দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ভারতের কলকাতায় অনুষ্ঠিত পঞ্চম ওয়ার্ল্ড ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশের দুটি চলচ্চিত্র।
পিপলু আর খান পরিচালিত ‘জয়া আর শারমিন’ পেলো সেরা পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের ‘বিমল রায় গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’। একই উৎসবে মকবুল চৌধুরী পরিচালিত প্রামাণ্যচিত্র ‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’ পেলো বিচারকদের বিশেষ স্বীকৃতি ‘জুরি মেনশন’।
ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজ অব ইন্ডিয়ার পূর্বাঞ্চল শাখার আয়োজনে কলকাতার নন্দন-৩ প্রেক্ষাগৃহে ৮ হতে ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয় এই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
‘জয়া আর শারমিন’–এর প্রযোজক আবু শাহেদ ইমন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই স্বীকৃতি ও উৎসবে চলচ্চিত্র সমালোচক, নির্মাতা এবং দর্শকদের উষ্ণ সাড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান। এই পুরস্কারকে সিনেমাটির সব শিল্পী এবং কলাকুশলীর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের জন্যও উৎসাহের একটি অর্জন হিসেবেই দেখছেন তিনি।
জানা গেছে, ৬ দিনের উৎসবে মোট ৩৮টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের প্রতিযোগিতা বিভাগে ছিল ১৯টি সিনেমা। উৎসবে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, ইরান, স্পেন, জার্মানি, কোস্টারিকা, ব্রাজিল, পর্তুগাল, ভেনেজুয়েলা এবং উজবেকিস্তানের চলচ্চিত্র অংশ গ্রহণ করে। ৩ সদস্যের বিচারক প্যানেলে ছিলেন অধ্যাপক উজ্জ্বল চক্রবর্তী, রীতা দত্ত এবং প্রদীপ কেনচানুরু।
পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে দ্বিতীয় সেরা সিনেমার ‘বিমল রায় সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে ভারতের অসমিয়া ভাষার চলচ্চিত্র ‘রিভার টেলস’। পঙ্কজ বরা সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন। এই বিভাগটিতে জুরি মেনশন পেয়েছে নাদিয়ে ওয়াসালামুদালিআরাচ্চি পরিচালিত শ্রীলঙ্কার চলচ্চিত্র ‘প্যানট্রাম’।
প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে সেরা সিনেমার ‘হরিসাধন দাশগুপ্ত গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে রণজিৎ রায় পরিচালিত ‘ডলস ডোন্ট ডাই: পুতুলনামা’। দ্বিতীয় সেরা প্রামাণ্যচিত্রের ‘হরিসাধন দাশগুপ্ত সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ জিতলো দীপ ভূঞা পরিচালিত ‘রিভার স্টিল ফ্লোজ’।
স্বল্পদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র বিভাগে সেরা সিনেমার ‘চিদানন্দ দাশগুপ্ত গোল্ডেন অ্যাওয়ার্ড’পেলো ড. ধৃতিশ্রী সরকার পরিচালিত ‘দ্য টেল অব কথা’। একই বিভাগে দ্বিতীয় সেরা সিনেমার ‘চিদানন্দ দাশগুপ্ত সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছে মোহাম্মদ সাজাদ মোতাহারিজাদেহ পরিচালিত ইরানি চলচ্চিত্র ‘সাডেনলি রাইজ’।
করোনা মহামারির সময়কার লকডাউনের পটভূমিতে নির্মিত ‘জয়া আর শারমিন’ বাংলা ভাষার ৮৬ মিনিটের একটি মনস্তাত্ত্বিক চলচ্চিত্র। অভিনেত্রী জয়া এবং তার গৃহকর্মী শারমিনের সম্পর্কের পরিবর্তনকে ঘিরেই সিনেমার গল্প। একই ছাদের নিচে আটকে থাকা দুই নারীর নিঃসঙ্গতা, পরস্পরের ওপর মানসিক নির্ভরতা ও তাদের সম্পর্কের মধ্যে থাকা শ্রেণি এবং ক্ষমতার ব্যবধান উঠে এসেছে সিনেমাতে।
এই চলচ্চিত্রে জয়া চরিত্রে অভিনয় করেন জয়া আহসান। মঞ্চাভিনেত্রী মহসিনা আক্তার রয়েছেন শারমিনের ভূমিকায়। সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন গল্প রাজ্য ফিল্মসের আবু শাহেদ ইমন।
>>>>>>>>>>>>>>
মশা বাহিত একপ্রকার ভাইরাস জ্বর হলো ডেঙ্গু। এই জ্বর অন্যান্য ভাইরাস কিংবা ব্যাকটেরিয়াজনিত জ্বর থেকে ভিন্ন। অবশ্য এই জ্বর কোনোভাবেই ছোঁয়াচে নয়। এই ভাইরাস জ্বর এককভাবে বা অন্যান্য ভাইরাস (চিকুনগুনিয়া, ইয়েলো ফিভার, বার্মা ফরেস্ট, ফ্লু, রেসপাইরেটরি সিনসাইটিয়াল) এবং ব্যাকটেরিয়া (নিউমোক্কাস)-এর সঙ্গেও হতে পারে।
লক্ষণ ও জ্বরের তীব্রতার ওপর নির্ভর করে ডেঙ্গুজ্বরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে-
১. সাধারণ ডেঙ্গুজ্বর।
২. রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বর।
সাধারণ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে চোখে পড়ে মূলত নিচের এই লক্ষণগুলো-
১. হঠাৎ করে তীব্র জ্বর ও তা ২ থেকে ৭ দিন স্থায়ী হওয়া।
২. তীব্র মাথাব্যথা হওয়া।
৩. চোখের পেছনের অংশে ব্যথা হওয়া।
৪. জ্বরের সঙ্গে সঙ্গে সারা শরীরে লালচে ফুসকুড়ি চোখে পড়া।
৫. সম্পূর্ণ শরীরে তীব্র ব্যথা ও সেইসঙ্গে কোমরে ব্যথা।
৬. বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
৭. ত্বকে র্যাশ বা লাল দানা দানা দেখা দেওয়া।
রক্তপাতসহ ডেঙ্গুজ্বরের ক্ষেত্রে :
১. ২ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তীব্র জ্বর সঙ্গে নাক, মুখ বা বমির সঙ্গে রক্ত যাওয়া।
২. জ্বরের পাশাপাশি বুকে বা পেটে পানি জমে যাওয়া।
এইসব লক্ষণের যে কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
অপরদিকে
জ্বরের প্রথম ৩ দিন বাড়িতে অপেক্ষা করুন। অপরদিকে সারা শরীর পানি দিয়ে স্পঞ্জ করুন কিছুক্ষণ পরপর। এতে করে জ্বরের মাত্রা কমে আসবে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান ও বিশ্রাম নিতে হবে। এরপরেও জ্বর না কমলে বা কিছু সময় পরপর বাড়তে থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় বিষয়:
১. বাড়ির আশপাশ যতোটা সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে চেষ্টা করুন।
২. ঘরের ভেতরে থাকা ফুলের টব বা ভাঙা প্লাস্টিকের বোতল, ডাবের খোসা, টায়ার অথবা পলিথিন থাকলে তা দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলুন ও ফুলের টব থেকে জমে থাকা পানি নিষ্কাশন করুন।
৩. মশা নিধনের জন্য সপ্তাহে অন্তত ৩ বার স্প্রে বা ফগিং করুন।
৪. বাড়ির বাইরে যাওয়ার সময় মশা নিধনে ব্যবহৃত ক্রিম সঙ্গে রাখতে পারেন।
৫. সন্ধ্যার পর বাড়ির ছোট থেকে বড় সদস্যরা মশারি ব্যবহার করুন।
৬. যেখানে-সেখানে জমে থাকা বৃষ্টির পানি পরিষ্কার করে ফেলুন, কারণ এতে এডিস মশা ডিম পেড়ে থাকে এই সময়।
৭. অপরদিকে মশার প্রকোপ থেকে বাঁচতে মশারির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন।
৮. এডিস মশা যেহেতু দিনের বেলা কামড়ায় তাই দিনের বেলায় ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমানোর দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সূত্র: https://dmpnews.org
This post was last modified on সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬ 11:40 am
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ এবং রুপার মজুতের সন্ধান…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রহস্যগুলোর অনেকটাই হয়তো আমাদের পায়ের নিচে নয়,…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খৃস্টাব্দ, ১ আশ্বিন ১৪৩৩…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সন্তানের সুশিক্ষা বলতে শুধু পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়াকে বোঝায় না।…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ মোহাম্মদ শাহরিয়ারকে সম্প্রতি নিজেদের মোবাইল এক্সপেরিয়েন্স (এমএক্স) বিজনেসের হেড অব…
দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ গ্রাহকদের আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতার সুযোগ দিতে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন ফুড…