The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

কিছুতেই খাবার খেতে চায় না যেসব সন্তান তাদের কোন উপায়ে খিদে বাড়াবেন?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ খাবারের প্রতি সন্তানের অনীহা থাকলে অনেকেই বকাঝকা করেন। কেও আবার গল্পের ছলে খাবার খাওয়ানোর চেষ্টাও করেন সন্তানকে। তাহলে কোন উপায়ে খিদে বাড়াবেন?

কিছুতেই খাবার খেতে চায় না যেসব সন্তান তাদের কোন উপায়ে খিদে বাড়াবেন? 1

সন্তানরা ঠিক মতো খাবার না খেলে পুষ্টিতে ঘাটতি থেকে যেতেই পারে। স্কুলে যাওয়ার সময় বা রাতে খাবার খাওয়ার সময়, খাওয়ার টেবিলে তুলকালাম কাণ্ড বহু বাড়িতে প্রতিদিনের ঘটনা। কারণ কিছুই নয়, খাবারের প্রতি সন্তানের অনীহা দেখা দেওয়া। অনেকেই বকাঝকা করেন সন্তানকে, কেও আবার গল্পের ছলে খাবার খাওয়ানোর চেষ্টাও করেন সন্তানকে। তবে এই ঘটনা প্রতিদিন ঘটলে শিশুর পুষ্টিতে ঘাটতি থেকে যেতেই পারে। তাই বিষয়টির স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।

# দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার হলো সকালের নাস্তা। তাই সন্তানকে কোনও মতেই ছাড় দেওয়া যাবে না। যতোই বায়না করুক না কেনো, প্রতিদিন সকালে নিয়ম করে একটা নির্দিষ্ট সময় খাবার খাওয়ান সন্তানকে। সন্তান যদি দেখে যে, কোনও মতেই এটি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়, তখন বাধ্য হয়েই সকালের খাবার খেতে হবে নিয়ম করেই। অনেক সময় এক খাবার খেয়ে খেয়েও সন্তানদের অনীহা জন্মে যেতে পারে। একটু ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ভিন্ন রকম খাবার দিতে হবে।

# একবারে অনেকটা না খাইয়ে বার বার খাবার খাওয়াতে হবে। বার বার অল্প অল্প করে খেতে দিলে তাদের মধ্যে খিদেও তৈরি হবে, আবার পুষ্টির ঘাটতি হবে না। ২/৩ ঘণ্টা অন্তর কখনও ফল, কখনও স্যুপ, কখনও বা স্যান্ডউইচও খাওয়াতে পারেন।

# বাইরে বেরোলেই চিপ্‌স, চকোলেট বা ভাজাভুজি খাওয়ার বায়না করে বসে শিশুরা। ঝামেলা এড়াতে বা স্নেহের বশে অনেক অভিভাবকই সেই সব বায়না মেনেও নেন। সন্তানের হাতে তুলে দেন কেক-পেস্ট্রি-চিপ্‌সসহ নানা খাবার। এতে সন্তানদের খিদে আরও মরে যায়। আবার এসব খাবার থেকে পুষ্টিও মেলে না। এই ধরনের বায়নায় কখনও কান দেবেন না। বরং বৈচিত্র আনুন প্রতিদিনের খাবারে। দই বা দুধে ফলের কুচি মিশিয়ে দিতে পারে। ডিমসেদ্ধ দিলে একটু সস দিয়ে আঁকিবুকি কেটে পরিবেশন করতে হবে যাতে খাবারটি দেখতে সুন্দর লাগে।

# শিশুরা যেনো পর্যাপ্ত সময় পরিশ্রম করে। খেলাধুলো না করলে শরীরই তৈরি হয় না। তাই বিকেল হলেই খেলতে পাঠাতে হবে সন্তানকে। প্রতিদিন ঘাম ঝরাতে পারলে বিপাক হার ভালো থাকবে। এতে খিদেও বাড়ে। ঘরের মধ্যে ছুটোছুটি করলে কখনও বকাবকি করবেন না। দৌড়ঝাঁপ করা মোবাইল নিয়ে বসে থাকার থেকেও অনেক ভালো।

# এতোকিছুর পরেও যদি সন্তানের খিদে না বাড়ে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার। অনেক সময় শারীরিক সমস্যা থেকে খাবার খাওয়ায় অনীহা দেখা দিতে পারে। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা।

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে করণীয়

# সব সময় ঘরে থাকার চেষ্টা করি।
# জরুরি প্রয়োজনে বাইরে বের হলে নিয়মগুলো মানি, মাস্ক ব্যবহার করি।
# তিন লেয়ারের কাপড়ের মাস্ক ইচ্ছে করলে ধুয়েও ব্যবহার করতে পারি।
# বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর পোশাক ধুয়ে ফেলি। কিংবা না ঝেড়ে ঝুলিয়ে রাখি অন্তত চার ঘণ্টা।
# বাইরে থেকে এসেই আগে ভালো করে (অন্তত ২০ সেকেণ্ড ধরে) হাত সাবান বা লিকুইড দিয়ে ধুয়ে ফেলি।
# প্লাস্টিকের তৈরি পিপিই বা চোখ মুখ, মাথা একবার ব্যবহারের পর অবশ্যই ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে শুকিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে।
# কাপড়ের তৈরি পিপিই বা বর্ণিত নিয়মে পরিষ্কার করে পরি।
# চুল সম্পূর্ণ ঢাকে এমন মাথার ক্যাপ ব্যবহার করি।
# হাঁচি কাশি যাদের রয়েছে সরকার হতে প্রচারিত সব নিয়ম মেনে চলি। এছাড়াও খাওয়ার জিনিস, তালা চাবি, সুইচ ধরা, মাউস, রিমোট কন্ট্রোল, মোবাই, ঘড়ি, কম্পিউটার ডেক্স, টিভি ইত্যাদি ধরা ও বাথরুম ব্যবহারের আগে ও পরে নির্দেশিত মতে হাত ধুয়ে নিন। যাদের হাত শুকনো থাকে তারা হাত ধোয়ার পর Moisture ব্যবহার করি। সাবান বা হ্যান্ড লিকুইড ব্যবহার করা যেতে পারে। কেনোনা শুকনো হাতের Crackle (ফাটা অংশ) এর ফাঁকে এই ভাইরাসটি থেকে যেতে পারে। অতি ক্ষারযুক্ত সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার থেকে বিরত থাকাই ভালো।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx