ইরাকের বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক মসজিদ ‘গ্রেট মস্ক অব সামারা’

ইরাকের রাজধানী বাগদাদ হতে ১২৫ কিলোমিটার দূরে তাইগ্রিস নদীর তীরে এই মসজিদ সামারার অবস্থান

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ৩ নভেম্বর ২০১৭ খৃস্টাব্দ, ১৯ কার্ত্তিক ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ১৩ সফর ১৪৩৯ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

যে ছবিটি আপনারা দেখছেন সেটি ইরাকের বিখ্যাত ও ঐতিহাসিক মসজিদ ‘গ্রেট মস্ক অব সামারা’। এই মসজিদটির ডিজাইন একটু ব্যতিক্রমি। মসজিদটির মিনারও ব্যতিক্রমি।

ইরাকের উত্তরের একটি নগরের নাম হলো সামারা। ইরাকের রাজধানী বাগদাদ হতে ১২৫ কিলোমিটার দূরে তাইগ্রিস নদীর তীরে এই মসজিদ সামারার অবস্থান। এটিই এক সময়ের বিশ্বের সবচেয়ে বৃহত্তম মসজিদ ‘গ্রেট মস্ক অব সামারা’।

এই মসজিদটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয় ৮৪৮ সালে। তবে ৮৫১ সালে শেষ হয়েছিলো এই মসজিদের নির্মাণ কাজ। এই মসজিদের বিশেষত্ব হলো শামুকের মতো দেখতে এই মসজিদের মিনার। যার নাম ‘মালাউইয়া’। সর্পিল পথের ৫২ মিটার উঁচু এই মিনারটি প্রস্থ হলো ৩৩ মিটার।

জানা গেছে, নবম শতকে আব্বাসীয় খলিফা আল-মুতাওয়াককিল (৮৪৭-৮৬১ খৃস্টাব্দে) নির্মাণ করা হয় এই ‘গ্রেট মস্ক অব সামারা’।

২০০২ সাল হতে মার্কিন সেনারা ইরাকে আগ্রাসন চালানো শুরু করার পর এক সময় সামারাও চলে আসে তাদের দখলে। আশেপাশের অঞ্চল পর্যবেক্ষণের জন্য তারা এই মসজিদের মিনারে অবস্থান করতো। পরে বোমার আঘাতে, ২০০৫ সালের ১ এপ্রিল মালাউইয়া মিনারটি ক্ষতিগ্রস্থ হয় ‘গ্রেট মস্ক অব সামারা’ মসজিদের।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...