The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক রণবিজয়পুর মসজিদ

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১ খৃস্টাব্দ, ৩ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩ রমজান ১৪৪২ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

বাগেরহাটের ঐতিহাসিক রণবিজয়পুর মসজিদ 1

যে মসজিদটি আপনারা দেখতে পাচ্ছেন সেটি বাগেরহাট জেলা হতে প্রায় ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে রণবিজয়পুর গ্রামের এক গম্বুজ বিশিষ্ট রণবিজয়পুর মসজিদ।

বাংলাদেশের এক গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ এই মসজিদটি স্থানীয়দের কাছে দরিয়া খাঁ’র মসজিদ হিসেবেও অধিক পরিচিত। ষাট গম্বুজ মসজিদ হতে মাত্র দেড় কিলোমিটার দূরে পূর্ব দিকে রণবিজয়পুর মসজিদটির অবস্থান। ধারণা করা হয় যে, ১৪৫৯ সালে হযরত খান জাহান আলীর আমলে হযরত খান জাহান আলীর সহচর দরিয়া খাঁ রণবিজয়পুর মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।

পুরু ইটের দেওয়াল বিশিষ্ট রণবিজয়পুর মসজিদের বাইরের দিকে আয়তন ৫৬ বর্গফুট এবং ভেতরের দিকের আয়তন ৩৬ বর্গফুট। মসজিদের প্রাচীর প্রায় ১০ ফুট চওড়া! এই মসজিদের পশ্চিম দিকে ৩টি মেহরাব ওবাকি ৩ দিকের দেওয়ালে ৩টি করে দরজা বিদ্যমান। ফুলের নকশাকৃত ৩টি মেহরাবের মধ্যে মাঝখানের প্রধান মেহরাবটি অপেক্ষাকৃত একটু বড়। বক্রাকার কার্নিশযুক্ত মসজিদের চারকোণায় খান জাহানী স্থাপত্যে নির্মিত গোলাকার ৪টি মিনারও রয়েছে।

রণবিজয়পুর মসজিদের একমাত্র গম্বুজটিও দেখতে আকর্ষণীয়। এছাড়াও মসজিদের দেওয়ালের পোড়ামাটির অলংকরণও বিশেষভাবে লক্ষণীয়। বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ১৯৬১ সালে রণবিজয়পুর মসজিদটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষণা দেয়।

তথ্যসূত্র: vromonguide.com

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...