The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

১৫০ ভাইবোনের এক বিশাল পারিবারের গল্প!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ কানাডার অন্যতম পরিচিত বহুগামী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত উইনস্টোন ব্ল্যাকমোর নিয়ে বিশ্ব সংবাদ মাধ্যমগুলো মেতে আছে। এর কারণই হলো ২৭ জন স্ত্রীকে নিয়ে ১৫০ সন্তানের বিশাল এক পরিবার!

১৫০ ভাইবোনের এক বিশাল পারিবারের গল্প! 1

৬৪ বছরের এই উইনস্টোন ব্ল্যাকমোর স্ত্রীর সংখ্যা ২৭। আর তার ছেলে-মেয়ের সংখ্যা ১৫০! ওই পরিবারের সদস্য ১৯ বছরের মার্লিন ব্ল্যাকমোর সম্প্রতি নিজের এই বিশাল পরিবারের কথা শেয়ার করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাদের বাড়িতে কারও জন্মদিনে কীভাবে উৎসব হয়, বা এতো সংখ্যক ভাইবোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নজর কেড়েছে বিশ্ব নেটিজেনদের।

জানা যায়, কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার বাউন্টিফুলে তার বিশাল পরিবারের সঙ্গেই থাকেন মার্লিন। তিনি ছাড়াও তার ২ ভাই মুরারি ও ওয়ারেনও নিজেদের পরিবারের কথা শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। এতো জনের সঙ্গে থাকা যেমন মজার তেমনই অস্বস্তির বিষয়। ওই তিন ভাইয়ের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে উঠে এসেছে সেই বিষয়টি।

মার্লিন জানিয়েছেন যে, ১৫০ জন ভাইবোনের মধ্যে সব থেকে বড়জনের বয়স হলো ৪৪ বছর। আর সব থেকে ছোটজনের বয়স ১ বছর। প্রত্যেকেই তাদের গর্ভধারিণী মাকে ‘মাম’ বলেই ডাকেন। বাকি সৎ মায়েদের ডাকেন ‘মাদার’ বলে। আবার দুই ভিন্ন মায়ের সন্তান, তবে তাদের জন্ম হয়েছে একই দিনে- তাদের বাড়িতে এই রকম উদাহরণও রয়েছে। মার্লিন জানিয়েছেন, তাদের ভাইবোনেরা একই স্কুলেই পড়েন। সেই স্কুলের মালিক হলেন তারই বাবা উইনস্টোন। অস্বাভাবিক বড় পরিবারে নিজের ভাইবোনদের সামলাতে সামলাতে বাইরের কারও সঙ্গে তাদের ঠিক সেভাবে বন্ধুত্ব গড়়ে ওঠে না বলেও জানিয়েছেন মার্লিন।

১৫০ ভাই-বোন বাবা ও ২৭ জন মাকে নিয়ে বিশাল পরিবারের সদস্যরা কেওই পৃথক থাকেন না। সকলেই একই বাড়িতে বসবাস করেন। তাদের সেই বাড়ির নাম হলো মোটেল হাউস। এতোজনের জন্য বাজার থেকে জিনিস কেনাও কতোটা সমস্যার তাও তারা হাড়ে হাড়েই টের পান। সে জন্যই তাদের বাড়ির মধ্যেই করা হয় শাকসব্জির চাষ। তবে মার্লিন জানিয়েছেন তারা সুখী পরিবার।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...