দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ইসলামের পাঁচটি রুকুনের মধ্যে রোযা এমন একটি রুকুন যার সোওয়াব আল্লাহ নিজে হাতে দিতে চেয়েছেন। রোযা থাকা অবস্থায় এমন কিছু ঘটে যায় যে কারণে অনেকেই মনে করেন তার রোযা হয়তো নষ্ট হয়ে গেছে। তাই পানাহার শুরু করেন। আজ আমরা জানবো রোযা থাকা অবস্থায় যে সকল কাজ করলে বা ঘটলে রোযা ভঙ্গ বা মাকরূহ হয় না।

ভুলে পানাহার করা:
রোযা অবস্থায় ভুলে কোন কিছু খেয়ে ফেললে রোযা নষ্ট হয় না তবে যখনি রোযার কথা মনে পরবে তারপর আর একটুও গিলে নেওয়া যাবে না। আবার কেউ যদি ভুলে স্ত্রী সহবাস করে তাতেও রোযা নষ্ট হবে না তবে স্ত্রী সহবাস করা অবস্থায় রোযার কথা স্বরণে আসার পর সহবাস থেকে বিরত থাকতে হবে। [বেহেশতি জেওর : ৩/১৪, কুদুরি : ৪৫]
রোযা অবস্থায় আতর-সুরমা বা তেল ব্যবহার:
রোযা অবস্থায় আতর-সুরমা বা তেল লাগানো জায়েয আছে। এতে রোযা নষ্ট বা মাকরূহও হয় না। [বেহেশতি জেওর : ৩/১০, কুদুরি : ৪৫]
নাপাক শরীরে রোযা রাখা:
রাতে স্ত্রী সহবাস বা স্বপ্নদোষের কারণে গোসল ফরয হয়েছে কিন্তু এমন সময় আপনার ঘুম ভেঙ্গেছে যখন গোসল করতে গেলে আর সাহরীর সময় থাকবে না। এই অবস্থায় শুধু হাত-মুখ ধুয়ে সাহরী খেলে রোযার কোন ক্ষতি হবে না। আবার দিনের বেলায় স্বপ্নদোষ হলেও রোযা ভঙ্গ হয় না। অবশ্য ফরয গোসল অকারণে দেরিতে করলে তার জন্য পৃথক গুনাহ হবে। [ইলমুল ফেকাহ : ৩/৩১]
অযু বা কুলি করার পর মুখে পানি থেকে যাওয়া:
অযু বা কুলি করার পর দুই একবার মুখের থুতু ফেলে দিতে হবে তবুও যদি কিছু পানি মুখের মধ্যে থেকে যায় তা গিলে ফেলার দ্বারা রোযা নষ্ট হয় না।
মশা-মাছি বা ধুলা-বালি মুখ বা নাক দিয়ে ভিতরে গেলে:
অনিচ্ছাকৃতভাবে যদি গলার ভিতরে মশা-মাছি, ধোঁয়া বা ধূলাবালি চলে যায়, তবে রোযা নষ্ট হবে না, কিন্তু ইচ্ছাপূর্বক এরূপ করলে রোযা নষ্ট হবে। [বেহেশতি জেওর : ৩, আলমগিরী : ১/২৯৮, কিতাবুল ফিকহি : ১/৯২২]
জানেন কি?