ইরানের ধর্মীয় নগরী কোম এর একটি মসজিদ

মূলত ৮ম শতকে কোম শিয়া মুসলমানদের কেন্দ্রে পরিণত হয়

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ শুভ সকাল। শুক্রবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৮ খৃস্টাব্দ, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ, ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরি। দি ঢাকা টাইমস্ -এর পক্ষ থেকে সকলকে শুভ সকাল। আজ যাদের জন্মদিন তাদের সকলকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা- শুভ জন্মদিন।

যে ছবিটি আপনারা দেখছেন সেটি ইরানের ধর্মীয় নগরী কোম এর একটি ঐতিহাসিক মসজিদ। বিশাল এক মসজিদ। দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদটি বিশ্বের একটি খ্যাতিমান মসজিদ।

ইরানের অন্যতম পবিত্র নগরী হিসেবে খ্যাত হলো কোম। ইমাম আলী ইবনে মূসা আর-রেযা (আ.)-এর বোন হযরত ফাতেমা মাসুমার মাযারের অবস্থান এই শহরে হওয়ার কারণেই এ সম্মান প্রদর্শন করা হয়ে থাকে। অমুসলিমরা এই মাযারে প্রবেশ করতে পারে। তবে সেজন্য অবশ্যই কোনো মুসলিম সঙ্গী বা গাইডের সাহায্য নিতে হয়।

মূলত ৮ম শতকে কোম শিয়া মুসলমানদের কেন্দ্রে পরিণত হয়। ৮১৬ খ্রিস্টাব্দে ইমাম রেযার বোন ফাতেমা মাসুমা কোমে ইন্তেকাল করলে তাঁকে এই স্থানটিতেই সমাহিত করা হয়। সেই থেকে কোম মুসলমানদের কাছে একটি অন্যতম পবিত্র নগরী হিসেবে বিবেচিত।

কোম সেই শহর যেখানে ইরানের শাহের অনুগত সেনাবাহিনী ইসলামী বিপ্লব সফল করার লক্ষ্যে গঠিত স্বাধীনতাকামী মিলিশিয়াদের কাছে ১৯৭৯ সালে আত্মসমর্পণ করেছিলো এবং ইমাম খোমেইনীর নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লব সফলতা লাভ করেছিলো। তারপর হতে ইমাম খোমেইনী আমৃত্যু কোমে বসবাস করতেন। ধর্মীয় শিক্ষা নগরী হিসেবে কোমের খ্যাতিও সুদীর্ঘকালের।

ইরান এবং বিশ্বের অন্যান্য স্থানের ধর্মপ্রাণ শিয়া মুসলমানদের কাছে কোম আধ্যাত্মিকতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত। এই শহর অনেক ধর্মবেত্তাকে জন্ম দিয়েছে। এখানে ধর্মীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সংখ্যা প্রয়ি ৫০ এবং ধর্ম গবেষণা ও লাইব্রেরির সংখ্যা ২৫০টি। কোমের অদূরে আরেকটি উপশহর ধর্মপ্রিয় মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। এর নাম হলো ‘জামকারান’।

তথ্যসূত্র: http://www.iranmirrorbd.com

Advertisements
আপনি এটাও পছন্দ করতে পারেন
Loading...