The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

ধুলোধোঁয়ায় হাঁচি থামতে চায় না? অ্যালার্জিক রাইনিটিস নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কিভাবে?

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ অ্যালার্জিক রাইনাইটিস হতে ত্বকের অ্যালার্জিও হয়ে থাকে অনেকের। ত্বক শুষ্ক হয়ে তারপর ফেটে যাওয়া, চুলকানি বা খসখসে হয়ে যাওয়া, ফোস্কা পড়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়, যাকে ‘অ্যাটোপিক ডার্মাটাইটিস’ বলা হয়। এর থেকে বাঁচতে কী করবেন?

ধুলোধোঁয়ায় হাঁচি থামতে চায় না? অ্যালার্জিক রাইনিটিস নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কিভাবে? 1

অ্যালার্জির সঙ্গে কোনও ভাবেই আপস করা যায় না। যারা ভুক্তভোগী, তারা জানেন, আসলে কতোটা মারাত্মক হতে পারে অ্যালার্জি! ত্বকের উপর অ্যালার্জি হলে তা চিনে নেওয়া খুবই সহজ। তবে খাদ্যনালি, শ্বাসনালি কিংবা চোখের মতো স্পর্শকাতর স্থানে হলে তা মারাত্মক আকারও নিতে পারে। বিশেষ করে ‘অ্যালার্জিক রাইনাইটিস’ হলে অবস্থা গুরুতরও হতে পারে।

এই ধরনের সমস্যা সহজেই দূর হয় না। তবে একে নিয়্ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা যেতে পারে। সে জন্যই প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেতে পারেন কিছু বিশেষ পানীয়। কী সেইসব পানীয়?

শসা-পুদিনার শরবত

প্রথমে একটি মাঝারি মাপের শসা ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিতে হবে। এরপর এক মুঠো পুদিনা পাতা ধুয়ে রাখুন। মিক্সারে শসা এবং পুদিনা পানি দিয়ে ভালো করে পিষে নিন। এবার এই মিশ্রণ ছেঁকে নিয়ে তারপর পান করুন।

বিট-আপেলের স্মুদি

প্রথমে মাঝারি মাপের একটি বিট টুকরো করে কেটে নিন। একটি মাঝারি মাপের আপেলও ছোট ছোট টুকরো করে নিতে হবে। ব্লেন্ডারে ভালো করে পিষে নিয়ে ছেঁকে তার সঙ্গে অর্ধেক পাতিলেবুর রস মিশিয়ে নিতে হবে। এই পানীয় অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টেও ভরপুর। প্রতিদিন খেলে অ্যালার্জির সমস্যা কমবে, সেইসঙ্গে ত্বক ভালো থাকবে, হজমশক্তিও তখন বাড়বে।

অ্যাপল সাইডার ভিনেগার টনিক

এক চা চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার এক গ্লাস পানিতে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণে দারচিনির গুঁড়ো এবং মধু মিশিয়ে তারপর পান করতে হবে। খাওয়ার পর এই পানীয় খেলে হজমও হবে ভালো। তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইন।

>>>>>>>>>>>>>>

ডেঙ্গু প্রতিরোধ করবেন যেভাবে

মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।

লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর

২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।

সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-

১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।

২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।

৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।

৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।

৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।

৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।

৭. ত্বকে র‌্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।

রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :

১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।

২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।

এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

অপরদিকে

জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:

১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।

২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।

৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।

৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।

৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।

৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।

৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।

৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org

bn_BDBengali