অটিজম সম্পর্কে জানেন তো?

অটিজম হওয়ার পিছনে শিশুর জিনের কিছু প্রভাব রয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ বর্তমানে সারা বিশ্বে আলোচিত একটি ব্যাধির নাম অটিজম। বাংলাদেশেও অটিজম নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। অটিজম নিয়ে আজ দেওয়া হল গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য।

অটিজম কি?

অটিজম স্নায়ুজনিত এক ধরনের সমস্যা যার কারণে শিশুদের শেখা ও মনোভাব প্রকাশের ক্ষমতা স্বাভাবিকভাবে বিকশিত হতে পারে না। মানসিক বিকাশ ঠিকমতো না হওয়ায় অটিজমে আক্রান্ত ব্যক্তিরা স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারে না।

অটিজমের সঠিক কারণ এখনো পর্যন্ত গবেষকরা চিহ্নিত করতে পারেননি। তবে ধারণা করা হয় অটিজম হওয়ার পিছনে শিশুর জিনের কিছু প্রভাব রয়েছে।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে একজন নারী কিছু নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থের সংস্পর্শে আসার কারণে তার গর্ভের শিশুর জন্মগত ত্রুটি দেখা দিতে পারে। তবে গর্ভে থাকা অবস্থায় একটি শিশু ভবিষ্যতে অটিজমে আক্রান্ত হবে কিনা তা চিকিৎসকদের পক্ষে নির্ণয় করা সম্ভব নয়।

অটিজম প্রতিরোধ করার কোনো নির্দিষ্ট উপায় না থাকলেও সন্তান প্রত্যাশী মায়েরা কিছু বিষয় অনুসরণ করে শিশুর অটিজম হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমাতে পারেন। তেমনই কিছু বিষয় উল্লেখ করা হল:

স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন

গর্ভধারণের পর ডাক্তারের দেওয়া সব পরামর্শ মেনে চলতে হবে গর্ভবতী মায়েদের। নিয়মিত চেক-আপ করা, সুষম আহার গ্রহণ এবং হালকা ব্যায়াম( ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী) এই সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন গ্রহণ করতে হবে নিয়মিত।

পরামর্শ নিয়ে ঔষধ গ্রহণ

গর্ভাবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে কোনো ধরনের ঔষধ গ্রহণ করা উচিত নয়। কিছু কিছু ঔষধে থাকা কোনো কোনো উপাদান গর্ভের শিশুর জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।

দূষণ এড়িয়ে চলা

গর্ভাবস্থায় কোনো ভাবেই দূষিত পরিবেশে যাওয়া যাবে না। বিশেষত দূষিত বায়ু রয়েছে এমন স্থান পরিহার করতে হবে। দূষণ এড়াতে এই সময় যতোটা সম্ভব ঘরে থাকাই ভালো।

Advertisements
Loading...