The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ঘুম তাড়ানোর কয়েকটি কৌশল জেনে নিন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ পড়তে বসে ঘুম আসেনি এমন ব্যক্তি খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন। পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে পড়ায় পরীক্ষা খারাপের রেকর্ডও রয়েছে। তবে কেওই চান না এই বিরক্তিকর পরিস্থিতির স্বীকার হতে।

ঘুম তাড়ানোর কয়েকটি কৌশল জেনে নিন 1

আবার অনেকেই পরীক্ষার আগের সারারাত জেগে পড়াশোনা করেন। তবে পরীক্ষার আগের রাতে জেগে থাকতে নিজেকে কখনও জোর জবর দস্তি করা উচিৎ নয়। কারণ গভীর ঘুম কিংবা সাধারণ ঘুম আপনাকে পড়া মনে রাখতে সাহায্য করে। এটি আপনার পড়াগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী স্মৃতিতে পরিণত করে থাকে।

যদি আপনি একদমই জেগে থাকতে না পারেন, কিভাবে পড়ার সময় ঘুম আসা বন্ধ করবেন তা ভাবছেন, তাহলে এই প্রতিবেদনটি আপনার জন্যই। এখানে পড়াশোনার সময় কীভাবে ঘুম আসা বন্ধ করবেন তার কয়েকটি ব্যবহারিক পদ্ধতি আলোচনা করা হলো।

স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে

পড়াশোনার সময় নিজেকে ঘুমিয়ে পড়া থেকে বিরত রাখতে হলে, পুষ্টি ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার আপনাকে খেতে হবে। সেইসঙ্গে সালাদ, মসুর ডাল ও প্রচুর ফল এবং শাকসব্জি সমৃদ্ধ একটি সুষম ও স্বাস্থ্যকর খাদ্য তালিকা তৈরি করতে হবে। সাধারণত যে খাবারে মেদ বেশি থাকে তা আমাদের তন্দ্রাচ্ছন্ন ও অলস করে ফেলে। তবে চর্বিযুক্ত প্রোটিনগুলি শক্তির জন্য অত্যন্ত দুর্দান্ত। সেই সঙ্গে বাদাম এবং বীজের তৈরি একটি এনার্জি বারও খেতে পারেন।

আপনার প্রয়োজন ভালো ঘুম

পড়াশোনার সময় ঘুম আসার প্রধান কারণই হলো রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া। সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতি রাতেই অন্তত ৭ হতে ৮ ঘন্টা ঘুমানো বাধ্যতামূলক। অতিরিক্ত ঘুমাবেন না বা কখনও কমও ঘুমাবেন না এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন।

নিতে হবে পাওয়ার ন্যাপ

পড়তে পড়তে যখনই আপনার খুব ঘুম লেগে যাবে তখনই বিরতি দিন ও ২০ হতে ৩০ মিনিটের একটি পাওয়ার ন্যাপ নিয়ে নিন। পরীক্ষার সময় রাতে যদি প্রয়োজনীয় পরিমাণে ঘুম না হয় তাহরে আপনাকে দিনের মাঝামাঝি সময় একটু ঘুমিয়ে নিতে পারেন। এই ঘুম আপনাকে জেগে ওঠার পর পড়ায় আরও মনোযোগ দিতে সহায়তা করবে।

পানি পান করুন

পড়াশোনার সময় আপনি ঘুমিয়ে পড়ার আরেকটি কারণই হলো আপনি পর্যাপ্ত পানি পান করছেন না। একটি গবেষণার হিসাবে, ডিহাইড্রেশন আক্ষরিকভাবেই আপনার মস্তিষ্ককে সঙ্কুচিত করতে পারে! পড়ার সময় পর্যাপ্ত পানি পান না করলে আপনি মনোযোগও হারাতে পারেন। এটি মোকাবেলা করতে, আপনার পড়ার টেবিলে সবসময়ই ঠাণ্ড পানির একটি বোতল রাখুন ও সারা দিন একটু একটু করে পানিতে চুমুক দিন। প্রতিদিন ২ লিটার পানি পান করা উচিৎ।

টেবিল থেকে উঠে কিছুক্ষণ ঘোরাফেরা করুন

পাওয়ার ন্যাপ নেওয়া ছাড়াও পড়াশোনার সময় আপনি যদি ঘুম অনুভব করেন তাহলে কিছুক্ষণের জন্য হলেও হাটাহাটি করতে পারেন। বা আপনার প্রিয় গান ছেড়ে নাচতেও পারেন। বাইরে থেকে ১০ মিনিটের জন্য ঘুরেও আসতে পারেন। এমনকি আপনার ঘরে হেটে হেটে বইটি নিয়ে পড়াশোনাও করতে পারেন।

বিরতি দিয়ে পড়ালেখা করতে হবে

অনেকেই একটানা ৫/৬ ঘন্টা পড়ার কথা বলে থাকেন। তবে মনোযোগ না হারিয়ে এটি করা প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার। একটানা সর্বোচ্চ ২ ঘন্টার বেশি মোটেও পড়া উচিৎ নয়।

জোরে জোরে পড়ুন ও বেশি বেশি লিখুন

জোরে জোরে পড়া আপনাকে মনে মনে পড়ার চেয়েও আরও বেশি ব্যস্ত রাখতে পারে, যা আপনাকে পড়াশোনার সময় না ঘুমোতে সাহায্য করবে।

পড়ার বিষয়গুলি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পড়ুন

কখনও কখনও একই বিষয় খুব দীর্ঘ সময় পড়লে আপনার ঘুম আবার আসতে পারে। তাই পড়তে পড়তে ঘুম আসলে অন্য কোনো বিষয় পড়ুন কিংবা আপনার পছন্দের বিষয়ও পড়তে পারেন।

পড়ার সময় আরাম করা যাবে না

পড়াশোনার সময় ঘুমিয়ে যাওয়ার একটা বড় কারণই হলো খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করা। এক্ষেত্রে আপনার বিছানায় পড়াশোনা না করায় উচিৎ। আপনার পড়ার যায়গা ও ঘুমানোর যায়গা পৃথক রাখুন। যে কারণে আপনার মস্তিষ্ক দুটির মধ্যে পার্থক্য করতে পারবেন।

ঘন ঘন মুখ ধোওয়া
জেগে থাকার সর্বাধিক ব্যবহারিক একটি উপায় হচ্ছে যখনই ঘুম পাচ্ছে তখনই মুখ ধুয়ে নেওয়াটা ভালো। এটি অন্যতম পরীক্ষিত একটি পদ্ধতি এবং এটি সম্ভবত অভিভাবকরা সবচেয়ে বেশি করে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। যখনই আপনার চোখ ভারি লাগবে তখনই ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। আবার আপনি দাঁত ব্রাশও করতে পারেন।

তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...