The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

redporn sex videos porn movies black cock girl in blue bikini blowjobs in pov and wanks off.

অন্ধ হলেও তিনি একজন পেশাদার ফটোগ্রাফার!

আমরা সকলেই জানি ফটোগ্রাফির জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো দৃষ্টিশক্তি

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ চোখের আলো যার নেই, তার দুনিয়া অন্ধকার। কিন্তু মনোবল থাকলে সবকিছুই করা সম্ভব সেই প্রমাণ করেছেন একজন দৃষ্টিহীন ব্যক্তি! অন্ধ হলেও তিনি একজন পেশাদার ফটোগ্রাফার!

অন্ধ হলেও তিনি একজন পেশাদার ফটোগ্রাফার! 1

আমরা সকলেই জানি ফটোগ্রাফির জন্য সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো দৃষ্টিশক্তি। হয়তো আপনি বলতেই পারেন, যে চোখে দেখে না সে আবার কিভাবে ছবি তুলবে? তবে ঘটনাটি সত্যি। এবার দৃষ্টিহীন এক পেশাদার ফটোগ্রাফারের সন্ধান মিলেছে। অন্যান্য ইন্দ্রিয় কাজে লাগিয়ে তিনি জগতের রূপ-রস-বর্ণ-গন্ধ ফুটিয়ে তুলছেন তার ক্যামেরায়!

এই অসাধ্য সাধন করা ব্যক্তির নাম সিলইয়া কর্ন। জার্মানির এই নারী চোখ দিয়ে প্রকৃতির রূপ-রস দেখতে না পেলেও হাত, নাক ও কানের সাহায্যে সব চিনতে পারেন। তিনি একইসঙ্গে অনুভূতির সাহায্যে নিজের মোটিভ বেছে নেন। তার তোলা ছবি অন্যান্য পেশাদারদের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়।

সিলইয়া কর্ন বলেন, যখন শব্দ, গন্ধ কিংবা আবহের খোঁজে একাই পথে নামি, কিংবা পায়ের নিচে অন্য ধরনের পাথরের অস্তিত্ব বুঝতে পাই; তখন আমি তার ছবি তুলে ফেলি। কিংবা পাখির ডাক শুনতে শুনতে মনে হয়, কীভাবে সেটি ধরে রাখতে পারি।

খুব ছোটবেলায় সিলইয়া সবকিছু নিজের চোখে দেখতে পেতেন। তখন অনেক ছবি তুলেছেন এবং এঁকেছেন। তবে ১২ বছর বয়সে এক গাড়ি দুর্ঘটনার পর দৃষ্টিশক্তি হারানোর কারণে তার জীবন থমকে যায়। বছর দশেক পূর্বে এক পেশাদার ফটোগ্রাফার তাকে আবার কাজ শুরু করতে উৎসাহ যোগান। অন্য ইন্দ্রিয়গুলো কাজে লাগাতে বলেন তিনি।

সিলইয়া কর্ন বলেন, তখন আমি বুঝতে পারলাম- দৃষ্টি থাকা ও দৃষ্টিহীন মানুষের মধ্যে সত্যি একটি জানালা যেনো খুলে গেলো। সেই উপলব্ধির পর আমার মনে আবার কাজ শুরুর তাগিদ জন্মালো। তখন থেকে আমি ছবি তুলে যাচ্ছি।

তিনি জানিয়েছেন যে, দৃষ্টিহীনদের জন্য রঙ শনাক্ত করার বিশেষ একটি যন্ত্রের সাহায্য নেন তিনি। শব্দের মাধ্যমে সেই যন্ত্রটি রঙ চিনিয়ে দেয়। তবে দু:খের বিষয় হলো নিজের তোলা ছবি তিনি নিজের চোখে দেখতে পান না। তখন তাকে অন্যদের সাহায্য নিতে হয়।

সিলইয়া কর্ন বলেন, কে বর্ণনা দিচ্ছে- তার ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করে। যেমন- আমার স্বামী আমাকে এতোকাল ধরে চেনেন- তিনি জানেন কীভাবে বর্ণনা দিলে আমি বুঝবো, কল্পনা করে নিতে পারবো। মনে হয় যেনো আমি নিজের চোখেই দেখছি। কোন ছবি প্রর্দশনীতে স্থান পাবে, তিনি নিজেই সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। সলিইয়া ঠাট্টা করে বলেন যে, তার স্বামী যদি কখনও তাকে মনগড়া কথা বলেন তিনি ঠিকই তা ধরতে পারেন।

Loading...
sex không che
mms desi
wwwxxx