The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

নাভানা এবার বাংলাদেশে নিয়ে এলো নতুন টয়োটা ‘করলা ক্রস’

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বাংলাদেশের বাজারে নাভানা লিমিটেড আনুষ্ঠানিক উন্মোচন করলো টয়োটার নতুন করোলা ক্রস ১.৮ লিটার হাইব্রিড সিরিজ।

নাভানা এবার বাংলাদেশে নিয়ে এলো নতুন টয়োটা ‘করলা ক্রস’ 1

ভার্চুয়াল প্লাটফর্মের মাধ্যমে সম্প্রতি নতুন মডেলের এই গাড়িটি উন্মোচন করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারির এমন এক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই নাভানা লিমিটেড অগমেন্টেড রিয়েলিটির মাধ্যমে একটি নতুন প্লাটফর্মে স্টাইলিশ ‘ক্রসভার’ মডেলটি উপস্থাপন করলো।

এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে টয়োটা টুশো এশিয়া প্যাসিফিকের জেনারেল ম্যানেজার ইয়াসুহিরো মিউরা সিঙ্গাপুর থেকে অনলাইনের মাধ্যমে যোগ দিয়ে টয়োটার নতুন ‘ক্রসওভার’ মডেলটি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। নাভানা লিমিটেডের অপারেটিভ ডিরেক্টর হামদুর রহমান সাইমন এবং টয়োটা টুশো কর্পোরেশনের চীফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ও জেনারেল ম্যানেজার ‘তোরু মোরি’ নতুন ক্রসওভার মডেলটির যৌথভাবে উন্মোচন করেন।

টয়োটার করোলা ক্রস, একটি আধুনিক স্টাইলিশ গাড়ি, যা টয়োটার গুণগত মান, স্থায়িত্ব ও নির্ভরযোগ্যতাকে “QDR” প্রযুক্তি, (Quality, Durability, Reliability) প্রকাশ করে থাকে। করোলার এই হাইব্রিড ক্রস মডেলটি টয়োটার টেকসই গতিশীলতার ভিশনকেই তুলে ধরে। হাইব্রিড টেকনোলজি ছাড়াও করোলার নতুন ক্রস মডেলটিতে আরও রয়েছে টয়োটার সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি “TNGA” বা টয়োটা নিউ গ্লোবাল আর্কিটেকচার টেকনোলজি।

নতুন টয়োটা ক্রসওভারের ডিজাইনে ফুটে উঠেছে নতুনত্ব এবং আকর্ষণীয়তা। এই গাড়িটি আভিজাত্য ফুটোনোর পাশাপাশি ব্যবহারকারীকে অসাধারণ একটি রাইডিং অভিজ্ঞতাও দেবে। সব মিলিয়ে করোলা ক্রস মডেলটি ব্যবহারকারীকে একটি ধারাবাহিক পারফর্মেন্স, একটি টেকশই গতিশীলতা, জ্বালানী সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব অভিজ্ঞতাও উপহার দেবে। করোলা ক্রসওভারের ভার্চুয়াল উন্মোচন অনুষ্ঠানটি বিপুল দর্শকের মনোযোগ আকর্ষণ করার পাশাপাশি মডেলটির বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরার মাধ্যমে বিমোহিত করা হয়। নতুন করোলা ক্রস এর গাড়ির বিস্তারিত তথ্যের জন্য https://www.facebook.com/Navana.Toyota/videos/3744262355668017/ লিংক ভিজিট করুন।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...