সিরিয়ায় সেনা পাঠাতে আগ্রহী সৌদি

২০১৪ সালে আইএসকে হটাতে বিমান হামলায় অংশ নেয় সৌদি আরব

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ সিরিয়ায় সেনা পাঠাতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব। আন্তর্জাতিক জোটের অংশ হিসেবে তারা দেশটিতে সৈন্য পাঠাবে। রিয়াদে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেসের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল জুবায়ের এই তথ্য দিয়েছেন।

সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনাও হয়েছে। রিয়াদে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেসের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল জুবায়ের এই তথ্য দিয়েছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়ায় একটি আরব বাহিনী গঠন করতে আগ্রহী। এই ঘটনা জানার পরই সৌদি আরবের পক্ষ হতে এই ঘোষণা দেওয়া হলো।

এই বিষয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে আদেল আল জুবায়ের বলেন, সৌদি আরবের সেনা মোতায়েনের প্রস্তাব নতুন কিছু নয়। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকেও এক সময় একই প্রস্তাব দিয়েছেল সৌদি আরব। তিনি বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সিরিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরুর পর হতেই বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি।

ইতিপূর্বে ২০১৪ সালে আইএসকে হটাতে বিমান হামলায় অংশ নেয় সৌদি আরব। তবে স্থল অভিযানে সেনা মোতায়েন বন্ধ রাখে সৌদি আরব। ২০১৬ সালেও জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সিরিয়ায় সেনা পাঠাতে প্রস্তুত বলে ঘোষণা দিয়েছিল সৌদি আরব।

ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের খবরে বলা হয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরব বাহিনী গঠন করতে চান। যেখানে সৌদি আরব এবং আমিরাতের সেনারাও অংশ গ্রহণ করবে।

বর্তমানে মুহূর্তে সিরিয়ায় দুই হাজার মার্কিন সৈন্য রয়েছে। মূলত সিরিয়ায় মার্কিন সেনাদের স্থলাভিষিক্ত করতেই তিনি এই বাহিনী গঠন করতে চান। ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন জানান, মিসরও এই বাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত হবে।

উল্লেখ্য, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বাহিনীর বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্র হামলার অভিযোগ তুলে গত শুক্রবার রাতে সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স। এই হামলায় ৩টি দেশই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির অস্ত্র ব্যবহার করে।

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...