The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

বৃষ্টি কখন-কেমন হবে জানায়- এমন এক ‘বর্ষার মন্দির’রের গল্প!

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা জানি একমাত্র আবহাওয়া অফিস জানায় কখন বা কবে বৃষ্টি হবে। কিন্তু তাই বলে কোনো মন্দির কখন, কবে বর্ষা বা বৃষ্টি হবে সেটি জানায় এমন কথা এবারই প্রথম শোনা গেলো।

Rain Temple

সংবাদ মাধ্যমের খবরে জানা যায়, ভারতের একটি মন্দির নাকি বর্ষার আগাম খবর জানাতে পারে। সেজন্য স্থানীয় মানুষ এই মন্দিরকে ডাকেন ‘বর্ষার মন্দির’ বলে!

বর্ষা কখন আসবে, বৃষ্টি কি ভালোমতো হবে, নাকি দায়সারা গোছের গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি হবে, নাকি আদৌ বৃষ্টি হবেই না- এসব বিষয়গুলো সাধারণত আবহাওয়া অফিসের মাধ্যমে আমরা জেনে থাকি। আবহাওয়া অফিস স্যাটেলাইটের ছবি এবং জলবায়ু বিশ্লেষণ করে দিয়ে থাকেন এই খবর। তবে এই কাজ কোনো মন্দির করে তা আমাদের আগে কখনও জানা ছিল না।

ভারতের কানপুরের গৌতমপুর এলাকার ভিতরগাঁও বেহাটায় ১০০ বছরেরও বেশি পুরোনো এক জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের বিশ্বাস রয়েছে যে, বর্ষার সব খবরাখবর, পূর্বাভাস- সবই নাকি এই মন্দির হতে জানা যায়! শুধু তাই নয়, এবছর যে ভারতে খরা হবে, তাও নাকি ভবিষ্যতবাণী শুনিয়েছিল এই মন্দির!

এসব ঘটনার কথা শুনে এই মন্দির দর্শনে যান গবেষকদের একটি দল। তাদের সঙ্গে ছিলেন বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানীও। সেখানে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা-বার্তা বলে তাঁরা বুঝতে পারেন, এই সমস্ত কিছুই মানুষের বিশ্বাসের কারণে। বিজ্ঞানের কোনও প্রভাব নেই এখানে।

মন্দিরের প্রধান পুরোহিত কে পি শুক্লা বলেছেন, ‘মন্দিরের নকশা অন্য সব মন্দিরের হতে একেবারেই আলাদা। মন্দিরটির একটি নিজস্ব শিল্প রয়েছে। এমন মন্দির এই রাজ্যে একটিও নেই। সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে তৈরি এই মন্দিরটি। এটি দেখতে অনেকটা স্তূপের মতো।’

জানা যায়, প্রতি বছর জুলাই মাসে এই মন্দিরে ভক্তদের প্রচুর সমাগম ঘটে। জন্মাষ্টমীর সময় মন্দির চত্বরে বিরাট মেলাও বসে। প্রধান পুরোহিত আরও বলেছেন, ‘এলাকার বেশিরভাগ মানুষই চাষাবাদ করে থাকেন। অনেকের নিজের জমি রয়েছে, আবার অনেকে দিনমজুরী করে জীবনযাপন করে। যে কারণে মন্দিরের চাষি-ভক্তদেরই ভিড়ই বেশি। মন্দিরের ছাদ হতে বড় বড় ফোঁটা আকারে ভক্তদের মাথায় জল পড়লেই নাকি তারা বুঝতে পারেন এবছর বর্ষা কতোটা হবে!’

এই ঘটনাটিকে অলৌকিক কিংবা বিশ্বাস যাই বলুন না কেনো, মন্দিরের এই পূর্বাভাসই চাষিদের মনোবলকে অনেকটা বাতলে দিয়ে থাকে, বললেন গ্রাম প্রধান অঞ্জু সিং। তবে তার আক্ষেপ হলো, মন্দিরটি রাজ্য প্রত্নতাত্ত্বিক দপ্তরের আওতায় পড়লেও কোনও রকম আর্থিক সাহায্য কিংবা সংরক্ষিত করার কোনো উদ্যোগ তারা নেন না।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx