The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

গোপন যাত্রার জন্য তৈরি করা হয়েছিলো প্রাচীন রেলপথ!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ গোপন যাত্রার জন্য প্রাচীনকালে এমন একটি রেলপথ তৈরি করা হয়েছিলো শুনলে সত্যিই অবাক লাগে! তবে ঘটনাটি কিন্তু সত্যি। এমন একটি রেলপথ বানানো হয়েছিলো প্রাচীন আমলে!

গোপন যাত্রার জন্য তৈরি করা হয়েছিলো প্রাচীন রেলপথ! 1

এক তথ্যে জানা যায়, আমেরিকায় ১৯০৯ সালের দিকে তৈরি করা হয় এই সুড়ঙ্গ রেলপথটি। যা ক্যাপিটল ভবনের সঙ্গে কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষ সেনেট অফিস এবং নিম্ন কক্ষ হাউস অফিসকে যুক্ত করতো। প্রায় ৩ হাজার ফুট লম্বা এই রেলপথটির নাম দেওয়া হয় ‘ক্যাপিটল সাবওয়ে সিস্টেম’।

মূলত বাধাহীন যাত্রা ও লকোচক্ষু এড়িয়ে যাত্রাই ছিলো এই সুরঙ্গ রেলপথ তৈরির মূল এবং একমাত্র উদ্দেশ্য। ওয়াশিংটনের অধিকাংশ মানুষের জানা ছিলো না এই গোপন রেলপথের কথা। মূলত ওই দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাই ব্যবহার করতেন এই রেলপথটি। যেমন দেশটির প্রেসিডেন্ট, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, জনপ্রিয় তারকারা ব্যবহার করতেন এই রেলপথটি। ওয়াশিংটনের ভূগর্ভস্থ বৈদ্যুতিক রেললাইনটি সবচেয়ে পছন্দের ছিলো সেই দেশের রাজনীতিবিদদের কাছেও।

তবে এই সুড়ঙ্গ রেলপথ নিয়ে রয়েছে অনেক রকম গল্পকথা। একবার ঘটেছিলো এক ঘটনা। ১৯১১ সালে আমেরিকার ২৭তম প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম হাওয়ার্ড ট্যাফ্ট হঠাৎ এক ঘণ্টার জন্য ওভাল অফিস হতে উধাও হয়ে যান। পরে তাকে দেখতে পাওয়া যায় এই সুড়ঙ্গ পথেই।

ওয়াশিংটন টাইমস এক তথ্যে বলেছে, ‘প্রেসিডেন্টকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এই খবরে ভয়ের একটা স্রোত পুরো শহর জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। যেনো দাবানল লেগেছে এমনভাবে অ্যালার্ম বাজছিল শহরের চারদিকে।’

গোপন যাত্রার জন্য তৈরি করা হয়েছিলো প্রাচীন রেলপথ! 2

আরেকটি ঘটনা ঘটেছিলো ১৯৪৭ সালে। সেই সময়ের সিনেটর এবং প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী জন ব্রিকারকে খুন করবার চেষ্টা করা হয়। উইলিয়াম কাইজার নামে জনৈক প্রাক্তন পুলিশ অফিসার গুলি করেছিলো তাঁর মাথা লক্ষ্য করে। তবে নিশানা ব্যর্থ হওয়ায় বেঁচে গিয়েছিলেন ব্রিকার! এমন অনেক জানা-অজানা রয়েছে এই গোপন রেলপথ ঘিরেই।

এছাড়াও বাচ্চাদেরও খুব পছন্দের ছিল এই রেলপথটি। তাই অনেক সময়ই সিনেটররা পরিবারের লোকদের নিয়ে এখানে আসতেন বেড়াতে।

উল্লেখ্য, আমেরিকার বহু নামজাদা প্রেসিডেন্ট ও ভাবী প্রেসিডেন্টদের ছবিও রয়েছে এই ট্রেনের ভিতরেই।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

Loading...