The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

বৃষ্টির পানি পান কী স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বর্তমান সময়টি বর্ষা মৌসুম। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, বৃষ্টির পানি পান করা কী আসলেও নিরাপদ? উত্তর হলো- সবসময় এটি নিরাপদ নয়। তাহলে কখন নিরাপদ? কখন নয়- সেটি নেওয়া যাক।

বৃষ্টির পানি পান কী স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ? 1

বৃষ্টির পানি অনিরাপদ যখন

বৃষ্টির পানি পরিষ্কার হলে পান করায় ভুল কিছু নেই। আসলে বিশ্বের অনেক সম্প্রদায় পানীয় জলের প্রাথমিক উৎস হিসেবে বৃষ্টির পানির ওপরই নির্ভর করতে হয়। তবে তাই বলে বৃষ্টির সব ধরনের পানি পান করা মোটেও উচিত না।

বৃষ্টি মাটিতে পড়ার পূর্বে তা বায়ুমণ্ডলের মধ্যদিয়ে আসে, তাই এটি বাতাসের যে কোনো দূষকও ধারণ করতে পারে। বায়ুমণ্ডলে ধুলোবালি ও অনেক ক্ষতিকর পদার্থ থাকে যেগুলো বৃষ্টির ফোঁটার সঙ্গে খুব সহজেই মিশে যেতে পারে। বায়ুদূষণ বেশি এমন এলাকার বৃষ্টির পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যে সব এলাকায় রাসায়নিক কারখানা রয়েছে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে এমন এলাকায় বৃষ্টির পানি পান না করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। একইভাবে গাছপালা কিংবা বাড়িঘর ছোঁয়া বৃষ্টির পানিও পান করা মোটেও উচিত নয়।

বৃষ্টির পানি শতভাগ পরিষ্কার- সেটি নিশ্চিত হলে তবেই পান করা যাবে। আবার অনেক সময় কলের পানির তুলনায় বৃষ্টির পানি কম দূষিত হতে পারে।

বৃষ্টির পানি যখন নিরাপদ

বৃষ্টির পানির গুণমান উন্নত করতে দুটি কাজ আপনারা করতে পারেন। বৃষ্টির পানি ফুটিয়ে নেওয়া কিংবা পানি ফিল্টার করেও পান করা যায়। পানি ফুটানো হলে প্যাথোজেনগুলো তখন ধ্বংস হয়ে যায়। ফিল্টারের কারণে ধূলিকণাসহ অন্যান্য দূষকগুলো দূর হয়ে যায়।

বৃষ্টির পানিতে স্বাস্থ্য উপকারিতা জানুন

এই বিষয়ে ইন্টারনেটে সার্চ করলে আপনি বেশ কিছু আর্টিকেলও পেয়ে যাবেন। যেখানে বৃষ্টির পানি পানের নানা স্বাস্থ্যগত উপকারিতাও দাবি করা হয়েছে। তবে এ জাতীয় বেশিরভাগ দাবির কোনো শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। বৃষ্টির পরিষ্কার পানি পান স্বাস্থ্যকর হলেও, অন্যান্য পরিষ্কার পানির উৎসের তুলনায় এটি স্বাস্থ্যের জন্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি উপকারী নয় বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx