The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সফল হবেন কীভাবে? জেনে নিন কয়েকটি উপায়

সবাই ছুটছে যে যার দিকে। সবার মনে একই প্রশ্ন, সোনার হরিণের দেখা মিলবে কবে?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সাফল্য সবার জীবনে আসে না। কিন্তু তাই বলে আপনি যদি মনের দিক দিয়েই হেরে যান তাহলে জীবনে আপনি কখনও বড় হতে পারবেন না। তাই সফল হওয়ার কয়েকটি ট্রিপস আজ জেনে নিন।

সবাই ছুটছে যে যার দিকে। সবার মনে একই প্রশ্ন, সোনার হরিণের দেখা মিলবে কবে? বা সোনার হরিণের সেই রেলগাড়িটা কী ধরতে পারবো কখনও? কেও কেও আবার সাফল্যের জন্য বছরের পর বছর চেষ্টা করে যান। আবার কেওবা সাফল্যের জন্য পরিশ্রম না করে একঘেয়ে জীবনের ঘানি টানতে থাকেন। সাফল্য বিষয়টিকে আকাশে ঘুড়ি ওড়ানোর সঙ্গে কখনও মেলানো যায় না। ঘুড়িকে যতো ওপরে ওড়ানোর চেষ্টা করবেন ততোই আপনাকে বাতাসের বিরুদ্ধে সূতায় টান দিতে হবে। বাতাসের সঙ্গে তাল মেলালেই তখন ঘুড়ি নিচে নামতে শুরু করবে। মার্কিন লেখক, বিনিয়োগকারী এবঙ উদ্যোক্তা জেমস অ্যালটুচ্যার কোরা ডাইজেস্টে তাঁর পোস্টে সফল হওয়ার কয়েকটি উপায় সম্পর্কে বলেছেন।

গুরুত্ব দিতে হবে স্বাস্থ্যকে

মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য দুটোই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বাস্থ্যের সঙ্গে আমাদের অভ্যাসগুলোও জড়িত। খুব সহজেই বদভ্যাসে জড়িয়ে পড়া সম্ভব, সুঅভ্যাসের জন্য অবশ্যই সময় দিতে হয়। আর সাফল্যের জন্য শরীরের যত্ন নিতে হবে, নিয়মিত ব্যায়ামও করতে হবে। বুদ্ধিবৃত্তিক বিষয়ে জোর দিতে হবে। সৃজনশীলতার বিকাশের দিকেও নজর দিতে হবে। নেতিবাচক মানুষ এবং পরিবেশ আপনাকে এড়িয়ে চলতে হবে।

সবকিছুই যেনো আজকের বিষয়

ভবিষ্যৎ বা অতীত বলে তেমন কিছুই নেই, বিষয়টি আসলেও আপেক্ষিক। সাফল্যের জন্য আপনাকে আজই কাজ করতে হবে। আজ যদি কাজ ভালো করেন তাহলে দারুণ একটি ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে আপনার জন্য। আজকের দিনটিতে আপনি যদি কোনো কাজই না করেন, তাহলে আগামীকাল বলবেন যে, আমার অতীতটা তেমন একটা ভালো কাটেনি। আপনি চেষ্টা করুন প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্ত নিজের জন্য কাজ করার জন্য। কাজের সঙ্গে সঙ্গে পরিবার এবং নিজের উন্নতির জন্যও ঘড়িতে সময় রাখার দিকেও খেয়াল রাখুন। প্রতিদিন ১ শতাংশ হলেও নিজেকে বদলে ফেলার চেষ্টা করুন।

অনেক পড়ার অভ্যাস করুন

আমরা মানুষ হিসেবে কিন্তু সবাই সবকিছু জানি না। জানার জন্য আমাদের বই পড়তে হবে। ফিকশন, নন-ফিকশন সব ধরনের বই আমাদের পড়তে হবে।

ভেবেচিন্তে হ্যাঁ-না বলুন

সফল ব্যক্তিরা সব সময় হ্যাঁ কিংবা না বলেন ভেবেচিন্তে। বুদ্ধিবৃত্তিক বা সৃজনশীল যে কোনো সুযোগ মিললেই হ্যাঁ বলুন। আনন্দ বা মনন বিকাশ হতে পারে এমন কাজকে সব সময়ই আপনি হ্যাঁ বলা শিখুন।

শিখুন ও সরলভাবে ভাবুন

আপনি সবকিছুকেই সাধারণভাবে ভাবতে শিখুন। শিশুরা সবকিছু সরলভাবে ভাবার চেষ্টা করে বলে তারা জীবনের সরলতাও খুঁজে পায়। তাদের মতো করে ভাবার চর্চাও করুন। নিয়মিত ধ্যান করার অভ্যাস করলে আপনার ভাবনাশক্তি এবং তাতে আপনার সৃজনশীল মনের জোরও বাড়বে।

জড়তা বনাম ভয়

আপনি সকলের সামনেই কথা বলতে ভয় পেয়ে থাকেন। আবার যা বলতে চান তা ঠিকমতো বলতেও পারেন না। সফল ব্যক্তিরা নিজের ভয়কে জয় করার জন্য সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। আপনি যে বিষয়ে বেশি ভয় পান, সেই বিষয়টিকে ভয় হিসেবে মনে করলে আজীবনই তা আপনার জন্যই জড়তা। আর তাই ভয় কাটিয়ে জড়তা এড়িয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে আপনাকে।

বহুমাত্রিক সাফল্যের জন্য চেষ্টা

মার্কিন ধনকুবের ওয়ারেন বাফেট তরুণদের কখনও এক জায়গায় বিনিয়োগ করতে পরামর্শ দেন না। তিনি অনেক স্থানে বিনিয়োগের পরামর্শ দেন, যেনো একটি বিনিয়োগে ব্যর্থ হলেও অন্যখানে সামনে এগোনোর সুযোগ থাকে। একটি বিষয়ে সাফল্য এলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অন্য বিষয়ে মনঃসংযোগ করতে হবে। আমেরিকায় মিলিয়নিয়ররা কমপক্ষে ৫টি ভিন্ন রকমের সূত্র হতে অর্থ আয় করে থাকেন। আপনি হয়তো কর্মজীবনে সাফল্যের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অথচ উচ্চশিক্ষার সুযোগ থাকলেও আপনি পড়ছেন না, বা আপনার লেখালেখির শখকে আপনি মাটি চাপা দিয়ে রেখেছেন। যারা সফল তাদের আমরা উদাহরণ হিসেবে দেখি তারা কিন্তু কখনই একটি বিষয়ের উপর আটকে থাকেননি।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...