বিশ্বের সবচেয়ে মোটা ব্যক্তির স্বপ্ন শুধুই নিজের পায়ে হাঁটা!

উত্তর মেক্সিকোর এই বাসিন্দা বিশ্বের সবচেয়ে মোটা ব্যক্তি হিসেবে ২০১৬ সালে গিনেস বুক অব রেকর্ডসে নাম লেখান

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ২০১৬ সালে বিশ্বের সবচেয়ে মোটা ব্যক্তি হিসেবে গিনেস বুক অব রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছিলেন উত্তর মেক্সিকোর এই বাসিন্দা। এখন তার একমাত্র স্বপ্ন নিজের পায়ে হাঁটা!

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, হুয়ান পেদ্রো ফ্রাঙ্কোর বয়স ৩৩ বছর। উত্তর মেক্সিকোর এই বাসিন্দা বিশ্বের সবচেয়ে মোটা ব্যক্তি হিসেবে ২০১৬ সালে গিনেস বুক অব রেকর্ডসে নাম লেখান। তবে এই বিষয়টি তার কাছে মোটেও সুখকর নয়। ওজন কমানোর জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন ফ্রাঙ্কো। এখন শুধু একটাই স্বপ্ন দেখেন সেটি হলো নিজ পায়ে হাঁটা।

হুয়ান পেদ্রো ফ্রাঙ্কো ওজন কমাতে মায়ের সঙ্গে চলে আসেন গোয়াদালাহারার আগুয়াকালিয়ানতেস শহরে। বেরিয়াট্রিক সার্জন জোস আন্তনিও কাসতেনেডার ক্লিনিকে হুয়ানের চিকিৎসাও শুরু হয়। হাইপোথাইরয়েডের রোগী হুয়ানকে ৬ মাস ডায়েটে রাখা হয় তাকে। সেইসঙ্গে চলে শরীরচর্চা।

২০১৭ সালের মে মাসে প্রথম অস্ত্রোপচার করা হয় হুয়ানের। তাতে প্রায় ৮০ শতাংশ ওজন কমে যায়। ৬ মাস পর আবার একটি অস্ত্রোপচার করা হয়। যার মাধ্যমে তার পাকস্থলীর আকার ছোট করে দেন চিকিৎসকরা। এতে হুয়ানের ওজন ৫৯৫ কিলোগ্রাম হতে কমে ৩৪৫ কিলোগ্রাম দাঁড়ায়!

তারপরও এখনও হুয়ানের চব্বিশটা ঘণ্টা কাটে বিছানায়। কিন্তু বিছানায় শুয়েও কিছু না কিছু করার চেষ্টা করেন হুয়ান পেদ্রো ফ্রাঙ্কো। এখন বেশির ভাগ সময়ই তিনি শরীরচর্চা করেন।

হুয়ান পেদ্রো ফ্রাঙ্কো বর্তমানে ওয়াকারে পা ফেলতে সক্ষম। তবে এখনও তার জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন আবার নিজের পায়ে হেঁটে চলার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। তার জন্য সব ধরণের কষ্ট সহ্য করতে রাজি আছেন হুয়ান পেদ্রো ফ্রাঙ্কো।

তবে আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে হুয়ানের আরও কিছুটা ওজন কমবে বলে আশা করছেন তার চিকিৎসক কাসতেনেডার।

চিকিৎসক বলেছেন, ‘আমি খুশি যে সবকিছু পরিকল্পনা মতোই এগোচ্ছে। প্রতিদিন আরও বেশি বেশি করে চেষ্টা করছেন হুয়ান, নিজের জীবনটাকে সঠিক জায়গায় ফেরাতে সে বদ্ধ পরিকর। যে কারণে ফল একদিন আসবেই।’

Advertisements
Loading...