The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

আইনস্টাইন নাকি মেরিলিন? কাকে দেখছেন এই ছবিতে?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ এই ছবি চোখের ক্ষমতার বিষয়ে খুব বিশদ জানাতে না পারলেও দূরের জিনিস দেখার ক্ষমতা সম্পর্কে একটা প্রাথমিক ধারণা দিতেই পারে। এই ছবিটি দেখে বলুন তো আইনস্টাইন নাকি মেরিলিন? কাকে দেখছেন এই ছবিতে?

আইনস্টাইন নাকি মেরিলিন? কাকে দেখছেন এই ছবিতে? 1

একই ছবিতে আপনি হলিউড অভিনেত্রী মেরিলিন মনোরোকেও দেখতে পারেন আবার দেখতে পারেন বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইনকেও। যে যাই দেখুন কোনওটিই ভুল নয়। শুধু আপনি কি দেখছেন, তা বলে দেবে আপনার চোখে চশমা ওঠার সময় হয়েছে কি-না।

বহু মানুষের উপর পরীক্ষা করে এই ছবির পরীক্ষাকে মান্যতা দিয়েছেন চক্ষু বিশেষজ্ঞরা। তারা দেখেছেন, এই ছবি চোখের ক্ষমতার ব্যাপারে খুব বিশদ জানাতে না পারলেও কিন্তু দূরের জিনিস দেখার ক্ষমতা সম্পর্কে একটা প্রাথমিক ধারণা দিতেই পারে।

যেমন- এই ছবিতে যদি আপনি চোখের সামনে বিজ্ঞানী আইনস্টাইনকে প্রথমেই দেখেন এবং চোখের কাছ থেকে দূরে নিয়ে গেলে ক্রমশ প্রকট হতে থাকে হলিউডের সোনালি চুলের লাস্যময়ী অভিনেত্রী মনোরোর ছবি। তবে আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন যে। আপনার চোখ ভালো রয়েছে। চশমার প্রয়োজন হচ্ছে না আপনার।

কিন্তু যদি প্রথম দেখাযতেই মনোরোকে দেখেন। ক্রমশ ছবিটি চোখের কাছে আনলে তবে স্পষ্ট হয় আইনস্টাইনের মুখ। তাহলে বুঝতে হবে যে, অবিলম্বে চোখের বিশেষজ্ঞকে দেখানোর প্রয়োজন রয়েছে। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইন।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
bn_BDBengali