সিরিয়ার দামেস্কের ঐতিহাসিক উমাইয়া মসজিদ

৭১৫ খ্রিষ্টাব্দে এখানে এই উমাইয়া মসজিদটি নির্মাণ করা হয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ২২ ডিসেম্বর ২০১৭ খৃস্টাব্দ, ৮ পৌষ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ৩ রবিউস সানি ১৪৩৯ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

যে ছবিটি আপনারা দেখছেন সেটি সিরিয়ার দামেস্কের উমাইয়া মসজিদ। এটি একটি ঐতিহাসিক মসজিদ।

সিরিয়ার প্রথম ও পৃথিবীর প্রাচীনতম মসজিদগুলোর মধ্যে এটিও একটি। ৬৩৪ সালে জন দ্য ব্যাপ্টিস্ট খ্রিষ্টানদের ক্যাথেড্রাল এই গির্জাটি উৎসর্গ করে দেন।

৭১৫ খ্রিষ্টাব্দে এখানে এই উমাইয়া মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। ইসলামের ইতিহাসে এটি মুসলিম স্থাপত্যশিল্পের প্রথম স্মৃতিস্মারক হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছে।

ইউনেস্কো ‘ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ’-এর খাতায়ও নাম লিখিয়েছে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই উমাইয় মসজিদটি। তবে সিরিয়ায় অনবরত চলতে থাকা গৃহযুদ্ধের শিকার হয়ে এই মসজিদটির বেশ খানিকটা সৌন্দর্যই হারিয়ে গিয়েছে।

এই মসজিদে মোট ৩টি মিনার রয়েছে। মসজিদটির সবচেয়ে বড় গম্বুজটির নাম হলো ‘ডোম অব ঈগল’। ২০০১ সালে পোপ দ্বিতীয় জন পল উমাইয়া মসজিদ দর্শনে আসেন জন দ্য ব্যাপ্টিস্ট এর সঙ্গে জড়িত ধ্বংসাবশেষ দেখতে। বিশ্বের ইতিহাসে তিনিই একজন পোপ হিসেবে প্রথম কোনো মসজিদ দর্শনের জন্য গেছেন।

তথ: https://roar.media এর সৌজন্যে।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...