The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

করোনা মোকাবিলায় চেস্ট ফিজিওথেরাপি করবেন যেভাবে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ করোনা মহামারির কারণে প্রতিষেধকের আকাল দেখা দিয়েছে। চরম বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে অক্সিজেন। ‘একটা অক্সিজেনের সিলিন্ডার জোগাড় করা রীতিমতো দুরুহ ব্যাপার। তাই আপনাকে যাতে এমন অবস্থায় পড়তে না হয়, সেজন্য বাড়িতেই করুন চেষ্ট ফিজিওথেরাপি।

করোনা মোকাবিলায় চেস্ট ফিজিওথেরাপি করবেন যেভাবে 1

একটি জিনিস মনে রাখবেন, শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার আগে থেকেই অক্সিজেন স্যাচুরেশন লেভেল কমতে শুরু করে। তাই আগে থেকেই যদি আপনি বিষয়টার দিকে নজর দিয়ে ফিজিওথেরাপি শুরু করেন তাহলে এই হাহাকারের মধ্যে হয়তো আপনাকে নাও পড়তে হতে পারে। মনে রাখতে হবে, এই সময় যখন আপনি বিপদে পড়বেন তখন প্যানিক করবেন না। এতে শ্বাসকষ্ট আরও বেড়ে যাবে।

কোভিড-১৯ রোগ এবং এর প্রতিরোধ সম্পর্কে আমাদের সবাইকে ধারণা রাখতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার পাশাপাশি সুষম খাবার, ফুসফুসের এক্সারসাইজ, অ্যারোবিক এক্সারসাইজ করার মাধ্যমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমানো যেতে পারে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের শ্বাসকষ্ট কমানোর জন্য বুকে জমে থাকা কফ বের করে তাদের সুস্থ করে তুলতে রেসপিরেটরি ফিজিওথেরাপিস্ট সাহায্য করছেন। এতে করে সুফলও পাওয়া যাচ্ছে।

প্রতিদিন সিঁড়ি বেয়ে ওঠানামাও হতে পারে চমৎকার এক্সারসাইজ। বয়স্ক রোগীরা (৫০-৮০ বছর) শারীরিক কাজকর্ম না করার কারণে রক্তে থাকা খারাপ হরমোন-কর্টিসল, পিএআই এর পরিমাণ বেড়ে গেলে রক্ত জমাট বাধার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। তখনই শুরু হয়ে যায় শ্বাসকষ্ট।

এক তথ্যে জানা যায়, অক্সিজেন সেচুরেশন রেট ৯২ কিংবা ৯৩ থাকলে প্রোন পজিশনে থেকে ব্রিদিং এক্সারসাইজ করতে হবে। এতে আপনার অক্সিজেন রেট স্বাভাবিক মাত্রায় চলে আসবে। পানি খেয়ে নিন সেই সময়।

করোনা মোকাবিলায় চেস্ট ফিজিওথেরাপি করবেন যেভাবে 2

ফ্যাটি লিভার একটি বড় সমস্যা। যাদের শরীরে অতিরিক্ত ফ্যাট বিদ্যমান তাদের পেটের চর্বির জন্য ফুসফুসের নিচের অংশের কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে। তাই পেটের এক্সারসাইজ, ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ, ব্রিদিং এক্সারসাইজ, অ্যারোবিক এক্সারসাইজ (হাঁটাহাঁটি, জগিং, সিঁড়িতে ওঠানামা ইত্যাদি করা), স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ, রেসিস্ট্যান্স এক্সারসাইজ (ডাম্বেল বা থেরাব্যান্ড দিয়েও) এটি করতে পারেন। যে কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা যাবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়বে।

এই সময় ব্রিদিং এক্সারসাইজ করার জন্য নাক দিয়ে শ্বাস নিয়ে সেটি ৫ সেকেন্ড ধরে রাখবেন ও মুখ দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস ছেড়ে দেবেন। এভাবে ৫ বার করার পর কাশি হবে। সেই সময় নিজের চেষ্টায় কফ কাশির মাধ্যমে তা বের করার চেষ্টা করবেন।

স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ, অ্যারোবিক এক্সারসাইজ, রেসিস্ট্যান্স এক্সারসাইজ ইত্যাদির মাধ্যমে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে ফুসফুস ও হার্টের মধ্যে রক্ত সঞ্চালন ভালো রাখাটাই জরুরি। আপনি নাক দিয়ে যে সময় ধরে শ্বাস নেবেন, মুখ দিয়ে তার চেয়েও বেশি সময় ধরে শ্বাস ছেড়ে দিতে হবে। এতে করে রোগীর ফুসফুসের আয়তনও বাড়বে, মানসিক প্রশান্তিও হবে। আবার রোগীও বেশ আরাম বোধ করবেন।

এইসব এক্সারসাইজের মাধ্যমে আপনি থাকবে পারেন সুস্থ।

তথ্যসূত্র: zeenews.india.com

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx