছু করতে বলবেন না।

সংখ্যা যদি হয় ২২

যাদের জন্ম সংখ্যা যদি হয় ২২, তাহলে আপনি হয়ে থাকেন সৃষ্টিশীল। এরা অনেক কিছু করার স্বপ্ন দেখেন বটে, তবে তাই বলে জাগতিক ব্যাপার ভুলে যান না এই সংখ্যার মানুষগুলো। এরা কিছুটা আদর্শবাদী মনোভাবের হয়ে থাকেন। তবে কখনও কখনও খুব বেশি আবেগপ্রবণ ও ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠতে দেখা যায় তাদেরকে।

তথ্যসূত্র: deshebideshe.com

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...