The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

অস্থিতিশীল পরিস্থিতি: গণপরিবহনে উঠতে করণীয় জেনে নিন

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বর্তমান সময়ে দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ বড়ই বিপাকে পড়েছেন। ঘর থেকে বের হওয়া এখন এক অনিশ্চিত যাত্রার মতোই। তারপরও প্রয়োজনে বের হতে হলে পরিস্থিতি মোকাবেলা করে টিকে থাকতে আপনার করণীয় জেনে নিন।

Mass Transportation & Fire

বর্তমানে দেশে এমন এক পরিস্থিতি বিরাজ করছে যে, ঘর থেকে বের হওয়া এখন এক দুরুহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ ঘর থেকে বের না হলেও হবে না। তাহলে কি করবেন? সে বিষয়গুলো নিয়ে বিডিনিউজ ২৪ এর একটি প্রতিবেদনের তথ্য নিয়ে রচিত হয়েছে আজকের এই প্রতিবেদন।

প্রয়োজন না হলে ঘর থেকে বের হবেন না। নেহায়েত যদি আপনাকে জরুরি প্রয়োজনে বের হতেই হয় তাহলে গণপরিবহন এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। রিকশা কিংবা সাইকেল এই মুহূর্তে ভালো পরিবহন মাধ্যম। এতে আপনার চলাচল মোটামুটি নিরাপদ হবে। হরতাল বা অবরোধের কারণে রিকশা চলাচলের মধ্যে ছাড়া এর বাইরে আপাতত না যাওয়ায় ভালো।

Mass Transportation & Fire-2
কোমল পানীওর এই বোতলগুলো এখন মারোনাস্ত্রতে পরিণত হয়েছে!

যদি আপনাকে বাধ্য হয়ে গণ পরিবহনে উঠতেই হয়, তাহলে কোনো রকম তাড়াহুড়ো না করে স্থির হয়ে সতর্কতার সঙ্গে আপনাকে কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে। যেমন:

# ঢাকা শহরের অধিকাংশ বাসের জানালা ঠিকঠাক থাকে না। তাই আপনি যে বাসে উঠছেন সে বাসের সব জানালা রয়েছে কি-না দেখে নিন। পেট্রোল বোমাগুলো ছোড়া হচ্ছে বেশির ভাগ জানালা দিয়েই। তাই বাসে চড়ার সময় এই সতর্কতাটুকুই আপনার প্রাণ রক্ষার কারণ হতে পারে।

# বাসের জানালা অবশ্যই বন্ধ রাখুন। কিছু সহযাত্রীকে দেখবেন কিছুটা জানালা খুলে রাখার চেষ্টা করছে, বাতাসের জন্য। তবে তাকে বুঝিয়ে সতর্ক করুন। কেননা এই সামান্য পথ দিয়েও আগুন ভেতরে প্রবেশ করতে পারে।

# বাসে উঠে ভেতরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করুন। বাসের দরজার কাছাকাছি সিটগুলোকে এড়িয়ে বসার চেষ্টা করাটা এই মুহূর্তে জরুরি।

# রাজধানীর লোকাল বাসগুলোতে নারীদের জন্য যে আসনগুলো সংরক্ষণ করা থাকে- সেগুলোতে জানালার দিকে পিঠ দিয়ে বসতে হয়। যে কারণে সবচেয়ে বিপদজনক অবস্থায় থাকেন নারীরা। এই সময়ের নাজুক পরিস্থিতিতে তারা এই সিটগুলো এড়িয়ে চলতে পারেন। আর যদি নেহায়েত বসতেই হয় তাহলে জানালাগুলো অবশ্যই বন্ধ করে নিতে হবে। তাই রাস্তায় চলাচলকারী আপনার স্ত্রী বা কন্যা সন্তান বা বোনকে সাধারণ সতর্কতাগুলো ভালোভাবে বুঝিয়ে দিন।

# চলাচলকারী সময়টুকু অবশ্যই আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে। এই সময় গণ পরিবহনে চড়ে ফেসবুকিং, কানে হেডফোন দিয়ে গান শোনা বা অন্য মনস্ক হবেন না। বাসে থাকাকালীন সময়টা চারপাশে সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।

# গত এক মাসের হামলাগুলো পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ফাঁকা বা অতিরিক্ত ভীড়ের জায়গাগুলো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বাস এমন ধরনের স্থানে এলে সকতর্কতার মাত্রা বাড়িয়ে দিন।

যদি কখনও আক্রান্ত হয়ে পড়েন তখন কি করবেন:

যদি আক্রান্ত হয়ে পড়েন তাহলে কয়েকটি বিষয় আগেভাগেই জেনে রাখতে হবে আগুনের ত্রিভুজ সূত্রগুলো:
একটি আগুনের জন্য ৩টি বিষয়ের প্রয়োজন:

১. জ্বালানি
২. অক্সিজেন
৩. তাপ।

যখন কোনো স্থানে আগুন ধরে তখন একটি চেইন রিএ্যাকশনের মাধ্যমে এগুলোর যোগান তৈরি হয় ও পুড়ে শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটা চলতে থাকে। তাই আগুন নেভাতে গেলে ৩টির যেকোন একটির অনুপস্থিতি ঘটাতে হবে।

নিজে আক্রান্ত হলে যা করবেন:

আপনার শরীরের কোথাও আগুন লাগলে কোনো অবস্থাতেই দৌড়ানো যাবে না। কারণ দৌড়ানো শুরু করলে, আগুনে অক্সিজেন যুক্ত হবে, আগুনের মাত্রা আরও বেড়ে যাবে। যে কারণে খালি হাতে আগুনের সঙ্গে লড়াই করার সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে দুহাতে মুখ ঢেকে মাটিতে গড়াগড়ি খাওয়া। এভাবে কয়েকবার গড়িয়ে আপনি নিজেও নিজের আগুন নিভিয়ে ফেলতে পারবেন।

পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা হওয়ায় পানিতে ভাসে এবং পানিতেও অক্সিজেন থাকে। তাই পেট্রোলের আগুনে পানি দিলে আগুন নেভানো সম্ভব নাও হতে পারে। বরং তা আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই আক্রান্ত ব্যক্তির গায়ে পানি না ঢেলে মোটা কাপড় দিয়ে জড়িয়ে ধরতে হবে।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কন্ট্রোল রুমের নম্বর:

নম্বর দুটি এখনই আপনার মোবাইলে সেভ করে রাখুন। এ নাম্বার দুটি ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের কন্ট্রোল রুমের নম্বর। টিন্ডটি- ০২-৯৫৫৫ ৫৫৫ ও মোবাইল ০১৭৩০৩৩৬৬৯৯।

তবে আক্রান্ত হবার মুহূর্তে আপনার ফায়ার সার্ভিসের চেয়ে এ্যাম্বুলেন্স এর প্রয়োজন বেশি। নিচের লিঙ্কে ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসেরর তালিকা পাবেন। এই নম্বরগুলো প্রয়োজনীয় এলাকা অনুযায়ী কিছু নাম্বার মোবাইলে সেভ করে রাখুন। ঢাকার এ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের নম্বর পেতে এখানে ক্লিক করুন।

বিপদে পড়লে ঘাবড়াবেন না। নিজে সচেতন হোন এবং আপনার নিকবর্তী সকলকে সচেতন করে তুলুন। তবেই এমন ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে।

তুমি এটাও পছন্দ করতে পারো
Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx