The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভিপিএন ব্যবহারে সতর্ক হোন

যেসব ভিপিএন অ্যাপগুলো বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়, সেগুলো থেকেই বেশি তথ্য পাচার হয়ে যাচ্ছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ আমরা অনেকেই ভিপিএন ব্যবহার করি। অনেকেই প্রাইভেসির কথা ভেবে এটি করেন। তবে অনলাইনে সুরক্ষিত রাখার পরিবর্তে আপনার সব তথ্য আরও পাচার করে দিচ্ছে একাধিক ভিপিএন সফটওয়্যার!

ভিপিএন ব্যবহারে সতর্ক হোন 1

নানা প্রয়োজনে আমরা অনেকেই ভিপিএন ব্যবহার করি। অনেকেই আবার প্রাইভেসির কথা ভেবে এটি ব্যবহার করেন। তবে অনলাইনে সুরক্ষিত রাখার পরিবর্তে নার সব তথ্য আরও পাচার করে দিচ্ছে একাধিক ভিপিএন সফটওয়্যার! কারণ আমরা ভিপিএন ব্যবহার করি অনেক সময় কোনো সাইট যদি সরকার বন্ধ করে দেয় তাহলে ভিপিএনের মাধ্য অন্যদেশের নেট ব্যবহার করে আমরা ভিপিএন ব্যবহার করে থাকি।

অনলাইনে প্রাইভেসি রক্ষার পাশাপাশি সুরক্ষিত রাখার জন্য অনেকেই ভিপিএন সফটওয়্যার ব্যবহার করেন। তবে অনলাইনে সুরক্ষিত রাখার পরিবর্তে ভিপিএন সফটওয়্যার আপনার সব তথ্য পাচার করে দিচ্ছে। গুগল প্লে স্টোরের ১৫০টি জনপ্রিয় ভিপিএনের ২৫ শতাংশেরও বেশি অ্যাপের বিরুদ্ধে তথ্য বিক্রি করার অভিযোগ তোলা হয়েছে। ইতিমধ্যে ৮৫ শতাংশ ব্যবহারকারী ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য বড় সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।

এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি টপ টেন ভিপিএন ডটকম ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক পর্যালোচনায় এইসব তথ্য জানানো হয়েছে। বিশেষ করে যেসব ভিপিএন অ্যাপগুলো বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়, সেগুলো থেকেই বেশি তথ্য পাচার হয়ে যাচ্ছে।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বেশির ভাগ ভিপিএন ব্যবহারকারীরই ডিএনএস তথ্য ফাঁস করেছে। এই তথ্য ব্যবহার করে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা গোয়েন্দা বিভাগ যেকোনো অনলাইন কার্যক্রমই নজরদারি করতে পারে। সে কারণে ভিপিএন ব্যবহার করেও অনলাইনে সুরক্ষিত থাকছেন না এর ব্যবহারকারীরা।

পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, ১৫০টি ভিপিএন অ্যাপের মধ্যে ৯৯টিই অপ্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য অনুমতি চায়। ৩৮টি ভিপিএন অবস্থানগত তথ্য এবং ৫৭টি ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে থাকে। তাছাড়া ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, বার্তা পড়ার অনুমতিও চায় এই অ্যাপ। সাধারণত ভিপিএন অ্যাপের এসব তথ্য কোনই কাজে লাগে না। তাই এই ধরনের তথ্য নেওয়ার অনুমতি চাওয়ার বিষয়টি সত্যিই সন্দেহজনক বিষয়।

প্লে স্টোরে থাকা জনপ্রিয় ভিপিএন অ্যাপ হটস্পটশিল্ড ফ্রি, সুপার ভিপিএন, হাই ভিপিএন, হটস্পটশিল্ড বেসিক, টার্বো ভিপিএন, শিফন প্রো, স্ন্যাপ ভিপিএন, ভিপিএন মাস্টার, হোলা ও স্পিড ভিপিএনে কোনো ম্যালওয়্যার পাওয়া যায়নি। তবে এসব অ্যাপের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু তথ্যের অনুমতি চাওয়া সত্যিই সন্দেহজনক বলে মনে করা হচ্ছে।

Loading...