The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ব্রেকিং: ১৭ ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি রূপগঞ্জের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে একটি কার্টন ফ্যাক্টরিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দুই নারী শ্রমিকসহ ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে অগ্নিদগ্ধ হয়ে দুইজনের এবং ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আরেকজনের মৃত্যু ঘটেছে। ১৭ ঘণ্টাও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আগুন।

ব্রেকিং: ১৭ ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি রূপগঞ্জের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড 1

গতকালকে লাগা এই আগুন ফায়ার সার্ভিসের ১৭টি ইউনিট একযোগে চেষ্টা চালিয়েও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে এখানে কোনো দাহ্য পদার্থ রয়েছে। সে কারণে আগুন আজ (শুক্রবার) ভোর ৬টার দিকে মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আসার পর মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে আগুন আবার দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। এই ঘটনায় এ পর্যন্ত ৪ জন নিহত ও আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার ভুলতার কর্ণগোপ এলাকায় হাশেম ফুড বেভারেজ নামে একটি কোম্পানির কার্টন ফ্যাক্টরিতে এই আগুন আগুন লাগে। আগুন নিয়ন্ত্রণে যোগ দেয় ফায়ার সার্ভিসের ১৭টি ইউনিট।

অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহত দুই শ্রমিক হলো- হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ বুলডোবা গ্রামের যতি সরকারের স্ত্রী স্বপ্না রানী এবং উপজেলার গোলাকান্দাইল নতুন বাজার এলাকার হারুন মিয়ার স্ত্রী মিনা আক্তার। ইউএস-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাদের মৃত্যু ঘটে।

আরেক শ্রমিক মুরসালিন ভবনের তৃতীয় তলা হতে লাফিয়ে পড়ে আহত হন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রাত ১১টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। অপর জনের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। তবে বহু শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছে।

এদিকে আহতদেরকে স্থানীয় হাসপাতালসহ রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৩ জন এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ৩ জন ভর্তি রয়েছেন।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে জানিয়েছেন, ‘এটি ফুড বেভারেজ কারখানা। এখানে জুসসহ কোমল পানীয় তৈরি করা হতো। তবে কীভাবে আগুন লেগেছে তা এখনও জানা যায়নি।’

সর্বশেষ: এই খবর লেখা পর্যন্ত সেখানে প্রচণ্ড ধোয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে। ফায়ার সার্ভিস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর

অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...