The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

যাদের পরিচয় কোনদিন মিলবে না ॥ রাজধানীতে বছরে হাজারের বেশি বেওয়ারিশ লাশ দাফন হচ্ছে!

ঢাকা টাইমস্‌ রিপোর্ট ॥ মানুষ মাত্রই মরণশীল। একথাটি জ্বলন্ত সত্য। আর এই সত্যটি কেওই অর্থাৎ কোন ধর্মই অস্বীকারও করে না। তবে এই মানুষের মরণের একটি নিয়ম রয়েছে। যদিও মরণের কোন সময়-সীমা নেই। কে কখন মৃত্যু বরণ করবে সে কথাটিও কেও হলফ করে বলতে পারবে না। কিন্তু সেই মৃত্যুই যখন একেবারে অস্বাভাবিক হয় তখন প্রশ্ন সবার মনে দানা বেঁধে ওঠে। এমন অনেক মৃত্যুই ঘটছে আমাদের সমাজে যার কোন খোঁজ-খবর থাকে না। মৃত্যুর পরে হয়ে যায় বেওয়ারিশ। সংবাদপত্রে প্রকাশিত এসব ঘটনা নিয়েই তৈরি হয়েছে আজকের প্রতিবেদনটি।
যাদের পরিচয় কোনদিন মিলবে না ॥ রাজধানীতে বছরে হাজারের বেশি বেওয়ারিশ লাশ দাফন হচ্ছে! 1
জানা যায়, নিখোঁজ ব্যক্তির খোঁজে আত্মীয়স্বজনরা আইন-শৃংখলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের দ্বারে দ্বারে হন্যে হয়ে ঘুরে তার কোন হদিস পান না। অথচ প্রতিদিন গড়ে তিনটি মৃতদেহ (বেওয়ারিশ লাশ) দাফন করছে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম। তাদের হিসাব মতে, প্রতি বছর এ বেওয়ারিশ লাশ দাফনের সংখ্যা হাজারের বেশি। জীবিত অবস্থায় অভিভাবক থাকলেও অস্বাভাবিক মৃত্যুর শিকার বেশিরভাগ মানুষই হয়ে যান অভিভাবকহীন। আঞ্জুমান গলিত ও অর্ধগলিত নরনারীর বেওয়ারিশ লাশ সরকারি কবরস্থানে দাফন করে। গত বছরের জুলাই থেকে এ বছরের ১৭ মে পর্যন্ত ঢাকাতে এক হাজার ৮০ জনের বেওয়ারিশ লাশ দাফন করেছে আঞ্জুমান। এর আগের বছর একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি এক হাজার ৫৪ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ দাফন করে। বিভিন্ন হাসপাতালের মর্গ ও থানা পুলিশের কাছ থেকে প্রতিষ্ঠানটি এসব লাশ গ্রহণ করে বলে জানা গেছে।

জানা যায়, বিভিন্ন হাসপাতাল, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও পুলিশের দেয়া তথ্য অনুযায়ী অজ্ঞাত এসব নারীপুরুষের অধিকাংশ দুর্বৃত্তদের হাতে অপহরণের পর খুন হয়। লাশ পাওয়ার পর দীর্ঘদিন পার হলেও যখন স্বজনদের খোঁজ পাওয়া যায় না তখন লাশগুলো আঞ্জুমানকে দেয়া হয়। তারা লাশগুলো দাফনের ব্যবস্থা করে। আঞ্জুমানের উপ-পরিচালক (সার্ভিস) মোঃ সারোয়ার জাহান জানান, বেওয়ারিশ লাশগুলো যখন তারা হাতে পান, তখন সেগুলো বিকৃত, পচা ও গলিত থাকে। চেনার কোন অবস্থা থাকে না। পচা-গলিত লাশ গ্রহণ করে তারা ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী দাফনের ব্যবস্থা করেন। আঞ্জুমানের নির্বাহী পরিচালক কাজী আবুল কাশেম বলেন, এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে বেওয়ারিশ লাশ দাফনে আঞ্জুমান সেবা দিয়ে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির বাহক ও গাড়ি চালকরা বিভিন্ন হাসপাতাল ও পুলিশের কাছ থেকে বেওয়ারিশ লাশ সংগ্রহ করে থাকেন।

কয়েকটি নিখোঁজের ঘটনা

ডেমরার সারুলিয়ার ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম খান ৪ মে রাজধানীর মালিবাগ এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। এরপর তার স্ত্রী রহিমা আক্তার ইভা ডেমরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। স্বামীকে উদ্ধারে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ও র‌্যাবের কাছেও আবেদন করেন তিনি। হাসপাতাল, মর্গ, আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট সব স্থানেই ছবিসহ আবেদনপত্র দিয়েছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার কোন খোঁজ মেলেনি। খোরশেদ জীবিত না মৃত সেটাও তিনি জানেন না। ইভা জানান, তার স্বামী খোরশেদ ব্যবসায়িক প্রয়োজনে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য ৪ মে বিকাল ৩টার দিকে ডেমরার বাসা থেকে মহাখালীর উদ্দেশ্যে বের হন। ওইদিন রাত পৌনে ৯টার দিকে মোবাইল ফোনে খোরশেদ তাকে জানান, কাজ শেষে তিনি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় বাসায় ফিরছেন। তখন তার অবস্থান কোথায় জানতে চাইলে খোরশেদ জানান, ওই সময় তিনি মালিবাগে অটোরিকশাতে আছেন। আধা ঘণ্টা পর তার অবস্থান জানার জন্য আবার মোবাইলে ফোন করেন ইভা। কিন্তু তখন তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এরপর থেকে তার আর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। পুলিশ, র‌্যাব, হাসপাতালসহ বিভিন্নস্থানে ধরনা দিয়েও খোরশেদের কোন সন্ধান মিলছে না।

নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার কাপড় ব্যবসায়ী শামীম ১১ মে থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে তিনি স্থানীয় মুছাপুরের বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তার আর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ফতুল্লার বিভিন্ন গার্মেন্টস থেকে কাপড় নিয়ে তিনি ব্যবসা করতেন। (এ ঘটনাটি আমরা ইতিপূর্বেও ঢাকা টাইমস্‌ এ উল্লেখ করেছি) এ ব্যাপারে তার পিতা আলফাজ উদ্দিন নারায়ণগঞ্জ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। এখন পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাকে নিয়ে উৎকণ্ঠায় আছেন তার স্বজনরা। এভাবেই প্রায় প্রতিদিন কেও না কেও নিখোঁজ হচ্ছেন। স্বজনরা হারাচ্ছেন তাদের প্রিয়জনকে। অনেকের লাশ বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন হয়ে যাচ্ছে।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ বিষয়ে সোচ্চার

মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’-এর গণতান্ত্রিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতি বিষয়ক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রসফায়ারের নামে দেশে হত্যাকাণ্ডের পরিবর্তে বর্তমানে গুমের ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রাষ্ট্র এ ‘কৌশল’ বেছে নিয়েছে। একই সঙ্গে এ অপকৌশলটির সুযোগ নিচ্ছে সন্ত্রাসী ও দুর্বৃত্তরা। বেশিরভাগ হত্যাকাণ্ডের কোন ক্লু উদ্ধার করতে পারে না আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।

আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) ট্রেনিং ফিল্ড অফিসার শিরিন সুলতানা বলেন, প্রিয়জনের ভাগ্যে কি ঘটছে তা জানার অধিকার প্রতিটি পরিবারের রয়েছে। ধর্মীয়, আইনগত ও মনস্তাত্ত্বিক কারণেই মৃতদেহ শনাক্তকরণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে মৃতদেহ উদ্ধার ও শ্রদ্ধার সঙ্গে তার শেষকৃত্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের উৎকণ্ঠা ও শোক উপশমে সহায়তা করে।

এ যাবতকালের বেশ কয়েকটি আলোচিত নিখোঁজ ঘটনা

নিখোঁজ তালিকার কয়েকজন হলেন- বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও তার গাড়ি চালক আনসার আলী, সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এপিএস ফারুকের গাড়ি চালক আলী আজম, সিলেটের দুই যুবদল নেতা দিনার ও জুনেদ, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কমিশনার চৌধুরী আলম, আগারগাঁওয়ের বিএনপি নেতা নুর মোহাম্মদ ও তার জামাতা আবদুল মান্নান, যুবলীগ নেতা লিয়াকত হোসেন। অধিকার ও আইন সালিশ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী তিন বছরে কয়েক হাজার লোক নিখোঁজ হয়েছেন। জাতীয় পার্টির মাটিকাটা এলাকার নেতা এইচ এম দীপু নিঁেখাজ হন। অবশ্য পরে সাভার এলাকার একটি ইটভাটা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। অনেকের মতে, এর সংখ্যা আরও বেশি। কোথাও কোন লাশ পাওয়ার খবর পেলেই আত্মীয়স্বজনরা ছুটে যান সেখানে। কিন্তু শনাক্ত করতে না পেরে হতাশ হন।

মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টির জন্য দেশ-বিদেশের মানবাধিকার সংগঠনগুলো কাজ করে যাচ্ছে। কারণ প্রিয়জনের নিখোঁজ হওয়ার পর তার লাশটিও যদি আপনজন শেষবারের মতো দেখতে না পারেন, তাহলে তার চেয়ে হতভাগ্য আর কে আছে?

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx