The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম চঞ্চল পাখি হার্মিং বার্ড

হার্মিং বার্ড পাখি খুব দ্রুততম সময়ে সামনে, পিছনে, উপরে এবং নিচে উড়তে পারে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ পৃথিবীতে অনেক পাখি রয়েছে। তবে হার্মিং বার্ড হলো পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম চঞ্চল পাখি। এই পাখি যেখানে অবস্থান করে সেখানে যেনো এক চঞ্চলতা ছড়িয়ে পড়ে।

পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম চঞ্চল পাখি হার্মিং বার্ড 1

এই পাখিটি এখন খুব একটা দেখা যায় না। গত ডিসেম্বরে দেখা যায় লালমনিরহাটের আদিতমারী থানার মূল ফটকের পাশের বাগানে। সেখানে হাসনাহেনা ফুলের মনমুগ্ধকর মিষ্টি সুগন্ধে ক্যাম্পাস যেনো মৌ-মৌ করছিলো। এক বিকেলে ওসিসহ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার চোখ পড়ে ফুলের থোকার ওপর এই পাখিটির। সেখানে দেখা যায় এক জোড়া ছোট চঞ্চল পাখি উড়ে-উড়ে ফুলে ঠোঁট ডুকিয়ে মধু খাচ্ছে! পরে তারা জানতে পারেন এই পাখিগুলো শীতের দেশের পাখি হার্মিং বার্ড। এই পাখি পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম এবং বিরল পাখি।

জেলার আদিতমারী থানার মুল ফটকের বাগানের হাসনাহেনা গাছে পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম এবং বিরল পাখি হার্মিং বার্ড দেখতে পাওয়া গেছে।

জানা যায়, হামিং বার্ড বাংলাদেশের জঙ্গলে রয়েছে। পুরাতন ঝোপঝাড় এবং ফুলের বাগানে এরা মধু খেতে আসে। আমাদের দেশে পাখিটি তেমন একটা সচারচর দেখা যায়না। এটি মূলত বিরল প্রজাতির পাখি। করোনায় পরিবেশের দূষণ মুক্ত এবং কোলাহল মুক্ত পরিবেশ পাওয়ার কারণে তাদের জনসম্মুখে দেখা যেতে পারে। হার্মিং বার্ড পাখি পৃথিবীর সবথেকে ক্ষুদ্রতম পাখি। যেটি বাংলাদেশে বিরল প্রজাতির পাখি। হিমালয়ের পাদদেশ লালমনিরহাট এবং পাশের জেলা পঞ্চগড় অবস্থিত। শীতের সময় এই পাখি খাবারের সন্ধ্যানে হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে আসে। বাংলাদেশে প্রায় সাত শত প্রজাতির পাখি রয়েছে।

গুগলের আর্কাইভ সুত্রে জানা যায়, পৃথিবীর সব থেকে ক্ষুদ্রতম পাখির নাম হলো হার্মিং বার্ড। ক্ষুদ্রতম এই পাখি হার্মিং বার্ড উত্তর এবং দক্ষিণ আমেরিকায় দেখা যায়। ৩০০ অধিক প্রজাতি রয়েছে এই পাখির। সব থেকে ছোট আকৃতির হার্মিং বার্ড পাওয়া যায় কিউবাতে। এর দৈর্ঘ প্রায় আড়াই ইঞ্চির মতো, ওজন দুই গ্রামেরও নিচে! এরা বিরতিহীনভাবে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে সক্ষম। হার্মিং বার্ড পাখি প্রতি সেকেন্ডে ১২-৯০ বার ডানা ঝাপ্টাতে পারে।

এই হার্মিং বার্ড পাখি খুব দ্রুততম সময়ে সামনে, পিছনে, উপরে এবং নিচে উড়তে পারে। দেখে মনে হয় খাবার খেতেই এদের জম্ম হয়েছে। হার্মিং বার্ড পাখি বেশ শক্তিশালী পাখি। এদের ঠোঁট বেশ লম্বাকৃতির হয়ে থাকে। ফুলের মধুই হলো এদের প্রধান খাদ্য। ফুল হতে নিজের দুরুত্ব বজায় রেখে শুন্যে উড়ে উড়ে ফুলের মধূ লম্বা ঠোঁট ডুকিয়ে খেয়ে নেয় এই পাখি। একটি হার্মিং বার্ড পাখি দৈনিক ১ হাজার ৫০০ ফুলের মধু খেয়ে থাকে।

এই হার্মিং বার্ড পাখি বাংলাদেশে বিরল। দিনের অধিকাংশ সময় এরা ফুলের মধু খেয়েই কাটিয়ে দেয়। এদের পাখা ঝাপটানোর বৈশিষ্ট্য এদের শরীরে শক্তি যোগাতে খাদ্যের চাহিদা বাড়িয়ে দেয়। এই হার্মিং বার্ড পাখি সৌখিনভাবে বাসা বাড়িতে পোষা একে বারেই অসম্ভব একটি ব্যাপার। এরা বনে-জঙ্গলে থাকতেই পছন্দ করে। এই বিরল পাখিটি আমাদের প্রকৃতি হতে প্রায় বিলুপ্ত হতে চলেছে। এদের টিকিয়ে রাখা দরকার।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...