The Dhaka Times
তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে রাখার প্রত্যয়ে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সামাজিক ম্যাগাজিন।

ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল হচ্ছে: ২৮ দিনেই হবে নামজারি

এই কর্মসূচিকে সফল করার প্রয়াস হিসেবে ইতিমধ্যেই রাজধানীসহ ঢাকা জেলার প্রায় ৪ লাখ ই-নামজারি মামলা সম্পন্ন হয়েছে

দি ঢাকা টাইমস্ ডেস্ক ॥ ভূমি সংক্রান্ত হয়রানি দূর করার জন্য সরকার নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। জনগণের ভোগান্তি দূর করার জন্য আগামী জুন মাস হতে ডিজিটালাইজড সেবা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ভূমি অধিদফতর।

ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাল হচ্ছে: ২৮ দিনেই হবে নামজারি 1

ভূমি সংক্রান্ত হয়রানি দূর করার জন্য সরকার নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। জনগণের ভোগান্তি দূর করার জন্য আগামী জুন মাস হতে ডিজিটালাইজড সেবা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে ভূমি অধিদফতর।

এই পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে নামজারির জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষাও করতে হবে না, মাত্র ২৮ দিনেই নামজারি সম্পন্ন হবে বলেও জানানো হয়েছে।

এই কর্মসূচিকে সফল করার প্রয়াস হিসেবে ইতিমধ্যেই রাজধানীসহ ঢাকা জেলার প্রায় ৪ লাখ ই-নামজারি মামলা সম্পন্ন হয়েছে। জনসচেতনতা বাড়াতে ১০ এপ্রিল হতে ভূমি সেবা সপ্তাহ ও ভূমি করমেলা অনুষ্ঠিত হবে। এই খবর দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমে।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ভূমি সংক্রান্ত হয়রানি দূর করতে ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজড করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এর অংশ হিসেবেই রাজধানীসহ ঢাকা জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ই-নামজারি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩ লাখ ৯৩ হাজারের বেশি ই-নামজারি সম্পন্ন করা হয়েছে। জুনের মধ্যে সারা দেশই এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। মাত্র ২৮ দিনেই ভূমির নামজারি সম্পন্ন হবে।

ভুক্তভোগীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিলো, জমির নামজারির জন্য ভূমি অফিসে ফি জমা দেওয়ার পরও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অগ্রগতি হয় না। নামজারির জন্য ভূমির মালিককে দীর্ঘতম এক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি, নির্ধারিত ফি’র সঙ্গে জমির মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্র এসি ল্যান্ড কার্যালয়ে জমা দিতে হয়। সেখান থেকে তা পাঠানো হয় তহশিলদারের অফিসে।

তারপর তহশিলদার ‘সন্তুষ্ট হলে’তা পাঠান ইউনিয়ন ভূমি অফিসে। তারপর সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কাছে তদন্ত প্রতিবেদনও চাওয়া হয়। তখন এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হন ভূমি অফিসের নাজির। তাছাড়া জমির ক্রেতা-বিক্রেতাকে ল্যান্ড ট্রান্সফার (এলটি) নোটিশ দেওয়া হয়। সবকিছু ঠিক থাকার পরও ভূমির মালিককে নামজারি করার জন্য এমনও আছে যে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়।

এই নতুন ডিজিটালাইজড সেবা ব্যবস্থাটি চালু হলে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অফিস সমূহে যেসব সমস্যা বিদ্যমান সেগুলোর সমাধান হবে। বিশেষ করে এইসব ভূমি অফিসে যেসব দুর্নীতি হয়ে থাকে তাও কমে আসবে।

Loading...