The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াবেন কীভাবে? জেনে নিন বিষয়টি

সকল শিশুর স্মৃতিশক্তিই সমান না। যাদের স্মৃতিশক্তি একটু দুর্বল, তাদের সেটি প্রখর করারও কিছু কৌশলও রয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের চিন্তার যেনো শেষ নেই। বিশেষ করে তাদের পড়ালেখায় অমনোযোগী হওয়ার বিষয়টি বেশি চিন্তায় ফেলে। আজ জেনে নিন কিভাবে শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে এই সমস্যার সমাধান করা যায়।

শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াবেন কীভাবে? জেনে নিন বিষয়টি 1

সকল শিশুর স্মৃতিশক্তিই সমান না। যাদের স্মৃতিশক্তি একটু দুর্বল, তাদের সেটি প্রখর করারও কিছু কৌশলও রয়েছে। আসুন জেনে নিই শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর করণীয় বিষয়গুলো আজ জেনে নেই।

# শিশুকে আপনি প্রশ্ন করতে শেখান। যাতে করে আপনার শিশুর মধ্যে কোনো কিছু জানার আগ্রহ সৃষ্টি হয়। শিশু যতো প্রশ্ন করবে, ততোই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করবে সে। যে কারণে শিশুর স্মৃতিশক্তি আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

# আপনার শিশু যা শিখছে, সেগুলো দিয়ে তাকে ছড়া, গান তৈরি করতে শেখাতে থাকুন। মানুষের মস্তিষ্ক মিউজিক এবং প্যাটার্ন মনে রাখতে পারে খুব দ্রুত। তাই মিউজিক কিংবা ছড়া দিয়ে শিশুকে কিছু শেখালে সে তাড়াতাড়ি সব কিছু মনে করতে সক্ষম হবে।

# আপনি শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াতে লাইব্রেরি এবং মিউজিয়ামে নিয়ে যান। তাকে কখনও এক জায়গায় বসিয়ে পড়াবেন না, বরং ঘুরতে ঘুরতে শেখানোর চেষ্টা করুন। লাইব্রেরিতে নিয়ে গিয়ে বইও দেখাতে পারেন। মিউজিয়াম কিংবা আর্ট গ্যালারিতেও নিয়ে যেতে পারেন। এতে করে শিশুর মেধা আরও বিকশিত হবে।

# বিভিন্ন বিষয়ে আপনাকে শিশুর সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। তারা কি ভাবছে তা আপনাকে জানতে চাইতে হবে। এভাবে তাদের চিন্তাধারার যেমন উন্নতি ঘটবে, ঠিক তেমনি স্মৃতিশক্তিও আরও বাড়বে।

# শিশুকে কিছু শেখানোর সময় আপনি ছবির ব্যবহার করুন। তা হলে শিশুর মনে রাখতে আরও সুবিধা হবে বা মনে রাখতে পারবে।

# বাবা-মা, বন্ধুবান্ধব এবং ভাইবোনের কাছ থেকে শিশু অনেক কিছুই শিখে থাকে, সে যা শিখছে সেগুলো সম্পর্কে আপনি জানতে চান। আপনাকে বোঝানোর মাধ্যমে শিশুর স্মৃতিশক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে।

# শরীরচর্চা, শরীর ও মন দুই-ই ভালো রাখতে সাহায্য করে। মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতেও সহায়তা করে। তাই শিশুকে শরীরচর্চা করানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন।।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...