The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

সহকর্মীদের সাথে আপনার আচরণ কেমন হওয়া উচিৎ

সকল সহকর্মীদের সাথে ভাল আচরণ করবেন কিন্তু সকলের সাথে বন্ধুত্ব নয়

দি ঢাকা টাইমস ডেস্ক ।। চাকরিজীবিদের দুইটি পরিবার থাকে, একটি তার নিজের পরিবার আর অন্যটি অফিসের পরিবার। দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে অফিসের পরিবারের সাথে। দিনের পর দিন এভাবে অফিসের অন্যান্য কর্মীদের সাথে কাজ করার সময় কিছু সহকর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়। এক্ষেত্রে বেশি ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব আবার সমস্যাও সৃষ্টি করতে পারে।

তবে বন্ধুত্বের বন্ধন সর্বদা ভালই হয়। আজ আমরা আলোচনা করব অফিসের অন্যান্য সহকর্মীদের সাথে কেমন বন্ধুত্ব তৈরি করা উচিৎ এবং অন্যদের সাথে কেমন আচরণ করা উচিৎ।

১। কাজের পরিবেশের দিকে লক্ষ্য রাখাঃ

অফিসের অন্যান্য কর্মীদের সাথে এমন আচরণ করবেন না যা কাজের পরিবেশ নষ্ট করে। অনেক সময় দেখা যায়। একজনের সাথে আপনার হয়ত খুবই ভাল বন্ধুত্ব রয়েছে। তাই মাঝে মাঝেই তাকে নানা কথা বলছেন। হতে পারে বারবার আপনার সেই কথার উত্তর দিতে গিয়ে সে কাজের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। তাই সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই সহকর্মীদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখুন।

২। অন্যের সমস্যা উপলব্ধি করাঃ

অফিসে সর্বদা নিজের সুবিধা দেখবেন না। আপনার কারণে অন্যরা কতটা সমস্যায় পরছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। বন্ধুত্ব মানেই পারস্পারিক সুবিধা বজায় থাকা। আমরা অনেক সময় নিজের সুবিধার জন্য অন্যদের কতটা সমস্যা সৃষ্টি হবে তা ইচ্ছে করেই না বোঝার চেষ্টা ভান করি। এমন মানসিকতা পরিবর্তন করতে হবে।

৩। অন্যের উপর মাত্রাতিরিক্ত কাজ না চাপানোঃ

বেশি ঘনিষ্ঠ বলে অনেক সময় সহকর্মীদের উপর নিজের বেশ কিছু কাজ চাপিয়ে দিই। এতে নিজে আনন্দ পেলেও যার উপর সেই কাজের দায়িত্ব চাপিয়ে দেওয়া হল সে কিন্তু মনে মনে বিরক্ত হয়। কারণ তাকে এখন বাড়তি কাজের বোঝা বইতে হবে। তাই নিজের কাজ নিজেই করার চেষ্টা করুন।

৪। সবার সাথে বন্ধুত্ব করবেন নাঃ

একটা কথা মনে রাখবেন, সকলের সাথে বন্ধুত্ব করা কখনই ভাল নয়। অফিসের সবার সাথে বন্ধুত্ব করলে নিজের কর্তৃত্ব বজায় থাকে না। কারণ সকলেই আপনাকে বন্ধুর মত দেখলে কাজের প্রতি নানা সমস্যা সৃষ্টি হবে। তাই নিজেই সিদ্ধান্ত নিন কার সাথে বন্ধুত্ব করবেন আর কার সাথে স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখবেন।

৫। কারোর ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা না বলাঃ

অফিসে আপনার যতই পরিচিত বা বন্ধুত্ব থাকুন না কেন অফিসে অন্যদের ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কখনো কথা বল্বেন না। এতে তারা বিরক্ত হতে পারে আবার আপনার প্রতি তাদের সম্মান কমে যেতে পারে। তবে কেউ যদি বেশি ঘনিষ্ঠ হয় এবং সে যদি স্বেচ্ছায় বলতে আগ্রহী হয় তবে তার ব্যক্তিগত বিষয় শুনতে বা সেই বিষয় নিয়ে কথা বলতে পারেন।

৬। ভুল বোঝাবুঝি মানিয়ে চলাঃ

প্রথমেই বলেছি অফিস মানে পরিবারের বাইরে আরেকটি পরিবার। তাই ভুল বোঝাবুঝি, রাগ অভিমান হবেই। তাই বলে এমন আচরন করা যাবে না, যা সম্পর্ক নষ্ট করে। তাই মাথা ঠান্ডা রেখে সকল প্রতিকূল অবস্থা পাড় করতে হবে এবং তার পাশাপাশি সকলের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।

Loading...