প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে ঘুরে আসুন মধুপুরের রাবার বাগান

মধুপুর রাবার বাগানের সবুজের মেলা আপনাকে মুগ্ধ করতে বাধ্য

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ দীর্ঘ সময় ধরে নগর জীবনে বন্দী থাকতে ইচ্ছা হয় না কারোরই। মাঝে মাঝে প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে। এই ব্যাকুলতা মেটাতে সুযোগ করে ঘুরে আসতে পারেন মধুপুরেরর রাবার বাগান।

আপনার হাতে ভ্রমণের জন্য যদি খুব বেশি সময় না থাকে তাহলে টাঙ্গাইলের মধুপুরের পীরগাছা রাবার বাগান আপনার জন্য হতে পারে বেড়াবার আদর্শ স্থান। কারণ দেশের যে কোনো প্রান্ত থেকে এখানে এসে কিছুটা সময় কাটিয়ে আপনি চটজলদি ফিরে যেতে পারবেন।

মধুপুর রাবার বাগানের সবুজের মেলা আপনাকে মুগ্ধ করতে বাধ্য। যে সবুজ দেখার জন্য হাঁপিয়ে ওঠে শহরবাসীর মন, সেই সবুজই এখানে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। চারপাশে লম্বা লম্বা গাছ আর তার মাঝ দিয়ে চলে গেছে রাস্তা। এই রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে আপনি যেনো হারিয়ে যাবেন অন্য এক জগতে।

বছরের এক এক সময়ে এই রাবার গাছের বাগান এক এক ধরনের রূপ ধারণ করে। শীত কালে পাতা হারায় গাছগুলি। তবে বহুসংখ্যক এমন ধরনের গাছের মেলা দেখার মধ্যে আনন্দ আছে বৈকি! আর বর্ষাকালেতো কথাই নেই। নতুন সবুজ পাতার সৌন্দর্য নিয়ে গাছগুলি যেনো পশরা সাজিয়ে বসে।

এখানে গেস্টহাউজও রয়েছে। এর পাশে থাকা বিভিন্ন ধরনের ফুলের গাছও আপনাকে মুগ্ধ করবে। প্রকৃতির কোলে অবস্থিত এমন একটি স্থানে থাকার অনুভূতি কেমন হতে পারে তা নতুন করে বলার প্রয়োজন হয় না।

মধুপুরে আপনার জন্য বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে থাকছে রাবারের কারখানা। কারখানায় গেলে আপনি দেখতে পাবেন কিভাবে রাবার গাছের সাদা আঁঠা থেকে প্রস্তুত করা হয় বড়ো বড়ো সব রাবার শিট। যে রাবারের তৈরি অনেক ধরনের দ্রব্য আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করে থাকি তা প্রস্তুত করার প্রক্রিয়া কে না দেখতে চাইবে?

যাওয়া ও থাকার উপায়

পূর্বেই বলা হয়েছে যে, মধুপুরের রাবার বাগানে বেশ সহজেই যাওয়া সম্ভব। আপনি ঢাকায় থাকলে মহাখালী বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে সরাসরি মধুপুরে চলে যেতে পারবেন বাসে। বাস ভাড়া হবে ২০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে। মধুপুরে নেমে আপনি বিভিন্ন উপায়ে রাবার বাগানে যেতে পারবেন। তবে বাগানটি ভালোভাবে ঘুরে দেখার জন্য মটরসাইকেলে যাওয়াই ভালো। কিছুক্ষণ বাগানে কাটিয়ে আপনি ফিরে আসতে পারেন সহজেই। তবে সেক্ষেত্রে আপনাকে ফেরার বাসের সময় সম্পর্কে আগে থেকে জেনে নিতে হবে। কিছুদিন মধুপুরে থাকতে চাইলে গেস্টহাউজ বা বাসস্ট্যান্ডের পাশের হোটেলে থাকতে পারেন।

Advertisements
Loading...