The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অদ্ভুত সব নিয়ম

অদ্ভুত নিয়ম দেখে বিস্মিত ও বিব্রত বোধ হয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এমন কিছু নিয়ম রয়েছে যা শুনলে সত্যিই আশ্চর্য হতে হয়। এমন কিছু দেশের কথা রয়েছে আজকের এই প্রতিবেদনে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষরা তাদের ভিন্ন ধরনের কাজ ও রীতিনীতির জন্য অন্যদের থেকে বেশ খানিকটা আলাদা। এইসব দেশের অনেক কিছুই আমাদের কাছে একেবারেই স্বাভাবিক নয়। আমাদের কাছে যা অস্বাভাবিক সেগুলোই বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘটা করে পালন হয়ে থাকে। আমাদের দেশে যৌন বিষয়টিতে একটু রাকঢাক থাকলেও বিশ্বের অমন অনেক দেশ রয়েছে যেখানে এটি খুবই খোলামেলা একটি বিষয়!

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই বিষয়টি নিয়ে রয়েছে নানা রীতি ও প্রথা। আফ্রিকার এক দেশ রয়েছে যেখানে কুমারী মেয়েদের কখনই বিয়ে হয় না। বয়:সন্ধি শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের থাকতে হয় গ্রামের অন্য পুরুষদের সঙ্গে। তাদের কাছ থেকে শিখতে হয় যৌনজীবনের নানা খুঁটিনাটি! যে মেয়ে যতো বেশি পুরুষদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছে পাত্রী হিসেবে তার কদরই নাকি সবচেয়ে বেশি! সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো, মেয়েদের বাবা নিজেই গিয়ে পিতৃসম পুরুষের কাছে মেয়েকে দিয়ে আসেন!

কালাশ উপত্যকার নিয়ম

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত খাইবার পাখতুখোয়া প্রদেশে রয়েছে হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণী, এটিকে গ্রীকরা বলতেন ককেশাস ইণ্ডিকাস। সেই হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণীর দুর্গম এলাকায় বাস করে একটি স্বাধীনচেতা প্রাচীন শেতাঙ্গ জনজাতি। যাদের নাম হলো কালাশ। এদের চুলের রং সোনালি ও এদের চোখের মণি নীল। এই জাতির মানুষগুলোর সঙ্গে পাকিস্তানের মানুষদের চেহারা, ধর্ম, সংস্কৃতি, সমাজব্যবস্থা এবং খাদ্যাভাসের একেবারেই মিল নেই। কালাশদের দেখলে মনে হবে তারা যেনো ইউরোপের মানুষ। এই কালাশদের সমাজে একটি অদ্ভুত রীতিও রয়েছে। ছেলেদের বয়স ১৫ বছর হলেই গ্রীষ্মকালে ভেড়ার পাল দিয়ে ছেলেটিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় বরফ ঢাকা উচু পাহাড়ের উপর। পাহাড়ের গুহায় নিজেদেরকে আশ্রয় খুঁজে নিতে হয় কিশোরদের। খুঁজে নিতে হয় জলের উৎসও। তখন কেবলমাত্র ভেড়ার দুধ কিংবা ঝলসানো মাংস খেয়ে কিশোরটিকে বেঁচে থাকতে হয় মাসের পর মাস। একটি কিশোরের পক্ষে ওই দুঃসহ পরিবেশ এবং আবহাওয়ায় টিকে থাকা খুবই কঠিন একটি কাজ। শীতকাল আসার আগেই অবশিষ্ট ভেড়াগুলোকে নিয়ে গ্রামে ফিরে আসতে হয় কিশোরদের । কেও বেঁচে ফেরে, কেওবা আবার ফেরে না।

তবে যে কিশোর গ্রামে ফিরে আসে, তার সাবালকত্ব লাভ করাকে উদযাপন করার জন্য গ্রামে শুরু হয় বাদুলাক নামে এক উৎসব। এই উৎসবের শেষে গ্রামের যে কোনো বিবাহিত বা অবিবাহিত নারীর সঙ্গে যৌনমিলন করার সুযোগ দেওয়া হয় ওই কিশোরটিকে। গ্রামের নারীরাও যেনো মুখিয়ে থাকেন সদ্য সাবালক হওয়া কিশোরটির সঙ্গে যৌনমিলন করার জন্য। আর তখন পছন্দ করা নারীকে নিয়ে কিশোরকে চলে যেতে হয় গ্রামের বাইরে। সেখানে থাকা একটি বাড়িতে উদ্দাম যৌনমিলনে মেতে ওঠেন দুজন। যতোদিন কিশোরের খুশি ততোদিন সে চালাতে পারে তার প্রথম এই যৌন সম্পর্ক। যে কারণে প্রায় সারা শীতকালই উষ্ণতায় কাটায় সদ্য সাবালক হওয়া কিশোর। শীত কমলেই আবার ফিরে আসে গ্রামে।

ট্রোবায়ান্ড দ্বীপপুঞ্জ-এর নিয়ম

পাপুয়া নিউগিনি প্রশান্ত মহাসাগরে সাড়ে ৪শ’ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ট্রোবায়ান্ড দ্বীপমালা। পাপুয়া নিউগিনির অন্তর্গত এই দ্বীপগুলোতে বসবাস করে ট্রোবায়ান্ডার নামে একটি উপজাতি। কিলিভিলা ভাষায় কথা বলেন তারা। ঘন জঙ্গলের মাঝে বসবাস করেন এরা। উর্বর সমতল জমিতে চাষাবাদ করে থাকেন এরা। সেই ফসল ট্রোবায়ান্ডাররা বেচে থাকেন আশপাশের দ্বীপগুলোর মানুষকে। কুলা নামে এক ধরনের ঝিনুকের চকচকে খোলাই হলো এদের কাছে টাকা। এই কুলার বিনিময়েই চলে এদের বাণিজ্য কারবার। অত্যন্ত অল্প বয়সেই এই উপজাতির ছেলে-মেয়েরা প্রবেশ করে যৌনজীবনে। ছেলেরা ১০/১২ বছর আর মেয়েরা মাত্র ৫ বছর বয়সেই জড়িয়ে পড়ে শারীরিক সম্পর্কে। বয়স্কদের সামনে দিয়ে বালক-বালিকারা দল বেঁধে জঙ্গলে চলে যায় যৌনমিলন করতে! কেওই বাধা দেয় না তাদেরকে। সবচেয়ে অবাক করা তথ্য হলো, এইটুকু বয়সেই তারা তাদের ইচ্ছে মতো যৌনসঙ্গী নির্বাচন এবং পরিবর্তনও করতে পারেন। শুনলে অবাক লাগলেও এটিই সত্যি- এটিই সেখানকার কালচারে পরিণত হয়েছে। এই কাজের জন্য তাদের কোনো শাস্তিও পেতে হয় না। কারণ হলো ট্রোবায়ান্ডারদের সমাজ যৌনতাকে খাবার খাওয়ার মতোই স্বাভাবিক এবং বাধ্যতামূলক বলেই মনে করা হয়ে থাকে।

ইনিস বিয়েগ নামক স্থান

আয়ারল্যান্ডের সমুদ্রে ভাসছে ‘ইনিস বিয়েগ’ নামে ছোট্ট একটি দ্বীপ। ‘ইনিস বিয়েগ’ শব্দটির অর্থ হলো ছোট্ট দ্বীপ। এই দ্বীপে বাস করেন আইরিশ ভাষায় কথা বলা প্রায় সাড়ে ৩শ’ ক্যাথলিক খ্রিস্টান। কয়েক শতাব্দী ধরেই এরা আয়ারল্যান্ডের মূলস্রোত থেকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন সচেতনভাবেই। মূলত চাষাবাদ, পশুপালন ও সমুদ্রে মাছ ধরে জীবন কাটিয়ে দেন এরা। ইনিস বিয়েসে বসবাসকারী মানুষরা সারা পৃথিবীর মধ্যে কঠোরতম রক্ষণশীলতার মধ্যে বসবাস করেন। যৌনতাকে এখানে কঠোরভাবে দমন করা হয়ে থাকে। কারণ হলো যৌনতাকে ‘অশুভ’ বলেই মনে করা হয়। একমাত্র সন্তান উৎপাদনে প্রয়োজনেই যৌনমিলনে লিপ্ত হন স্বামী-স্ত্রী। স্ত্রীর গর্ভে সন্তান এসে গেলে চিরজীবনের জন্য যৌনতাকে বিসর্জন দেন ওই স্বামী-স্ত্রী। ইনিস বিয়েপ-এ হস্তমৈথুন, পায়ুকাম, মুখমৈথুন এবং সমকামিতা পুরোপুরি নিষিদ্ধ। বিয়ের আগের যৌনমিলনের কথা কেও ভাবতেও পারেন না। এমনকি প্রেমিক-প্রেমিকারা পরস্পরকে আদর বা চুম্বন করার কথাও কখনও ভাবতে পারেন না। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হলো বিবাহিত দম্পতিরা যৌনমিলনের সময়ও তারা সম্পূর্ণ নগ্ন হন না। গাঢ় অন্ধকারে ও পুরো পোশাক পরে, কেবলমাত্র যৌনাঙ্গ উন্মুক্ত রেখে যৌনমিলনে লিপ্ত হওয়াটাই ইনিস বিয়েপ দ্বীপের একটি রীতি।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...